খাগড়াছড়িতে গোলাগুলিতে ২ ইউপিডিএফ সদস্য নিহত : ভারী অস্ত্র উদ্ধার

Printed Edition

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি

খাগড়াছড়ির রামগড় ও দীঘিনালায় পৃথক ঘটনায় ইউপিডিএফের (মূল) দুই সদস্য নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত একজনকে আটক করেছে সেনাবাহিনী। ঘটনাস্থল থেকে একে-৪৭ রাইফেল জব্দ করা হয়েছে। গতকাল সকালে খাগড়াছড়ির দুই উপজেলায় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামগড় উপজেলার প্রেমতলা নামক এলাকায় ববিন ত্রিপুরা (৩২) নামে এক ইউপিডিএফ সদস্য নিহত হয়।

এ সময় মংসানু মারমা (২৯) নামে অপর এক ইউপিডিএফ আহত হন। তাকে আহত অবস্থায় আটক করেছেন সেনাবাহিনীর সিন্দুকছড়ি জোনের সদস্যরা। ঘটনাস্থল থেকে একটি একে-৪৭ রাইফেল জব্দ করা হয় বলে জানায় নিরাপত্তা বাহিনী।

রামগড় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)

মো: নাজির আলম জানান, সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রামগড়ের সীমান্তবর্তী প্রেমতলা এলাকায় অভিযানে যান আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে ইউপিডিএফ সদস্যরা গুলি ছুড়লে আত্মরক্ষার্থে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পাল্টা গুলি ছুড়ে। এতে একজন নিহত হয়। আহত হয় অপর একজন।

এ ঘটনায় ইউপিডিএফের (প্রসীত গ্র“প) প্রচার বিভাগ এক বিবৃতিতে নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে। সংগঠনটির জেলা সংগঠক অংগ্য মারমা বলেন, ইউপিডিএফের হতাহত দুই সদস্য সেখানে সাংগঠনিক কাজে অবস্থান করছিলেন।

এ দিকে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার বাবুছড়ার মুড়োগড়া এলাকায় জেএসএস ও ইউপিডিএফ’র মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় সুজন চাকমা নামে এক ইউপিডিএফ সদস্য নিহত হয়েছেন।

এ ঘটনায় জেএসএসকে দায়ী করে সংগঠনটির মুখপাত্র অংগ্য মারমার এক বিজ্ঞপ্তিতে জানান, জেএসএসের অস্ত্রধারী কয়েকজন তাদের কর্মীদের ওপর অতর্কিত হামলা করেছে। এ সময় সাংগঠনিক কাজে বাবুছড়ার মুড়োপাড়ায় অবস্থানরত তাদের সদস্য সুজন চাকমাকে গুলি করে হত্যা করা হয়।

দীঘিনালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল বাহার বলেন, সুজন চাকমা বাবুছড়া মুড়োপাড়ায় একটি দোকানে বসে ছিল। এ সময় মুখোশধারী পাঁচজন মোটরসাইকেলে এসে তাকে গুলি করে চলে যায়। পরে তার লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। লাশের শরীরে তিনটি গুলি রয়েছে।