ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও দেশকে দুর্নীতিমুক্ত করতে চাই : ডা: শফিক

Printed Edition

নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা-১৫ আসনের জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা: শফিকুর রহমান বলেছেন, ন্যায়-ইনসাফের সমাজ প্রতিষ্ঠা এবং দেশকে দুর্নীতি ও দুঃশাসন মুক্ত করতে জামায়াত কারো সাথে আপস করবে না। তিনি দেশের যুবসমাজকে দেশপ্রেম ও ন্যায়-ইনসাফের ভিত্তিতে আন্দোলনে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।

ডা: শফিকুর রহমান গতকাল রাত ৮টায় মিরপুর পীরেরবাগ ঝিলপাড়ে সমর্থক গোষ্ঠীর আয়োজিত প্রীতি সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন। সমাবেশে কেন্দ্রীয় ও মহানগরী কর্মপরিষদের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

তিনি বলেন, জামায়াত শুধুই প্রতিশ্র“তির রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না, বরং কথা ও কাজের মধ্যে মিল রাখতে অঙ্গীকারবদ্ধ। নির্বাচনের আগে কিছু দল দেশকে বিদেশের আদলে রূপান্তরিত করার স্বপ্ন দেখায়, কিন্তু পরে তারা সেই প্রতিশ্র“তি রাখে না। অতীত ও বর্তমানের আমলনামা দেখে আগামী প্রজন্ম বুঝবে তাদের নীতি ও অভ্যাস কী হবে।

ডা: শফিকুর রহমান আরো বলেন, বাংলাদেশ একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ। পররাষ্ট্রনীতি কারো নির্দেশনায় চলবে না এবং দেশকে আত্মসম্মানের সাথে পরিচালনা করা হবে। যুবসমাজকে গড়ে তুলতে হবে আত্মনির্ভরশীল ও সরকারকে সহযোগী করে এমনভাবে, যাতে তারা দেশের উন্নয়নে সক্রিয় ভূমিকা রাখে। তিনি দেশ ও জাতির ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য ইতিবাচক পরিকল্পনা বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।

সমাবেশের আগে জামায়াতের আমির বিভিন্ন মসজিদে নামাজ আদায় করে মুসল্লিদের উদ্দেশে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন ও কুশল বিনিময় করেন।

সাইফুল আলম খান মিলনের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান : ঢাকা-১২ আসনের জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী সাইফুল আলম খান মিলন গণভবনের আবাসিক এলাকা পরিষ্কার ও মশক নিধন অভিযানের উদ্বোধন করেন। তিনি বলেন, পরিচ্ছন্নতার অভাবে পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে এবং ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন রোগব্যাধি ছড়িয়ে পড়ছে। অভিযানের মূল লক্ষ্য নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধি, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনগণকে সম্পৃক্ত করা। স্থানীয় জনগণ এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং নিয়মিত চালানোর আশা প্রকাশ করেছেন।

রমনায় নারীদের নিয়ে নাগরিক সমাবেশ : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমির ও ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ড. হেলাল উদ্দিন বলেছেন, নির্বাচিত হলে উন্নত বিশ্বের মতো সংসদে সিটি ম্যাজিস্ট্রেসি আইন বিল উত্থাপন করা হবে। যে আইনের মাধ্যমে এলাকায় আরো যত উন্নয়ন কাজ আছে সংসদ সদস্যদের মাধ্যমে সব একসাথে নোট পাস করা হবে। এতে রাষ্ট্রের ব্যয় কমবে, দুর্নীতি রোধ করা সম্ভব হবে। যদি দুর্নীতি বন্ধ করে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা যায় তাহলে পাঁচ বছর নয়, এক বছরে দেশ ঘুরে দাঁড়াবে ইনশা আল্লাহ।

গতকাল রাজধানীর বেইলি রোডের গার্লস গাইড অ্যাসোসিয়েশন মিলনায়তনে রমনা থানা জামায়াত আয়োজিত নারী ভোটারদের নিয়ে নাগরিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।