বেতাগী (বরগুনা) সংবাদদাতা
ভরা মৌসুমেও বরগুনার বেতাগীর বিষখালী নদীতে মিলছে না প্রত্যাশিত রূপালী ইলিশ। গত পূর্ণিমা তিথিতেও জেলেদের জালে কাক্সিক্ষত মাছ না পড়ায় সরবরাহ অস্বাভাবিক কমে গেছে। বাজারে চাহিদা ও সরবরাহের চরম ঘাটতির কারণে ইলিশের দাম এখন আকাশছোঁয়া, যা সাধারণ ও নিম্নœ আয়ের মানুষের ক্রয় ক্ষমতার পুরোপুরি বাইরে চলে গেছে।
সাধারণত শ্রাবণের শেষ থেকে কার্তিক মাস পর্যন্ত ইলিশের ভরা মৌসুম ধরা হয়। এ সময় সাগরের ইলিশ ডিম ছাড়তে ঝাঁকে ঝাঁকে নদীতে চলে আসে। তবে চলতি মৌসুমে বিষখালীর চিত্র পুরোপুরি ভিন্ন। গতকাল বেতাগী পৌর বাজারে ৫০০ থেকে ৬০০ গ্রামের প্রতি কেজি ইলিশ ১০০০ থেকে ১৩০০ টাকা এবং কেজি ওজনের ইলিশ ২০০০ থেকে ২৫০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। দুই কেজির ওপরের ইলিশ হাঁকা হচ্ছে ৫০০০ থেকে ৭০০০ টাকা পর্যন্ত।
বাজারে আসা স্থানীয় শিক্ষক নজরুল ইসলাম জানান, বাড়িতে অতিথি আসায় বাধ্য হয়ে চারটি মাঝারি ইলিশ ২৬০০ টাকায় কিনতে হয়েছে। অন্য দিকে আরেক ক্রেতা মজিবুর রহমান ইলিশের চড়া দাম দেখে হতাশ হয়ে রুই মাছ কিনে বাড়ি ফেরেন। আড়তদারদের মতে, সরবরাহ কম থাকায় মোকামেই প্রতি মণ ইলিশের দাম এক সপ্তাহের ব্যবধানে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মারুফ হোসেন মিনার জানান, অতিরিক্ত চাহিদার বিপরীতে জোগান কম থাকায় দাম চড়া। মৎস্য সমিতির সভাপতি আব্দুর রব সিকদার জানান, সামনে জালে বেশি ইলিশ ধরা পড়লে দাম আবার সহনীয় পর্যায়ে নেমে আসবে।



