রয়টার্স
যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যকার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) খাতের প্রতিযোগিতা এখন এক সঙ্কটময় মোড়ে দাঁড়িয়েছে। দুই দেশের দ্বিমুখী টানাপড়েনে বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশকে যেকোনো এক পক্ষ বেছে নেয়ার স্পষ্ট বার্তা দিতে যাচ্ছে ওয়াশিংটন। ট্রাম্প প্রশাসনের একটি সংবেদনশীল খসড়া তথ্য ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার সূত্রে জানা গেছে, বেইজিংয়ের নেতৃত্বাধীন কোনো এআই কার্যক্রমে যুক্ত থাকলে যুক্তরাষ্ট্রের মূল প্রযুক্তি জোট থেকে বাদ পড়ার চরম ঝুঁকিতে পড়বে সংশ্লিষ্ট দেশগুলো।
প্রযুক্তিভিত্তিক বাজারে প্রভাব ধরে রাখা এবং সেমিকন্ডাক্টর ও জরুরি খনিজ পদার্থের সরবরাহ শৃঙ্খল সুরক্ষিত করতে ওয়াশিংটন ‘প্যাক্স সিলিকা’ নামের একটি জোট গড়ে তোলে। কাজাখস্তানসহ ২৪টি দেশ বর্তমানে এই কাঠামোর অংশ। তবে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সরবরাহে সক্ষম কাজাখস্তান একই সাথে বেইজিং সমর্থিত জোটেও নাম লিখিয়েছে। মার্কিন মিত্র জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও অস্ট্রেলিয়ার উপস্থিতি থাকা সত্ত্বেও কাজাখস্তানের এই দ্বৈত অবস্থান ওয়াশিংটনের দুশ্চিন্তা বাড়িয়ে দিয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতেই এআই অপরচুনিটি স্টেটমেন্টে সই করা ৩৫ দেশের কাছে বার্তা পাঠানোর তোড়জোড় শুরু করেছে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। মার্কিন খসড়া নথিতে সাফ জানানো হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের বিপরীতমুখী দুই জোটে একইসাথে অবস্থান করা ভৌগোলিক ও কৌশলগত নীতির পরিপন্থী। প্যাক্স সিলিকার প্রতিশ্রুতি রক্ষার অর্থ হলো মার্কিন প্রযুক্তি ও বাজার ব্যবস্থার প্রতি একনিষ্ঠ থাকা। বেইজিংয়ের সামরিক ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে প্রয়োজনীয় খনিজ ও প্রযুক্তিগত সুযোগ আটকে দেয়াই মার্কিন নীতির মূল লক্ষ্য হিসেবে প্রকাশ পেয়েছে।



