নিজস্ব প্রতিবেদক
আল্লাহতাআলা, মহানবী হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, কুরআন-সুন্নাহ, ইসলামী বিধান ও ধর্মীয় প্রতীকগুলো নিয়ে কটাক্ষ, অবমাননা ও বিদ্বেষমূলক বক্তব্যের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রেখে জাতীয় সংসদে কঠোর আইন পাস করাসহ ৬ দফা দাবি জানিয়েছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ।
গতকাল এক বিবৃতিতে আমির আল্লামা শাহ মুহিববুল্লাহ বাবুনগরী ও মহাসচিব আল্লামা শায়েখ সাজিদুর রহমান এ দাবি জানান। অন্য দাবিগুলো হলো- ১. সম্প্রতি নতুনধারা বাংলাদেশের ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে আল্লাহ প্রদত্ত শরিয়াহ বিধান, ইসলামী মূল্যবোধ, পর্দা-বোরকা, হিজাব, দ্বীনি প্রতীক এবং ওয়ারাসাতুল আম্বিয়া উলামায়ে কেরামের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে কুরুচিপূর্ণ, অশালীন, বিদ্বেষমূলক ও উসকানিমূলক বক্তব্য প্রদান করে যাচ্ছে। এমনকি দেশের শীর্ষস্থানীয়, গ্রহণযোগ্য ও জনপ্রিয় উলামায়ে কেরামদের নিয়েও ন্যক্কারজনক মন্তব্য করে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের ঈমানি অনুভূতিতে চরম আঘাত হেনেছে। ওই নারীর ইসলামবিদ্বেষী, উসকানিমূলক ও অশালীন বক্তব্যের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে অবিলম্বে তাকে গ্রেফতার করতে হবে। ২. তার পেছনে কারা মদদ দিচ্ছে এবং কোনো গোষ্ঠী বা চক্র তাকে ব্যবহার করছে তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে উদঘাটন করে সংশ্লিষ্ট সকলের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
৩. সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও গণমাধ্যমে ধর্মীয় বিদ্বেষ, ইসলামবিদ্বেষী কনটেন্ট এবং উসকানিমূলক প্রচারণা বন্ধে কার্যকর মনিটরিং সেল গঠন করে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। ৪. ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতকারী ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে প্রচার-প্রসার করে যারা সমাজে অস্থিরতা সৃষ্টি করছে, সেই সব গণমাধ্যম ও প্ল্যাটফর্মের বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। ৫. দেশের উলামায়ে কেরাম, মসজিদ-মাদরাসা ও ইসলামী ব্যক্তিত্বদের সম্মানহানি এবং নিরাপত্তা বিঘিœত করার যেকোনো ষড়যন্ত্র কঠোরভাবে দমন করতে হবে।



