নীলফামারীতে যুবককে গলা কেটে হত্যা, আটক ৩

Printed Edition

নীলফামারী প্রতিনিধি

নীলফামারী সদর উপজেলার টুপামারী ইউনিয়নে পরকীয়া সংক্রান্ত বিরোধের জেরে মতিউল ইসলাম (৪৫) নামের এক ব্যক্তিকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে কিসামত দোগাছি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত যুবক আল আমিন ইসলাম (২৩) পলাতক থাকলেও তার বাবা, মা ও ছোট ভাইকে আটক করেছে পুলিশ।

নিহত মতিউল ইসলাম ওই এলাকার হামিদ হোসেনের ছেলে। তিনি তিন মেয়ে ও এক সন্তানের বাবা ছিলেন।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কিছুদিন আগে প্রতিবেশী একরামুল হকের স্ত্রী সাহের বানুকে নিয়ে পালিয়ে যান মতিউল। পরে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসা হলে ওই নারী পুনরায় সংসারে ফিরে আসেন। তবে এ নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে দীর্ঘদিনের উত্তেজনা ছিল। গত বৃহস্পতিবার রাতে সাহের বানুর বড় ছেলে আল আমিনের সাথে মতিউলের বাগবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে ক্ষুব্ধ হয়ে আল আমিন ধারালো কাস্তে দিয়ে মতিউলের গলায় আঘাত করলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

নীলফামারী সদর থানার ওসি জিল্লুর রহমান জানান, ঘটনার পরপরই অভিযুক্ত আল আমিনের বাবা একরামুল হক, মা সাহের বানু ও ছোট ভাইকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে এবং প্রধান অভিযুক্ত আল আমিনকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।