নিজস্ব প্রতিবেদক
ইতালির রোমে একই পরিবারের তিন বাংলাদেশী হত্যার দেড় মাসের বেশি সময় অতিবাহিত হওয়ার পরও দেশটির পুলিশ হত্যকাণ্ডে জড়িত কাউকে শনাক্ত বা গ্রেফতার করতে পারেনি। তবে রোমের বাংলাদেশ দূতাবাসের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, তারা নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার নিশ্চিতে কাজ করছে।
গত বৃহস্পতিবার ইতালির রোমের বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে জানানো হয়, রাষ্ট্রদূত মানবিক বিবেচনায় এবং বিশেষ ব্যবস্থাপনায় দ্রুততম সময়ে নিহত কামাল উদ্দিনের সন্তান আমির হোসাইনকে পাসপোর্ট প্রদান করেছেন। গত ২৬ জুন রোমের ভায়া মন্টিগিওর একটি অ্যাপার্টমেন্টে আমিরেরবাবা, মা এবং বোন দুর্বৃত্তদের হাতে নৃশংসভাবে খুন হন। এ ঘটনায় তিনি গুরুতর আহত হন। এর পর থেকে আমির দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন ছিলেন।
দূতাবাস থেকে আরো বলা হয়, আমির হোসেন গত ১২ আগস্ট দূতাবাসে এলে রাষ্ট্রদূত তার শারীরিক ও মানসিক অবস্থার খোঁজখবর নেন এবং গভীর সমবেদনা জানান। এ সময় রাষ্ট্রদূত তার বাবা-মা ও বোনের হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট ইতালীয় কর্তৃপক্ষের সাথে দূতাবাস থেকে প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার বিষয়ে তাকে আশ্বস্ত করেন। নৃশংস এই ঘটনায় নিহত তিন বাংলাদেশী নাগরিকের লাশ সরকারি খরচে বাংলাদেশে পাঠাতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিয়েছে।
খুনের দেড় মাস পর কামাল উদ্দিন, তার স্ত্রী ও সন্তানের লাশ গতকাল শুক্রবার ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আসে। এরপর আনুষ্ঠানিকতা শেষে লাশ দাফনের উদ্দেশ্যে গ্রামের বাড়িতে নেয়া হয়। জানা যায়, ঘটনার পর ইতালীয় পুলিশ প্রধান সন্দেহভাজন শাহাদাত হোসেনের ছবি প্রকাশ করে তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চালাচ্ছে। তবে গতকাল শুক্রবার পর্যন্ত ওই খুনিকে পুলিশ গ্রেফতার করতে পারেনি।


