গণভোটের পক্ষে প্রচার

সরকার-ইসি মুখোমুখি

নির্বাচন, বিচার বিভাগ, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এই চার খাতে সংস্কারকে অগ্রাধিকার দেয়া হলেও গণভোট প্রশ্নে রাজনৈতিক ঐকমত্য এখনো দৃশ্যমান নয়

নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে বলা হয়েছে কোনো নির্বাচনী কর্মকর্তা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’-এর পক্ষে প্রচারণা চালাতে পারবেন না। তবে এর কোনো আইনগত ভিত্তি নেই বলে জানিয়েছেন সংবিধান বিশেষজ্ঞ ও আইনজীবীরা।

রাশিদুল ইসলাম
Printed Edition
সরকার-ইসি মুখোমুখি
সরকার-ইসি মুখোমুখি

নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে বলা হয়েছে কোনো নির্বাচনী কর্মকর্তা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’-এর পক্ষে প্রচারণা চালাতে পারবেন না। তবে এর কোনো আইনগত ভিত্তি নেই বলে জানিয়েছেন সংবিধান বিশেষজ্ঞ ও আইনজীবীরা।

সংবিধান সংস্কার কমিশনের সদস্য ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার ইমরান সিদ্দিকী বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের তরফ থেকে গণভোটে হ্যাঁ ভোটের পক্ষে সম্প্রচার চলার পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে নির্বাচনী কর্মকর্তাদের হ্যাঁ বা না ভোটের পক্ষে প্রচারণা করা যাবে না বলে যে নির্দেশ দেয়া হয়েছে তাতে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের এ-সংক্রান্ত সার্কুলারটিতে আর্টিকেল ৮৬’-এর রেফারেন্স দেয়া হয়েছে এবং স্পেশাল ২১-এ গণভোট অধ্যাদেশ। কিন্তু আর্টিকেল ৮৬-এ বলা আছে যদি কোনো পাবলিক সার্ভেন্ট তার ক্ষমতার অপব্যবহার করে, সরকারি পদের অপব্যবহার করে যদি ইলেকশন রেজাল্টকে প্রভাবিত করতে চায়, সে ক্ষেত্রে এটা একটা অফেন্স হবে। এখানে আর্টিকেল ৮৬ প্রযোজ্য না। এটা ইনটেরিম গভর্নমেন্টের পলিসি যে তারা গণভোটে হ্যাঁ ভোটের পক্ষে প্রচারণা করবে। সরকার এ ধরনের পলিসি নিতে পারে যা তার এখতিয়ারের মধ্যে পড়ে আর সরকারি কর্মকর্তা যারা প্রচারণা করছেন তারা সরকারের পলিসি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেই তা করছেন। এখানে বলার কোনো সুযোগ নেই যে, তারা সরকারি পদ বা ক্ষমতার অপব্যবহার করছেন বা নির্বাচনকে প্রভাবিত করছেন। এটা একটা ভুল ব্যাখ্যা দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, তার চেয়েও বড় কথা, এ বিষয়ে তো হাইকোর্টের একটি রায় হয়েছে গত ২৬ জানুয়ারি। রায়টা প্রকাশ হলে এ বিষয়ে আরো স্পষ্ট হতো। আইনের ব্যাখ্যাগুলো থাকত। রায়টা না দেখে বা পর্যালোচনা না করে এভাবে হুটহাট করে নির্দেশ দেয়া বা প্রজ্ঞাপন দেয়া উচিত হয়নি। আমি মনে করি যে, রায়টা বের হওয়ার পর ইলেকশন কমিশনের উচিত তাদের সিদ্ধান্ত মোডিফাই করা।

এ প্রসঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আবু হেনা রাজ্জাকী নয়া দিগন্তকে বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার ১০৬ ধারা মোতাবেক দায়িত্ব নিয়েছে, এর ম্যান্ডেট কী? সরকার তার মেয়াদ সম্পর্কে কিছু বলেনি। বলেছে আমার কাজ তিনটি, এক হচ্ছে সংস্কার, দুই বিচার ও তারপর নির্বাচন। এখন সংস্কারের অংশ হিসেবে গণভোটের বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে। এটাকে পাস করার জন্য প্রচার করার দায়িত্ব সরকারের। কেউ কেউ বলে সরকারি টাকা খরচ করে এ সম্প্রচার করা যাবে না। সরকার তো টাকা খরচ করে ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর এটাও প্রচার করে। সংস্কার, বিচার ও নির্বাচনের দায়িত্ব সরকার নিয়েছে এবং সব রাজনৈতিক দল মিলে সরকারকে দায়িত্ব দিয়েছে যে, গণভোটের ব্যাপারে সরকার দায়িত্ব নিক সে কী করবে? গণভোট সংস্কারের সাথে জড়িত বলে একে পাশ করানোর দায়িত্ব সরকারের। যদি কেউ বলে এটি বেআইনি তাহলে অল থ্রু বেআইনি।

তিনি বলেন, নির্বাচন শব্দটি লেখা থাকলেই তার মালিক নির্বাচন কমিশন নয়। জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা কোন আইনে করা হলো তা যেমন কমিশন বলেনি তারপর বাজারের যে কোনো নির্বাচন কি কমিশন বন্ধ করে দিতে পারে না। বাজার সমিতি বা শাকসুসহ অন্যান্য নির্বাচন বন্ধ করতে পারে না কমিশন। এসব দেখে মনে হচ্ছে দেশ আইনে চলছে না।

এ দিকে গণভোটকে সামনে রেখে দেশের রাজনীতিতে অনিশ্চয়তা ও কৌশলগত দ্বিধা ক্রমেই স্পষ্ট হচ্ছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যখন রাষ্ট্র সংস্কারকে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মান্ডেট’ হিসেবে এগিয়ে নিতে চায়, তখন বড় রাজনৈতিক দলগুলোর অবস্থান স্পষ্ট নয়। বিশেষ করে বিএনপি ও তার মিত্রদের ভেতরে ‘হ্যাঁ-না’ এই দ্বিধা রাজনীতির মাঠে নতুন মেরুকরণ তৈরি করছে। সরকার এক দিকে সংস্কার প্রক্রিয়ায় সময় চাইছে, অন্য দিকে নির্বাচন প্রশ্নে জনচাপও বাড়ছে।

সরকারের প্রধান বিবেচ্য

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান রাজনৈতিক উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে গণভোট ও তার সাথে যুক্ত সংবিধান ও রাষ্ট্রীয় সংস্কার। নির্বাচন, বিচার বিভাগ, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলাবাহিনী এই চার খাতে সংস্কারকে অগ্রাধিকার দেয়া হলেও গণভোট প্রশ্নে রাজনৈতিক ঐকমত্য এখনো দৃশ্যমান নয়।

সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট আবু হেনা রাজ্জাকী গণভোট প্রশ্নে বলেন, গণভোটে হ্যাঁ জয়যুক্ত ছাড়া সংস্কারের কোনো উদ্যোগই সম্ভব হবে না। গণভোট প্রশ্নে রাজনৈতিক ঐকমত্যের ওপর যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, গণভোটে রাজনৈতিক অনৈক্য বাড়তে থাকলে শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি সামাল দেয়া সম্ভব নাও হতে পারে। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন কোন আইনে নির্বাচন ঘোষণা করেছে তা এখনো স্পষ্ট করেনি। আবার জাতীয় নির্বাচনের আগে হুট করে শাকসু নির্বাচন স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে। জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটের আগে অনেক বিষয়ে ব্যত্যয় ঘটেছে। জুলাই আন্দোলনের সময় লুট হয়ে যাওয়া পুলিশের অস্ত্র উদ্ধার করা সম্ভব না হলেও লাইসেন্সকৃত বৈধ অস্ত্র জমা নেয়া হচ্ছে।

সংস্কার কমিশনগুলোর প্রাথমিক সুপারিশ একত্র করে একটি ন্যাশানাল রিফর্ম ফ্রেমওয়ার্ক তৈরি করে। জুলাই সনদ নামে চূড়ান্ত করা এই কাঠামোই পরবর্তীতে গণভোটের প্রশ্ন নির্ধারণে ভিত্তি হয়। তবে প্রশ্নের ভাষা, সময় ও আইনগত কাঠামো- সব কিছুতেই রাজনৈতিক মতভেদ দেখা দেয়। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ক্ষমতানির্ভর রাজনীতির কারণেই রাজনৈতিকদলগুলো এ ক্ষেত্রে ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে। রাজনৈতিকদলগুলোর এ ধরনের অবস্থানের মধ্যে দিয়ে তারা ক্ষমতার ভারসাম্য চান নাকি তারা জবাবদিহিতার বাইরে থাকতে চান এমন প্রশ্নও উঠেছে।

বিএনপির ভেতরে গণভোটে অংশগ্রহণ বা সমর্থন নিয়ে ভিন্নমত রয়েছে। দলটির একাংশ মনে করেছে, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বললে অন্তর্বর্তী সরকার রাজনৈতিক বৈধতা পেয়ে যাবে এবং নির্বাচনোত্তর সরকারের এখতিয়ার ও ক্ষমতা বেশ খানিকটা সীমিত হয়ে পড়বে। অন্য অংশের মতে, সংস্কার প্রশ্নে সরাসরি ‘না’ বললে বিএনপি আবারো ‘স্থিতাবস্থার পক্ষের শক্তি’ হিসেবে চিহ্নিত হওয়ার ঝুঁকিতে পড়বে। প্রতিপক্ষ এটিকে জুলাইয়ের বিপ্লববিরোধী অবস্থান হিসেবে চিহ্নিত করতে পারে। তবে জনগণের চাওয়া ও ভোটারদের ভোটের দিকে লক্ষ্য রেখে বিএনপি হ্যাঁ ভোটের পক্ষে আহবান জানাতে শুরু করেছে। এরইমধ্যে রংপুরে তারেক রহমান ধানের শীষের পাশাপাশি হ্যাঁ ভোট দিতে হবে বলেছেন। এতে গণভোটে হ্যাঁ ভোট নিয়ে বড় ধরনের শঙ্কা কাটতে শুরু করছে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা।

জামায়াত এনসিপিসহ ১১ দল প্রকাশ্যে সংস্কারের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। বামদলগুলোর একটি অংশ ও গণভোটের পক্ষে, আরেকটি অংশ তাদের বক্তব্য স্পষ্ট করেনি। তবে জাসদের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ডাকসুর সাবেক জিএস ডা: মুশতাক হোসেন নয়া দিগন্তকে বলেছেন, গণভোটের সাংবিধানিক ভিত্তি নেই। অন্তর্বর্তী সরকার গণভোটের আয়োজন করতে পারে না। জিয়াউর রহমান ও এরশাদ সরকার সামরিক শাসন জারি করে সংবিধানের বিরুদ্ধে ক্ষমতায় আসার পর তাদের অবস্থান টিকিয়ে রাখতে গণভোট দিয়েছে। কিন্তু সামরিক অভ্যুত্থানের সাথে জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের তুলনা করা নিন্দনীয়।

দিন কয়েক আগে রাজধানীর একটি অনুষ্ঠানে জাসদ নেতা মুশতাক হোসেন গণভোট প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে বলেন, ’৭২-এর সংবিধান বাতিল করার জন্যেই গণভোটের আয়োজন। গণভোটের আইনগত ভিত্তি দুর্বল। রাষ্ট্রপতি এ ধরনের অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন না। এটা অসংবিধানিক মনে করি। রাষ্ট্রের চারমূলনীতি বাতিল করা যাবে না তা সংস্কার প্রস্তাবে জাসদের পক্ষ থেকে আমরা বলেছি। তবে ওই একই অনুষ্ঠানে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী আলী রীয়াজ বলেন, ’৭২-এর সংবিধান রক্ষার কোনো প্রচেষ্টা সফল হবে না। তিনি গণভোটে হ্যাঁ ভোটের পক্ষে অন্তর্বর্তী সরকারের সম্প্রচারকে যুক্তিযুক্ত ও আইনগত কোনো সমস্যা নেই বলেন।

বিভিন্ন টেলিভিশন টকশো’তে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের কেউ কেউ হ্যাঁ ভোটের পক্ষে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রচারণাকে সহজভাবে নিতে পারেননি। তবে এ নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়াও আছে।

এ দিকে সরকারের দায়িত্বশীল একটি সূত্র জানায়, ‘গণভোট কোনো দলকে সুবিধা দেয়ার জন্য নয়, এটি জুলাই আন্দোলনের রাষ্ট্রীয় রূপান্তরের দাবি। নির্বাচন সংস্কার ছাড়া হলে সঙ্কট আবার ফিরে আসবে। সংস্কার কমিশনের সাবেক সহসভাপতি ও প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী আলী রীয়াজ একাধিকবার বলেছেন, সরকারের প্রক্রিয়ার বড় অংশ গণভোটে হ্যাঁ এর পক্ষে প্রচার চালাচ্ছে এবং জনগণকে সচেতন করছে।

নির্বাচন প্রশ্নে চাপ ও সংশয়

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন সরকার এখন দুই দিকের চাপের মুখে। বিএনপির একটি অংশ বলছে সরকারের গণভোটে হ্যাঁ এর পক্ষে যাওয়া সঠিক হচ্ছে না। অন্য দিকে গণভোটে হ্যাঁ জয়ী না হলে জুলাই বিপ্লব সংস্কার বিচার প্রক্রিয়া সবকিছু ব্যর্থ হয়ে যাবে। এরফলে পুরনো ব্যবস্থা ফিরে আসার ঝুঁকি থাকবে। এতে রাজনৈতিক সঙ্ঘাত ও অনিশ্চয়তা বাড়বে দেশ আবার ফ্যাসিবাদে ফিরে যাওয়ার আশঙ্কা সৃষ্টি হবে।

বিশেষ করে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান এখনো বলছেন নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্র আছে, একটি মহল ষড়যন্ত্র করছে। নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা আছে। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে তারেক রহমানের বলা উচিত কোন পক্ষ নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্র করছে তা খোলাসা করে বলা। মাত্র কয়েক সপ্তাহ নির্বাচনের বাকি আছে এবং ভোটাররা যাতে নির্বাচনের পক্ষেই অনড় থাকতে পারেন এবং ভোট দেয়ার সুবিধা পান সে কারণে ষড়যন্ত্রের বিষয়টি খোলামেলা বলা উচিত।

প্রবাসী বাংলাদেশীদের সংশয়

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফেরার পর প্রবাসী বাংলাদেশীদের মধ্যে নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে আগ্রহ থাকার পাশাপাশি সংশয় রয়েছে। তারা আন্তর্জাতিক বিভিন্ন মিডিয়ার খবর বিশ্লেষণ করে দেশে নির্বাচন নিয়ে কিছুটা সংশয় প্রকাশ করেন। কানাডায় দীর্ঘ দিন কর্মরত বাংলাদেশী সাংবাদিক মোহাম্মদ বুখারী টেলিফোনে নয়া দিগন্তকে বলেন, টাইম ম্যাগাজিনে তারেক রহমানকে নিয়ে প্রতিবেদন ও ভারতীয় মিডিয়ায় বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে বিভিন্ন সংবাদের দিকে আমরা নজর রাখছি। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভারতীয় থিংক ট্যাংকার ও সাবেক জেনারেলদের বক্তব্য দেখছি। তাতে দেশে নির্বাচন নিয়ে প্রবাসীদের মনে সংশয় পুরোপুরি কাটেনি।

ভারতে হাসিনা ব্যাপক তৎপর

ভারতের দিল্লিতে অজ্ঞাত স্থানে শেখ হাসিনার সাথে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ নেতাদের বৈঠক নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে কৌতূহলের সৃষ্টি হয়েছে। সম্প্রতি যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ নেতারা দিল্লিতে শেখ হাসিনার সাথে সাক্ষাৎ করেন বলে ভারতীয় গণমাধ্যমে খবরটি প্রকাশ পায়। যে পাঁচ নেতা দেখা হাসিনার সাথে দেখা করেন তারা হলেন- যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সভাপতি জালাল উদ্দীন, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাজিদুর রহমান ফারুক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক আহাদ চৌধুরী ও যুক্তরাজ্য যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জামাল খান। হাসিনার সাথে সাক্ষাৎকালে তারা প্রায় পাঁচ ঘণ্টা অবস্থান করেন।

এর আগে ২০২৪ সালের ১০ ডিসেম্বর শেখ হাসিনা যুক্তরাজ্যের আওয়ামী লীগ নেতাদর সামনে ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখেন। এ ছাড়া কলকাতায় অবস্থানরত কয়েক জন শীর্ষ নেতার সাথে শেখ হাসিনা বৈঠক করেন। হাসিনা অডিও বক্তব্য ছাড়াও ভারতীয় ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের সাথে ই-মেইলে সাক্ষাৎকারও দিচ্ছেন।