ক্রীড়া প্রতিবেদক
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের বর্তমান সভাপতি তামিম ইকবাল। গত বছর ঢাকা প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগের সময়ই বিকেএসপির মাঠে হৃদরোগে আক্রান্ত হন। তাকে হাসপাতালে নেয়ার আগেই মাঠের ডাক্তারের তাৎক্ষণিক চিকিৎসায় রক্ষা। পরে দ্রুত পাশের হাসাপালাতে নিয়ে উন্নত চিকিৎসা দেয়া। খেলা চলাকালীন সময়ে যেকোনো মুহূর্তে মাঠে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তামিম বেঁচে গেলেও কোচ জ্যাকিও সিলেটের মাঠে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছিলেন। তাই বাংলাদেশের ক্রিকেটের প্রধান হিসেবে মাঠে খেলার সময় অ্যাম্বুলেন্স রাখার গুরুত্বটা ভালোই বোঝেন তামিম। তাই এবারের ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে প্রতি মাঠেই রাখা হবে আইসিইউ অ্যাম্বুলেন্স। গতকাল ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের স্পন্সরের নাম ঘোষণা অনুষ্ঠানে এই ঘোষণা দেন তামিম।
খাবারের ব্যবস্থা করবে বিসিবি
ক্লাব ক্রিকেটে খেলোয়াড়দের বকেয়া টাকা নিয়ে প্রায়ই আন্দোলনের ঘটনা ঘটে। তবে ক্লাবের সাথে ক্রিকেটারদের পাওনা টানা নিয়ে নাক গলাবে না বিসিবি। অবশ্য মাঠে দুপুরের খাবার যেন ক্রিকেটাররা ভালোভাবে খেতে পারে সে দায়িত্ব নেবে বিসিবি। তামিম তার নিজের খেলোয়াড়ী জীবনে ম্যাচের সময় দুপুর বেলায় ভর্তা, গরু গোশত দিয়ে সেই খাবারের কথা উল্লেখ করেন কাল।
উল্লেখ্য, ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবগুলোই ম্যাচের সময় যার যার দলের খাবারের ব্যবস্থা করে। এই খাবার নিয়ে অতীতে বহু কথা উঠেছে। কাল তামিমের মুখেও সেই বিষয়। তাই লিগের ম্যাচের দিন ক্রিকেটারদের ফিটনেস ধরে রাখার খাবারের ব্যবস্থা বিসিবিই নেবে।
সেরা বোলার ও ব্যাটার
লিগের সেরা পাঁচ বোলার এবং সেরা পাঁচ ব্যাটারকে নিয়ে অনেক অলোচনা হবে। নির্বাচকরা তাদের জাতীয় দলে ডাকার কথা বিবেচনা করবেন। তবে আমাদের দায়িত্ব হলো সেরা ৫ এর বাইরে থাকাদের কিভাবে আরো উন্নতি করা যায় সে নিয়ে কাজ করা- বলেন তামিম।
এবারের লিগটি সিঙ্গেল লিগ। থাকছে না রেলিগেশন। অন্যান্যবারের মতো এবারো ঢাকা প্রিমিয়ার ক্রিকেটে বিদেশী ক্রিকেটার নেই। অতীতে একাধিক বিদেশী ক্রিকেটার ছিল। আগামীতে যে বিদেশী ক্রিকেটার নিষিদ্ধ থাকবে বা আবার নেয়া হবে এ নিয়ে সরাসরি কোনো উত্তর দিলেন না বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল। বললেন, এই ক্ষেত্রে বিদেশী রাখা না রাখা দুই সাইডেই গল্প আছে। তবে আমি এই বিষয়ে ওপেন মাইডেন্ড। এ নিয়ে আলোচনার সুযোগ আছে। ক্লাবগুলোর সাথে কথা বলব এ নিয়ে।



