পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু এমপি বলেছেন, পাহাড়ি ভূমির যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করে অর্থকরী ফসল উৎপাদনের মাধ্যমে পাহাড়ে কৃষি বিপ্লব ঘটাতে হবে। গতকাল মঙ্গলবার ঢাকার বেইলি রোডে পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্স ভবনে আয়োজিত জুলাই মাসের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) পর্যালোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া ও নেপালের মতো দেশ জুম চাষাবাদের আধুনিকায়নে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি এনেছে। কাজুবাদাম, কফি, উচ্চমানের মাশরুম, লটকন ও রামবুটান চাষের পাশাপাশি ভেড়া ও গাড়ল পালনে গুরুত্ব দিতে হবে। মৃত্তিকা পরীক্ষা ও টেকসই কৃষির জন্য পার্বত্য অঞ্চলে ‘মৃত্তিকা ট্রেড সেন্টার’ গড়ে তোলার তাগিদ দেন তিনি।
সভায় প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন জানান, তামাক চাষ পরিহার করে ইক্ষু, তুলা ও কফি চাষে কৃষকদের উৎসাহিত করতে হবে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে পুনর্বাসন, দুর্গম এলাকায় পানির সঙ্কট নিরসন, কোল্ডস্টোরেজ নির্মাণ এবং মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম চালুর ওপর জোর দেন তিনি।
মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় আঞ্চলিক পরিষদের প্রতিনিধি ও তিন পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় শ্রেষ্ঠ উদ্ভাবনী পুরস্কার গ্রহণ করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব:) অনুপ কুমার চাকমা ও ভাইস চেয়ারম্যান শেখ ছালেহ আহাম্মদ। সভায় সিআরএলআইডব্লিউএমসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। বিজ্ঞপ্তি।



