সামরিক কাজে ব্যবহারের সম্ভাবনাসম্পন্ন পণ্যের ওপর নতুন করে কঠোর রফতানি নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে চীন, আর তা অবিলম্বে প্রত্যাহার করার আহ্বান জানিয়েছে জাপান। এসব পণ্যের মধ্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রেয়ার আর্থ বা বিরল খনিজও থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ দিকে এ ঘটনা কেন্দ্র করে বেইজিং ও টোকিওর মধ্যে চলমান কূটনৈতিক টানাপোড়েন আরো তীব্র আকার ধারণ করেছে।
চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে জানায়, জাপানের ক্ষেত্রে ‘দ্বৈত ব্যবহারযোগ্য পণ্যের’ ওপর রফতানি নিয়ন্ত্রণ আরো জোরদার করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে ও তা অবিলম্বে কার্যকর হবে।
এই ঘোষণা এমন এক সময়ে এলো, যখন গত নভেম্বর জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি ইঙ্গিত দেন যে তাইওয়ানে কোনো হামলা হলে জাপান সামরিক প্রতিক্রিয়া জানাতে পারে। এরপর থেকেই টোকিওর ওপর চাপ বাড়াচ্ছে বেইজিং।
চীন স্বশাসিত দ্বীপ তাইওয়ানকে নিজের ভূখণ্ডের অংশ বলে দাবি করে ও প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগ করে তা দখলের সম্ভাবনাও নাকচ করেনি। পাশাপাশি জাপানের সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নিয়েও কড়া সমালোচনা করে আসছে চীন। চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে নির্দিষ্ট কোনো পণ্যের নাম উল্লেখ না থাকলেও জাপানে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে যে বেইজিং হয়তো বিরল খনিজের সরবরাহ সীমিত করতে পারে। এসব খনিজের কিছু অংশ চীনের দ্বৈত ব্যবহারযোগ্য পণ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় রেয়ার আর্থ সরবরাহকারী দেশ চীন। স্মার্টফোন থেকে শুরু করে যুদ্ধবিমান, বিভিন্ন প্রযুক্তিপণ্যের জন্য এসব খনিজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।



