প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

Printed Edition

দৈনিক নয়া দিগন্ত পত্রিকায় গতকাল ‘সরকার বদলের সাথে রঙ বদলান গণপূর্তের প্রধান প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটির প্রতিবাদ জানিয়েছে গণপূর্ত অধিদফতর। এক প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়, সংবাদটিতে গণপূর্ত অধিদফতরের বর্তমান প্রধান প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) মো: খালেকুজ্জামান চৌধুরীকে জড়িয়ে যেসব বানোয়াট, কাল্পনিক ও বিভ্রান্তিকর তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং অধিদফতরের ভাবমূর্তি ক্ষুণœ করার অপচেষ্টা মাত্র। আমরা এ সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

প্রকৃত সত্য হলো

১. পদোন্নতি ও জ্যেষ্ঠতা সংক্রান্ত : প্রধান প্রকৌশলী হিসেবে তার পদায়ন ও পূর্ববর্তী সব পদোন্নতি সরকারি চাকরি বিধিমালা, মেধা, প্রশাসনিক জ্যেষ্ঠতা ও যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের মাধ্যমেই সম্পন্ন হয়েছে। রাজনৈতিক পরিচয় পরিবর্তন বা আত্মীয়তার প্রভাব খাটিয়ে জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘনের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও অসত্য।

২. জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের মামলায় জড়ানোর অপপ্রচার : জুলাই অভ্যুত্থানের পরবর্তী কোনো ফৌজদারি মামলায় জ্যেষ্ঠ প্রকৌশলীদের নাম জড়ানো কিংবা সুপিরিয়র সিলেকশন বোর্ডের (এসএসবি) তালিকা প্রভাবিত করার যে দাবি করা হয়েছে, তা সর্বৈব মিথ্যা ও দুরভিসন্ধিমূলক। দাফতরিক পদোন্নতি প্রক্রিয়ার সাথে এ ধরনের মামলার কোনো সম্পর্ক নেই।

৩. বদলি ও পদায়ন বাণিজ্য : গণপূর্ত অধিদফতরের কর্মকর্তাদের বদলি ও পদায়ন সরকারি প্রশাসনিক নিয়ম ও জনস্বার্থ বিবেচনায় সম্পন্ন হয়ে থাকে। কোনো নির্দিষ্ট সিন্ডিকেট বা আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ কাল্পনিক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

৪. দরপত্র মূল্যায়ন ও কমিশন সংক্রান্ত : বর্তমান প্রচলিত পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন ও বিধিমালা (চচঅ/চচজ) কঠোরভাবে অনুসরণ করে ই-জিপি (ব-এচ) প্রক্রিয়ায় শতভাগ স্বচ্ছতার সাথে দরপত্র মূল্যায়ন করা হয়। বিধি মোতাবেক ত্রুটিযুক্ত দরপত্র পুনর্মূল্যায়নের সিদ্ধান্তকে ‘কমিশন বাণিজ্য’ হিসেবে উপস্থাপন করা চরম বিভ্রান্তিকর।

৫. শিক্ষা ছুটি ও অতীতের দাফতরিক বিষয় : প্রায় এক দশক আগের একটি মীমাংসিত প্রশাসনিক বিষয়কে বিকৃত ও অতিরঞ্জিত করে রাজনৈতিক রঙ মাখিয়ে নতুন করে প্রচার করা হয়েছে, যা স্পষ্টতই ব্যক্তিগত চরিত্রহননের অপপ্রয়াস। এ ছাড়া সাংবাদিককে হুমকি দেয়ার অভিযোগটিও সম্পূর্ণ অমূলক ও বানোয়াট।

প্রতিবেদকের বক্তব্য : দুর্নীতি, অনিয়মের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করা সংবাদপত্রের নৈতিক দায়িত্ব। বানোয়াট, কাল্পনিক ও বিভ্রান্তকর তথ্য প্রকাশ করা গণমাধ্যমের কাজ নয়। দুদকে দায়েরকৃত অভিযোগের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি লেখা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে অধিকতর খোঁজখবর নেয়া হচ্ছে।