মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
সুন্দরবনের কুখ্যাত ডাকাত ছোট জাহাঙ্গীর বাহিনীর প্রধানসহ ২৭ সদস্য কোস্টগার্ডের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে। উদ্ধার হয়েছে ব্যাপক অস্ত্র ও গোলাবারুদ। গতকাল দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা সাব্বির আলম সুজন।
সুন্দরবনের সক্রিয় সকল বনদস্যু বাহিনী নির্মূল এবং উপকূলীয় অঞ্চলে নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের নেতৃত্বে ‘অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন’ এবং ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’ নামে দু’টি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ ৪৫ জন বনদস্যুকে আটক করা হয়। এ সময় দস্যুদের হাতে জিম্মি থাকা মোট ৪২ জনকে জীবিত উদ্ধার করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সহায়তা প্রদান শেষে নিরাপদে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের ধারাবাহিক সুন্দরবনের কুখ্যাত ডাকাত ছোট সুমন বাহিনী তার সহযোগীসহ সর্বমোট সাতজন সদস্য এবং বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর তিনজন সক্রিয় সদস্য ইতোমধ্যে অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ কোস্টগার্ডের কাছে আত্মসমর্পণ করে।
১৩ জুলাই বিকেল ৫টায় বাগেরহাটের মোংলা থানাধীন সুন্দরবনের চরপুটিয়া খাল সংলগ্ন এলাকায় ছোট জাহাঙ্গীর বাহিনীর প্রধান জাহাঙ্গীর শেখসহ ২৭ ডাকাত সদস্য কোস্টগার্ডের কাছে আত্মসমর্পণ করে। এ সময় তাদের কাছে থাকা তিনটি বিদেশী বন্দুক, একটি এইট শুটার, একটি ফোর শুটার, পাঁচটি দেশীয় একনলা বন্দুক, ১৫টি দেশীয় পাইপগান, দু’টি চায়না পাইপগান, ৩৪০ রাউন্ড তাজা কার্তুজ ও ৫৫ রাউন্ড ফাঁকা কার্তুজ কোস্টগার্ডের কাছে জমা দেন। জব্দকৃত অস্ত্র, গোলাবারুদ ও আত্মসমর্পণকারী ডাকাতদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থাসহ পরবর্তী আইনানুগ কার্যব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।



