নিজস্ব প্রতিবেদক
আজকের শিশুরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ; তাই শিশুদের মেধা, মনন ও প্রতিভা বিকাশ এবং তাদের জীবন আনন্দঘন ও উচ্ছল করতে জামায়াতে ইসলামী সম্ভব সবকিছু করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন।
গতকাল রাজধানীর খিলক্ষেত বাজারে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী উত্তরের খিলক্ষেত থানা পশ্চিম আয়োজিত পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে প্রান্তিক শিশুদের মধ্যে নতুন পোশাক বিতরণকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ভারপ্রাপ্ত থানা আমির সলিমুল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের নায়েবে আমির ইঞ্জিনিয়ার গোলাম মোস্তফা। উপস্থিত ছিলেন খিলক্ষেত পশ্চিম থানার সাবেক আমির হোসাইন আহম্মেদ, জামায়াত নেতা মো: জাকির হোসেন ভূঁইয়া, জামায়াত মনোনীত ১৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী মো: সালাউদ্দিন দর্জি, জামায়াত নেতা ওয়াহিদুজ্জামান, শ্রমিক ইয়াকুব আলী প্রমুখ।
সমৃদ্ধ ও বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে জামায়াতের ঈদ শুভেচ্ছা
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজধানীসহ দেশবাসী ও বিশ্ব মুসলিম উম্মাহকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগরী উত্তর ও দক্ষিণ শাখা। পৃথক শুভেচ্ছা বার্তায় দলটির মহানগরী নেতারা ত্যাগের আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে সুখী, সমৃদ্ধ, শোষণমুক্ত এবং অপরাধ ও বৈষম্যহীন এক ন্যায়-ইনসাফভিত্তিক নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে দলমত নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন এবং সেক্রেটারি ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম এক শুভেচ্ছা বাণীতে বলেন, জাগতিক লোভ-লালসা ও কামনাবাসনার ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে পশুপ্রবৃত্তির ওপর পুরোপুরি বিজয় অর্জনই ঈদুল আজহার প্রকৃত শিক্ষা। অন্যায়-অসত্য, অনাচার-পাপাচার, হিংসা-বিদ্বেষ, জুলুম-নির্যাতন ও বিভেদ বন্ধ করে সমাজ-রাষ্ট্রে সার্বিক শান্তি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে মানবজাতির প্রকৃত কল্যাণ সাধন করাই এই ঈদের মূল উদ্দেশ্য। কোরবানি হচ্ছে আল্লাহর পক্ষ থেকে এক কল্যাণময় নিদর্শন এবং সেই কল্যাণকে যথাযথভাবে কাজে লাগানোই মুমিন জীবনের প্রকৃত লক্ষ্য হওয়া উচিত।
এ দিকে ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি এবং সেক্রেটারি ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি এক যৌথ বার্তায় বলেন, আল্লাহ তাআলা পশু কোরবানিকে ওয়াজিব এবং দ্বীন কায়েমের জন্য জান ও মালের কোরবানিকে ফরজ করেছেন। ঈদুল আজহা শুধুমাত্র ত্যাগের চেতনাকেই উজ্জীবিত করে না, বরং সমাজে অনৈক্য ভুলে গিয়ে পরস্পরের ভ্রাতৃত্ব, সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বন্ধনকে আরো মজবুত করে।
দক্ষিণের নেতৃদ্বয় আরো বলেন, মুসলিম জাতির পিতা হযরত ইবরাহিম (আ:) আল্লাহর রাহে ত্যাগ ও কোরবানির মহাপরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছিলেন। তার সেই স্মৃতিকে চিরস্মরণীয় করে জীবনের সব ক্ষেত্রে ঈমানী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার জন্য কিয়ামত পর্যন্ত এই কোরবানিকে ওয়াজিব করা হয়েছে; যাতে প্রতিটি মুসলমান নিজের অহংবোধ, প্রিয় বস্তু, ধন-সম্পদ ও চিন্তাচেতনা আল্লাহর রাহে কোরবানি করে পরিপূর্ণ তাকওয়াবান মুমিন হিসেবে দুনিয়া ও আখেরাতে সফলতা অর্জন করতে পারে।



