তিউনিসিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী লারাইদকে ৩৪ বছরের কারাদণ্ড

এএফপি
Printed Edition

তিউনিসিয়ার একটি আদালত সাবেক প্রধানমন্ত্রী আলী লারাইদকে ৩৪ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন। গত শুক্রবার সন্ত্রাসবাদের অভিযোগে এই রায় ঘোষণা করা হয়। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, লারাইদের বিরুদ্ধে ইরাক ও সিরিয়ায় যোদ্ধা পাঠানোর অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। বর্তমান প্রেসিডেন্ট কাইস সাইদের একজন কট্টর সমালোচক হিসেবে পরিচিত ৬৯ বছর বয়সী আলী লারাইদ। তিনি ইসলামপন্থী দল আন নাহদার একজন প্রভাবশালী নেতা ছিলেন। ২০১১ সালে আরব বসন্তের পর তিউনিসিয়ায় আন নাহদার নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতায় ছিল। আদালতে শুনানিতে লারাইদ বিচারকের উদ্দেশে বলেন, “আমি সহিংসতা, সন্ত্রাসবাদের প্রতি সহানুভূতিশীল, সহযোগী, নিরপেক্ষ বা নমনীয় ছিলাম না,” লারাইল ও তার আন নাহদা পার্টি এই মামলাকে রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে অভিহিত করে তা প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি ২০১৩ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

লারাইদের আইনজীবী ওসামা বুথেলজা এএফপিকে জানান, ২০২২ সালের ডিসেম্বরে একটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী গঠন এবং তিউনিসিয়ানদের ইরাক ও সিরিয়ার সশস্ত্র গোষ্ঠীতে যোগদানে সহায়তার কথিত অভিযোগে তাকে গ্রেফতার করা হয়। আলী লারাইদ তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তার আইনজীবীরা এই মামলাটিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন। গত ১৮ এপ্রিল তিউনিসিয়ার প্রসিকিউটর অফিসে লেখা এক চিঠিতে লারাইদ নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বলেন, ‘আমি অপরাধী নই। আমি এই মামলার একজন ভুক্তভোগী।’