ষ বিশেষ সংবাদদাতা
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নবনির্বাচিত এমপি ও মন্ত্রীদের শপথ গ্রহণ আগামী মঙ্গলবার। বিএনপি চেয়ারম্যানের প্রেসসচিব সালেহ শিবলী গত রাতে এ তথ্য জানিয়েছেন।
জানা গেছে, মঙ্গলবার সকাল ১০টায় জাতীয় সংসদে এমপিদের শপথ পড়াবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন। পরে বিকেল ৪টায় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় মন্ত্রীদের শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি মো: সাহাবুদ্দিন।
এর আগে ১৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নতুন মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেন পদত্যাগী মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদ। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের গেজেট প্রকাশের পর গতকাল সচিবালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এই তথ্য জানান।
তিনি আরো বলেন, আইন অনুযায়ী আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ শেষ করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে নতুন সরকার গঠনের কথা রয়েছে। এ লক্ষ্যে যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।
সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে সচিব জানান, ইসি ইতোমধ্যে ২৯৭টি আসনের নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের নাম উল্লেখ করে গেজেট প্রকাশ করেছে। আইন অনুযায়ী, গেজেট প্রকাশের তিন দিনের মধ্যে নির্বাচিত সদস্যদের সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিতে হয়। আগামীকাল থেকে শুরু হওয়া পরবর্তী তিন কর্মদিবসের মধ্যে অর্থাৎ ১৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে এই শপথ গ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণের পর নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনকারী দল তাদের সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচন করবে। এরপর সংসদীয় দলীয় নেতা রাষ্ট্রপতির কাছে সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন হওয়ার বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানাবেন। রাষ্ট্রপতি তখন তাকে নিয়মানুযায়ী প্রধানমন্ত্রী পদে নিয়োগ দেবেন এবং নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের আহ্বান জানাবেন।
বর্তমানে যেহেতু স্পিকার নেই ও ডেপুটি স্পিকার কারাগারে এই পরিস্থিতিতে সংসদ সদস্যদের কে শপথ পড়াবেন? জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটি হ্যান্ডেল করে সংসদ সচিবালয়। ওখানে কথা বলতে হবে।
এখানে নানান রকমের অপশন আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার বা তাদের মনোনীত কেউ এটা করাতে (শপথ) পারেন। তারা যদি কোনো মনোনয়ন না দিতে পারেন তাহলে সরকার থেকে কাউকে মনোনয়নের ব্যবস্থা করা হতে পারে। তবে এই দায়িত্বটা আমাদের নয়। তিনি বলেন, সে ক্ষেত্রে প্রধান বিচারপতি বা প্রধান নির্বাচন কমিশনারের মাধ্যমেও শপথ পড়ানোর বিকল্প পথ খোলা আছে। তবে বিষয়টি সংসদ সচিবালয় হ্যান্ডেল করবে।’



