ফ্যাসিস্ট আমলের অনিয়ম দুর্নীতির তথ্য-উপাত্ত যাচাই-বাছাই চলছে : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

Printed Edition
রংপুর বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয় পরিদর্শন ও মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন সমাজকল্যাণ এ জেড এম মন্ত্রী জাহিদ হোসেন  : নয়া দিগন্ত
রংপুর বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয় পরিদর্শন ও মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন সমাজকল্যাণ এ জেড এম মন্ত্রী জাহিদ হোসেন : নয়া দিগন্ত

রংপুর ব্যুরো

বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময়ে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীতে যেসব অনিময়-দুর্নীতি হয়েছে সে সব তথ্য-উপাত্ত যাচাই-বাছাইয়ের কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

শনিবার দুপুরে রংপুর বিভাগীয় সমাজসেবা অডিটোরিয়ামে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে একথা বলেন তিনি। এর আগে সমাজসেবার বিভিন্ন অফিস ঘুরে দেখেন তিনি। এ সময় তিনি বিভিন্ন কক্ষে থধুলার কারণে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। পরে তিনি রংপুর বিভাগের আট জেলার সমাজকল্যাণ ও সমাজসেবার কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠক করেন। এ সময় তার সাথে ছিলেন সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি রেজেকা সুলতানা ফেন্সি, রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান সামসুজ্জামান সামু, রংপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মাহফুজ উন নবী ডন, রংপুর জেলা পরিষদের প্রশাসকের সাইফুল ইসলাম প্রমুখ। পরে কনফারেন্স রুমে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী। তুলে ধরেন সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, ফ্যামিলি কার্ড প্রত্যেক বাড়ি বাড়ি যাবে এবং বাড়ি বাড়ি যেয়ে যে তথ্য সংগ্রহ করবে সেই তথ্য ওখান থেকেই তারা কম্পিউটারে আপলোড করবে। সেখান থেকে অটোমেটিক্যালি জেনারেট হবে কারা ফ্যামিলি কার্ড পাওয়ার উপযুক্ত, কারা উপযুক্ত না। ফ্যামিলি কার্ড পাবে সবাই। কিন্তু উপকার ভোগী নির্বাচন হবে কম্পিউটারে।

সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, ‘ম্যাক্সিমাম দশ থেকে বারো সপ্তাহের মধ্যে বাংলাদেশের প্রত্যেক উপজেলায় রংপুর শহরসহ সর্বত্রই চালু হয়ে যাবে ফ্যামিলিকার্ড ইনশাআল্লাহ।’ সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আপনাদেরকে আশ্বস্ত করতে চাই আমাদের জবাবদিহিতা জনগণের কাছে আর সংসদের কাছে। আমাদের সরকার দুর্নীতির ব্যাপারে একদম জিরো টলারেন্স। কোনো পারসেনটেজ নাই। দুর্নীতি করলে কাউকে কোনো ক্ষমা করা হবে না। এটা এক নম্বর।’

সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা এখন খালি কাঁটা বাছার জন্য এখন নিজের কাজ ফেলে নামছি না। ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে আমরা সরকারের দায়িত্ব নিয়েছি। কোনো ধরনের দুর্নীতির সাথে কোনোভাবেই জড়িত নই। কারণ আমার তো ভাই দিনশেষে ওই ভোটারের কাছে যেতে হবে। আবার ভোট চাওয়ার জন্য। আর সরকারেরও পার্লামেন্টে জবাবদিহি করতে হবে সংসদে এখন সবকিছু আলোচনা হয়। প্রধানমন্ত্রী পর্যন্ত প্রশ্ন উত্তর দেন। আমরা তো দেই। কাজেই আমরা একটা ভাইবারেন্ট গণতান্ত্রিক পরিবেশ সৃষ্টি করতে চাই।