ক্রীড়া প্রতিবেদক
সিনিয়র নারী সাফের ফাইনালে জয়সূচক গোল করার পর এশিয়ান কাপের বাছাইয়ে মিয়ানমারের বিপক্ষে জোড়া গোল। যা বাংলাদেশকে চূড়ান্ত পর্বে নিয়ে গেছে। তিনটি গোলই করেছেন ঋতুপর্ণা চামকা। তাই এবারের রোকেয়া পদক পেয়েছেন পোস্টার গার্ল ঋতুপর্ণা। গতকাল ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের হাত থেকে এই পুরস্কার গ্রহণ করেন জাতীয় দলের এই অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার। এমন স্বীকৃতি পেয়ে রীতিমতো উচ্ছ্বসিত রাঙ্গামাটি থেকে উঠে আসা ফরোয়ার্ড। উল্লেখ্য, নারী ফুটবলে সাফল্যের কারণে প্রথমবারের মতো একুশে পদক পেয়েছে নারী ফুটবল দল। বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের নামে রোকেয়া পুরস্কারটি দেয়া হয়। তিনি ছিলেন বাংলাদেশে নারী জাগরণের অগ্রদূত। প্রতি বছর ৯ ডিসেম্বর সরকারিভাবে বেগম রোকেয়া দিবস পালিত হয় এবং এই দিনে পদক প্রদান করা হয়। ঋতুকে ‘নারী জাগরণ (ক্রীড়া)’ বিভাগে পুরস্কার দেয়া হয়েছে। স্ব-স্ব ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ঋতুপর্ণাসহ চার জনকে এই সম্মাননা দেয়া হয়েছে।
পদক পাওয়ার অনুভূতি নিয়ে ঋতুপর্ণা সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ‘যেকোনো পুরস্কার বা সম্মাননা আমার জন্য অনেক বড় বিষয়। এটি আমাকে অনেক উৎসাহ দেয়। এই প্রথম কোনো ফুটবলার রোকেয়া পদক পেল, তাই এটা আমার কাছে বিরাট সাফল্য মনে হচ্ছে। আমি খুব, খুব খুশি।’
যোগ করেন ‘আমি খুবই রোমাঞ্চিত। এটি একটি রাষ্ট্রীয় পুরস্কার। তাই এটি আমার কাছে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। পুরস্কার শুধু আমার একার নয় এটি বাংলাদেশের সব নারীর জন্য অনুপ্রেরণা। এটি আগামী প্রজন্মের ওপর ভালো প্রভাব ফেলবে।’ বলেন,‘জীবনে সবাই বাধার মুখে পড়ে, ছেলে-মেয়ে উভয়েই। আমাদের সবার সেই বাধাগুলো পেরিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে হবে। আমি ইউনিসেফের হয়ে কাজ করছি। ভবিষ্যতে আরো সুযোগ পেলে আমি তা গ্রহণ করবো।’



