চট্টগ্রাম ব্যুরো
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে ভারী বৃষ্টিতে বন্দর নগরী চট্টগ্রামের বিস্তীর্ণ এলাকা আবারো পানিতে ডুবেছে। এতে সকালে অফিসগামী ও স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে।
রোববার দিবাগত রাত থেকে গতকাল সোমবার সকালেও বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় নগরীর হালিশহর, আগ্রাবাদ, মুরাদপুর, কাতালগঞ্জ, বাকলিয়ার বিস্তীর্ণ এলাকা, অক্সিজেন, কাপাসগোলা, চকবাজার, জিইসিসহ বিভিন্ন এলাকার সড়ক পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েন অফিসগামী মানুষসহ পথচারীরা। এ সময় কোথাও কোথাও হাঁটুসমান পানি জমে থাকায় যানবাহন চলাচল ব্যাহত হয়। ফলে যানবাহন সঙ্কটে পানি মাড়িয়ে বা কয়েকগুণ বেশি ভাড়ায় রিকশায় গন্তব্যে পৌঁছাতে হয় রাস্তায় বের হওয়া মানুষকে।
পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ সুমন সাহা নয়া দিগন্তকে জানান, মৌসুমি বায়ু সক্রিয় থাকায় সাগরে লঘুচাপের কারণে এ বৃষ্টিপাত হচ্ছে। গতকাল সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ১৯৫.৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এর মধ্যে গতকাল সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত তিন ঘণ্টায় ১০৯ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।
এ দিকে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উপকূলীয় এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। এর প্রভাবে সমুদ্রবন্দর, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাচ্ছে। এ কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সঙ্কেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।



