ক্রীড়া প্রতিবেদক
জাতীয় স্টেডিয়াম বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন ও বাংলাদেশ অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশন মিলে ব্যবহার করছে। কমলাপুর বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহি মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামও বাফুফে ব্যবহার করছে। তবে গতকাল কমলাপুর স্টেডিয়ামের সাথে সিলেট জেলা স্টেডিয়ামও বাফুফেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বুঝিয়ে দিয়েছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ। ফলে এখন থেকে এই দুই স্টেডিয়ামের মাঠ, গ্যালারি, প্যাভিলিয়ন ভবন, ড্রেসিং রুম, মিডিয়া সেন্টার, মাঠে প্রবেশ পথ, ক্যান্টিন, টয়লেট, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, ডরমিটরি এবং ফ্লাডলাইট বাফুফের তত্ত্বাবধানে থাকবে। গতকাল এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। বাফুফের পক্ষে সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন তুষার ও জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পক্ষে পরিচালক ক্রীড়া জাহেদ পারভেজ চৌধুরী স্বাক্ষর করেন।
সিলেট স্টেডিয়ামের মাঠে আসছে নতুনত্ব। সেখানে হবে হাইব্রিড মাঠ। মানে টার্ফ ও ঘাসের মাঠের সমন্বয়। মাঠে কৃত্রিম ঘাসও থাকবে। একই সাথে সেখানে লাগানো হবে প্রাকৃতিক ঘাস। এতে প্রাকৃতিক ঘাস দখলে নেবে কৃত্রিম ঘাসকেও। এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের অর্থায়নে এই হাইব্রিড ঘাস লাগানোর কাজ শুরু হবে। এএফসিই তদারকি করবে এই কার্যক্রম। তারা কোনো অর্থ এই খাতে বাফুফেকে দেবে না। নিজেরাই ব্যয় করবে সব অর্থ। আর এই টার্ফ আসবে তুরস্ক থেকে।



