শীতকাল শুধু কুয়াশা ও ঠাণ্ডার সাথে সংক্রমণ ও অসুস্থতার ঝুঁকিও বেড়ে যায়। তাই এ সময়ে আমাদের এমন কিছু মৌসুমি ফল ও সবজি কাওয়া দরকার যা শরীরের ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী রাখতে সাহায্য করে। যেমন-
১. আনারস : ভিটামিন ‘সি’ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ আনারস রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এটি আইরন শোষণ, কোষ বৃদ্ধি এবং হজম শক্তিশালী করতে সাহায্য করে।
২. নাশপাতি : ফাইবার সমৃদ্ধ নাশপাতি হজমে সাহায্য করে এবং অন্ত্রের ভালো ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি বাড়ায়। পটাসিয়াম হার্টের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী এবং এটি প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে।
৩. পেঁপে : পেঁপে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও প্রদাহবিরোধী বৈশিষ্ট্যে ভরপুর। এটি ফ্রি র্যাডিক্যাল নিরপেক্ষ করে কোষের ক্ষতি কমায়, সেই সাথে দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ এবং ব্যথা কমাতে সহায়ক।
৪. ব্রোকলি : ভিটামিন ‘কে’, ফাইবার এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ ব্রোকলি হৃদরোগ ও বিভিন্ন ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।
৫. কমলা : ভিটামিন ‘সি’ ও ফোলেট সমৃদ্ধ কমলা কোষের ক্ষতি প্রতিরোধ করে, রক্তচাপ কমায় এবং আয়রন শোষণে সাহায্য করে।
৬. গাজর : উচ্চ বিটা-ক্যারোটিন যুক্ত গাজরে ভিটামিন ‘এ’ আছে, যা চোখ, হাড় ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার জন্য জরুরি।
৭. ক্র্যানবেরি: ক্র্যানবেরি ভিটামিন ‘সি’ সমৃদ্ধ এবং দীর্ঘস্থায়ী সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে। এটি মূত্রনালী সংক্রমণ কমাতে ও হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য বাড়াতে সহায়ক।
৮. ডালিম : অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন ‘সি’ ও ফাইবারে সমৃদ্ধ ডালিম অন্ত্রে ভালো ব্যাকটেরিয়া বাড়ায়, হার্টের স্বাস্থ্য রক্ষা করে এবং ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সহায়ক।
৯. কিউই : ভিটামিন ‘সি’ ও ‘কে’ সমৃদ্ধ কিউই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, হাড়ের স্বাস্থ্য ভালো রাখে এবং হজমে সাহায্য করে।
১০. জাম্বুরা : লো-ক্যালোরিযুক্ত জাম্বুরা ভিটামিন ‘এ’, ‘সি’, ম্যাগনেসিয়াম ও পটাসিয়ামে সমৃদ্ধ। এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক। ইন্টারনেট।



