সাক্ষাৎকার : ড. মোহাম্মদ শামসুদ্দিন

স্থানীয় সরকারের কাঠামোগত ঘাটতি দূর হলে সম্পদ আহরণ সম্ভব

রাশিদুল ইসলাম
Printed Edition

বাংলাদেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক মুক্তি এবং টেকসই গ্রামীণ উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি নিহিত রয়েছে একটি শক্তিশালী স্থানীয় সরকারব্যবস্থার মধ্যে। তবে দীর্ঘদিনের কাঠামোগত দুর্বলতা, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা এবং রাজনৈতিক সদিচ্ছার অভাবে এই খাতটি কাক্সিক্ষত ভূমিকা রাখতে পারছে না। আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে এই ব্যবস্থার সংস্কার, গ্রামীণ অর্থনীতিতে প্রযুক্তির ব্যবহার, রেমিট্যান্সের উৎপাদনশীল বিনিয়োগ এবং প্রবাসীদের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগানোর উপায় নিয়ে নয়া দিগন্তের মুখোমুখি হয়েছেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন স্থানীয় সরকার ও উন্নয়ন বিশেষজ্ঞ ড. মোহাম্মদ শামসুদ্দিন। মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকাসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দীর্ঘ কাজের অভিজ্ঞতাসমৃদ্ধ এই গবেষকের সাক্ষাৎকারের বিস্তারিত নিচে তুলে ধরা হলো।

নয়া দিগন্ত : আপনি দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় সরকার নিয়ে কাজ করছেন। আমাদের বর্তমান স্থানীয় সরকার কাঠামোর মূল সঙ্কটটি কোথায় এবং এর থেকে উত্তরণের উপায় কী?

ড. মোহাম্মদ শামসুদ্দিন : দেখুন, স্থানীয় সরকার হলো একটি দেশের উন্নয়নের একেবারে বেসিক গ্রাউন্ড বা ভিত্তিভূমি। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত আমরা এই গ্রাউন্ডটাকে দীর্ঘদিন ধরে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারছি না। বর্তমান পদ্ধতিতে সবচেয়ে বড় ঘাটতি হলো কার্যপদ্ধতির সনাতন রূপ। স্থানীয় সরকার পর্যায়ের এই কার্যপদ্ধতি যদি আমূল ঢেলে সাজানো না যায়, তবে তৃণমূলের বিদ্যমান চাহিদা পূরণ করা কখনোই সম্ভব হবে না।

এজন্য শুধু সরকারের একার সদিচ্ছা নয় বরং একটি বড় রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতির প্রয়োজন। দেশের প্রধান বিরোধী দল, উন্নয়নবিদ ও বেসরকারি পর্যায়ের সমন্বয়ে একটি জাতীয় কর্মতৎপরতা শুরু করতে হবে। এই যৌথ উদ্যোগ সরকার ও বিরোধীদলের মধ্যে স্থানীয় সরকার পরিচালনায় এক নবতর ও ইতিবাচক ধারা সৃষ্টি করতে পারে। মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকাসহ বিভিন্ন দেশে কাজের অভিজ্ঞতা থেকে আমি দেখেছি, কেবল উপর থেকে বা কেন্দ্রীয় সরকার থেকে স্থানীয় সরকারের ওপর কাজ চাপিয়ে দিলে কোনো সুফল আসে না। স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে স্বাধীনভাবে কাজ করার আইনি ও আর্থিক স্বায়ত্তশাসন দিতে হবে। একই সাথে এই ব্যবস্থার অভ্যন্তরীণ দুর্বলতাগুলো দূর করে দুর্নীতির বিরুদ্ধে একটি কঠোর ও স্পষ্ট বার্তা দেয়ার কোনো বিকল্প নেই। সামনে নির্বাচন আসছে, এখনই সময় এই ‘স্ট্রাকচারাল ডেফিসিয়েন্সি’ বা কাঠামোগত ঘাটতিগুলো নিয়ে গভীরভাবে চিন্তাভাবনা করার।

নয়া দিগন্ত : মাঠপর্যায়ে একটি সাধারণ অভিযোগ রয়েছে যে, স্থানীয় সরকার, স্থানীয় নির্বাচিত সংসদ সদস্য (এমপি) এবং মাঠ প্রশাসন (আমলাতন্ত্র)- এই তিন পক্ষের সমন্বয়হীনতা বা ক্ষমতার দ্বন্দ্ব এক ধরনের অরাজকতা তৈরি করে। এই ত্রিভুজ দ্বন্দ্ব কিভাবে নিরসন করা সম্ভব?

ড. মোহাম্মদ শামসুদ্দিন : এটি অত্যন্ত বাস্তব একটি সমস্যা। এর সমাধান লুকিয়ে আছে প্রকৃত ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণের মধ্যে। যারা স্থানীয় সরকার চালাবে অর্থাৎ ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা বা পৌরসভা- এই ফাংশনাল বডিগুলোকে আইনগতভাবে অনেক বেশি ক্ষমতা ও কার্যপরিধি দিতে হবে। কেন্দ্রীয় সরকারের কাজ হবে মূলত ‘সুপারভিশন’ বা মনিটরিং করা, দৈনন্দিন কাজে হস্তক্ষেপ করা নয়।

কেন্দ্রীয় সরকার স্থানীয় সরকারকে একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা বা টার্গেট বেঁধে দেবে। আর সেই টার্গেট পূরণের পথে কী কী প্রশাসনিক বা আইনি বাধা আছে, তা দূর করতে স্থানীয় পর্যায়ের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের সাথে নিয়মিত পরামর্শ করবে। কোনো অবস্থাতেই স্থানীয় সরকারের কাজে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে- এমন রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক বাধা সৃষ্টি করা যাবে না। প্রকল্প সময়মতো বাস্তবায়নের জন্য জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সময়মতো আর্থিক বরাদ্দ ছাড় দেয়া জরুরি।

আমাদের এখন ‘সোয়াট অ্যানালাইসিস’ (শক্তি, দুর্বলতা, সুযোগ ও হুমকি মূল্যায়ন) করে স্থানীয় সম্ভাবনাগুলোকে কাজে লাগাতে হবে। স্থানীয় উন্নয়নকে কোনো ব্যক্তিগত বা দলীয় ইচ্ছার ওপর ছেড়ে দেয়া যাবে না। স্থানীয় সরকার কেন লক্ষ্য পূরণ করতে পারছে না, সেই রুট কজ বা মূল কারণগুলো খুঁজে বের করে তা দূর করাই হওয়া উচিত কেন্দ্রীয় সরকারের মূল দায়িত্ব।

নয়া দিগন্ত : আপনি স্থানীয় পর্যায়ে এক ধরনের ‘অপসংস্কৃতি’ বা ভয়ের পরিবেশের কথা প্রায়ই বলেন। এটি মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের কিভাবে প্রভাবিত করছে?

ড. মোহাম্মদ শামসুদ্দিন : এটি আমাদের উন্নয়নের অন্যতম বড় অন্তরায়। প্রতিটি এলাকার ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য, অর্থনৈতিক সম্ভাবনা ও সমস্যার আকার ভিন্ন। কোনো এলাকা হয়তো কৃষিপ্রধান, কোনো এলাকা খনিজসম্পদে সমৃদ্ধ, আবার কোনোটি উপকূলীয় অঞ্চল। তাই সব জায়গায় এক নিয়মে উন্নয়ন চাপিয়ে দেয়া ভুল। স্থানীয় পেশাজীবী ও জনপ্রতিনিধিদের সমন্বয়ে এলাকাভিত্তিক ফিজিবিলিটি স্টাডি বা সম্ভাব্যতা যাচাই করে উন্নয়ন পরিকল্পনা সাজাতে হবে।

কিন্তু বর্তমানে মাঠপর্যায়ে কাজের কোনো স্বাধীনতা নেই। কেন্দ্রের অতিরিক্ত চাপ, রাজনৈতিক প্রচ্ছন্ন হুমকি এবং দুর্নীতির চক্রের কারণে এক ধরনের ‘ভয়ের সংস্কৃতি’ সৃষ্টি হয়েছে। কর্মকর্তারা ভাবেন-কথা না শুনলে চাকরি থাকবে না, প্রমোশন আটকে যাবে। এই ভয়ের কারণে তারা নিজেদের গুটিয়ে নেন এবং শুধু উপরমহলের ‘ফরমায়েশি’ কাজ করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। ফলে সৃষ্টি হয় এক কর্মহীন দুষ্টুচক্র। প্রাণবন্ত কাজের পরিবেশ নষ্ট হয়ে শুধু মুখে মুখে ‘স্যার, স্যার’ করার এক চাটুকারিতার অপসংস্কৃতি সৃষ্টি হয়। দুর্নীতিবাজরা ঠিক এই সুযোগটিই লুফে নেয়। এই ভয়ের সংস্কৃতি ভেঙে ‘ফেয়ারনেস’ বা ন্যায়পরায়ণতা সৃষ্টি করতে হবে। যোগ্য মানুষকে যোগ্য স্থানে বসিয়ে কাজের স্বাধীনতা দিলে এবং সঠিক দিকনির্দেশনা থাকলে কর্মদক্ষতা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।

নয়া দিগন্ত : আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনীতি ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কারণে বর্তমানে বিদেশী দাতা সংস্থাগুলোর ঋণ বা অনুদান পাওয়া কঠিন হয়ে যাচ্ছে। এডিপি বাস্তবায়নে আমরা কিভাবে বিকল্প উৎসের সন্ধান করতে পারি?

ড. মোহাম্মদ শামসুদ্দিন : অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। আমরা কত দিন বিদেশী দাতাগোষ্ঠীর দিকে তাকিয়ে থাকব? স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করে যদি নিজস্ব সম্পদ আহরণের পথ উন্মুক্ত করা যায়, তবে বিদেশী সহায়তার কোনো প্রয়োজনই পড়বে না। আমি দেশের বিভিন্ন অঞ্চল ঘুরে দেখেছি-আমাদের সম্পদ আছে, কিন্তু তা ব্যবহারের আধুনিক ও উদ্ভাবনী উদ্যোগ নেই। রাজশাহীর আম, উত্তরের কয়লা কিংবা দক্ষিণের সমুদ্র সম্পদ- এগুলো আমাদের সম্পদ। কিন্তু এগুলোকে জাতীয় অর্থনীতিতে যুক্ত করতে হলে চিন্তাভাবনায় বিরাট পরিবর্তন আনতে হবে। প্রযুক্তির ব্যবহার এবং আধুনিক শিক্ষাকে তৃণমূল পর্যায়ে ছড়িয়ে দেয়া বাধ্যতামূলক।

আমাদের কৃষকদের কথাই ধরুন। আলু বা অন্যান্য সবজি বাম্পার ফলন হওয়া সত্ত্বেও কোল্ডস্টোরেজের অভাব ও মধ্যস্বত্বভোগীদের কারণে তারা ন্যায্য মূল্য পাচ্ছেন না। মূলধন হারিয়ে কৃষক তার সন্তানকে জমি বিক্রি করে বিদেশে পাঠিয়ে দিচ্ছে। পার্বত্য অঞ্চলে কাজুবাদাম ও বিভিন্ন মসলার ব্যাপক সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও প্রক্রিয়াজাতকরণের অভাবে জমিগুলো বিরান পড়ে থাকছে। আর এই শূন্যতার সুযোগ নিয়ে বহিরাগত অপশক্তি সেখানে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে।

আফ্রিকার মোজাম্বিকের মতো দেশ, যাদের অবকাঠামো আমাদের চেয়ে অনুন্নত, তারা আজ ইউরোপে কৃষিপণ্য রফতানি করছে। আমরা পদ্মা সেতু বা ফোরলেন মহাসড়ক করছি ঠিকই, কিন্তু গ্রামীণ পর্যায় থেকে পণ্য উৎপাদন করে তা বৈশ্বিক বাজারে রফতানি করার মতো কোনো সমন্বিত কৌশল স্থানীয় সরকারের নীতিমালায় দেখছি না। পুঁজি ও প্রযুক্তির সমন্বয় ঘটিয়ে স্থানীয় সরকারকে কৃষকের সহযোগী হিসেবে দাঁড় করাতে পারলে অভ্যন্তরীণ সম্পদ আহরণের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

নয়া দিগন্ত : প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স আমাদের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি। স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার মাধ্যমে এই রেমিট্যান্স বা প্রবাসী দক্ষ মানবসম্পদকে কিভাবে দেশের উন্নয়নে সম্পৃক্ত করা যায়?

ড. মোহাম্মদ শামসুদ্দিন : আমাদের রেমিট্যান্সের বেশির ভাগ কিন্তু আসে গ্রামীণ অঞ্চলের সাধারণ পরিবারের সন্তানদের হাত ধরে। তারা বিদেশে হাড়ভাঙা খাটুনি খেটে টাকা পাঠাচ্ছেন। কিন্তু এই বিপুল অর্থ মূলত পারিবারিক ভোগবিলাসেই ব্যয় হয়ে যাচ্ছে। তৃণমূল পর্যায়ে এই রেমিট্যান্সকে কিভাবে উৎপাদনশীল খাতে রূপান্তর করা যায়, সেই কৌশল আমাদের নীতিনির্ধারকদের দ্রুত ঠিক করতে হবে।

আমি লাইবেরিয়াতে দেখেছি, সেখানে বিভিন্ন দেশ তাদের নিজস্ব কমার্শিয়াল সেন্টার খুলে স্থানীয় চাহিদার সাথে সামঞ্জস্য রেখে ওষুধসহ বিভিন্ন পণ্য রফতানি করছে। গ্লোবাল ভিলেজের এই যুগে আমাদের দূতাবাসগুলো শুধু প্রথাগত চাকরি না করে যদি অর্থনৈতিক কূটনীতিতে জোর দেয়, তবে চিত্র বদলে যাবে। ভারত, শ্রীলঙ্কা বা পাকিস্তানের দূতাবাসগুলো বিদেশে অত্যন্ত সক্রিয়, আফ্রিকায় তাদের পণ্যের সুপারস্টোর রয়েছে। আমাদের দূতাবাসগুলো যদি বাজার অনুসন্ধান করে স্থানীয় উদ্যোক্তাদের তথ্য দেয়, তবে বাংলাদেশ থেকেও বিলিয়ন ডলারের ফলমূল বা হস্তশিল্প রফতানি করা সম্ভব।

আজ বিশ্বের বিভিন্ন উন্নত দেশে আমাদের দক্ষ ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার ও শিক্ষকরা সুনামের সাথে কাজ করছেন। তারা দেশে কনসোর্টিয়াম করে বিনিয়োগ করতে চান। কিন্তু দেশে এসে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও নিরাপত্তার অভাবে তারা হতাশ হয়ে ফিরে যান। প্রবাসীদের বিনিয়োগের সুরক্ষায় একটি স্থায়ী পলিসি বা আইনি ভিত্তি প্রয়োজন, যেখানে স্থানীয় সরকার ওয়ান-স্টপ সার্ভিস হিসেবে কাজ করতে পারে।

নয়া দিগন্ত : স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার এই আমূল পরিবর্তনের জন্য রাজনৈতিক দলগুলো এবং সামগ্রিক সমাজের ভূমিকা কেমন হওয়া উচিত বলে আপনি মনে করেন?

ড. মোহাম্মদ শামসুদ্দিন : আমাদের সবার আগে একটি সহনশীল সমাজ এবং জাতীয় স্বার্থে একতাবদ্ধ রাজনৈতিক নেতৃত্ব প্রয়োজন। দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে দেশের সার্বভৌমত্ব এবং অর্থনৈতিক মুক্তিকে মূল লক্ষ্য বানাতে হবে। ব্রিটেনে যেমন ‘শ্যাডো গভর্নমেন্ট’ বা ছায়া সরকার থাকে, যা মূল সরকারের পলিসি বা নীতিমালার সমালোচনা করে, ব্যক্তিকে নয়, আমাদের দেশেও সেই সংস্কৃতি চালু করতে হবে। সরকার ও বিরোধীদল মিলে আলোচনার একটি স্থায়ী পাটাতন তৈরি করলে কাজের তদারকি ও স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পায়।

সবচেয়ে বড় আঘাত হানতে হবে দুর্নীতির বিরুদ্ধে। দুর্নীতি আজ আমাদের সমাজের একটি দুরারোগ্য ব্যাধি। আর্থিক খাতের লিকেজ বা অর্থ পাচারের কারণে আমরা কোনো বড় বিনিয়োগ টেকসই করতে পারছি না। দুর্নীতির কারণে সৎ বিনিয়োগকারীরা আজ অনুৎসাহী হয়ে পড়ছেন, অনেকে বাধ্য হয়ে টাকা বাজারে না খাটিয়ে অলস ফেলে রাখছেন। এই পরিস্থিতির অবসান ঘটাতে হলে সরকারের পক্ষ থেকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ বা দৃশ্যমান কঠোর পদক্ষেপ দেখতে হবে। আমাদের মনে রাখতে হবে, আমরা বারবার উন্নয়নের ট্রেন মিস করতে পারি না। দেশের প্রতি প্রকৃত দরদ, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ এবং সততা থাকলে আমরা অবশ্যই একটি শক্তিশালী ও স্বনির্ভর স্থানীয় সরকার কাঠামো গড়ে তুলতে সক্ষম হব।