হাঁচি-কাশি হলে যা করবেন

Printed Edition

আমাদের নানা কারণেই হাঁচি-কাশি হতে পারে। এরমধ্যে অন্যতম কারণ হলো- অ্যালার্জি। ধুলাবালু, পরাগরেণু, পশুর লোম বা ঠাণ্ডা বাতাসে সংবেদনশীলতার কারণে অনেকে অ্যালার্জিতে ভোগেন। এটা ভাইরাল (যেমন সাধারণ ঠাণ্ডা বা ফ্লু), ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণের কারণেও হতে পারে। কারো কারো সাইনোসাইটিসের কারণে নাক বন্ধ, মাথা ব্যথা ও মুখ ভার হওয়ার বিষয়গুলো ঘন ঘন হয়ে থাকে। তবে অ্যাজমা বা ক্রনিক ব্রঙ্কাইটিস দীর্ঘস্থায়ী কাশি-হাঁচির প্রধান কারণ।

এ ধরনের পরিস্থিতিতে প্রথমে প্রয়োজন পর্যাপ্ত বিশ্রাম। আরাম পেতে প্রতিদিন গরম পানির ভাপ নিন। এতে নাক পরিষ্কার থাকবে। গলা ব্যথা না থাকলেও লবণ পানি দিয়ে গার্গল করুন। ধুলাবালু, ধোঁয়া ও ঠাণ্ডা খাবার এড়িয়ে চলুন এবং পর্যাপ্ত পানি পান করুন। এভাবে দুই সপ্তাহের বেশি সময় পর কাশি বা হাঁচি ভালো না হলে কিংবা সাথে জ্বর, শ্বাসকষ্ট, বুকে ব্যথা থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

আর ঘরোয়াভাবে আরাম পেতে চাইলে আদা (১ ইঞ্চি), তুলসী পাতা চার-পাঁচটা, লবঙ্গ দু’টা, দারচিনি অল্প এক কাপ পানিতে ফুটিয়ে ছেঁকে গরম অবস্থায় মধু মিশিয়ে পান করুন। দিনে দু-তিনবার খেলে কাশি কমে, গলা পরিষ্কার থাকে। এ ছাড়া ধুলাবালু, ধোঁয়া, ঠাণ্ডা পানীয় ও আইসক্রিম এড়িয়ে চলুন। ঘর নিয়মিত পরিষ্কার রাখুন, বিশেষ করে বিছানার চাদর-বালিশ। সেই সাথে পর্যাপ্ত ঘুম ও হালকা ব্যায়াম করুন- এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। ইন্টারনেট।