ক্রীড়া প্রতিবেদক
এবারের নারী ফুটবল লিগে প্রতি দল চারজন করে বিদেশী খেলোয়াড় নিতে পারবে। অবশ্য এক ম্যাচে সর্বোচ্চ তিন বিদেশী ফুটবলার খেলতে পারবে। তাই লিগের ১১টি ক্লাবের বেশ কয়েকটি বিদেশী ফুটবলারের পেছনে ছুটছে। সবার লক্ষ্য নেপালের ফুটবলার। আর এ সুযোগে নেপালি খেলোয়াড়রাও বাড়িয়ে দিয়েছে দাম। প্রথমে যারা ৬০০-৭০০ ডলারে বাংলাদেশ লিগে খেলতে রাজি হয়েছিল তারা। এখন দেড় হাজার থেকে দুই হাজার ডলারের নিচে কথা বলতে চাচ্ছে না। ফলে দু-এক ক্লাব নেপালিদের প্রতি অনীহা দেখিয়েছে। এবারের লিগে চ্যাম্পিয়ন ফাইটিং দল গড়তে যাচ্ছে রাজশাহী স্টারস। কোটি টাকার বাজেট নিয়ে তারা জাতীয় দলের বেশ কয়েকজন এবং দুই নেপালিকে দলে টেনেছে। এখন তাদের লক্ষ্য ভুটানের স্ট্রাইকার প্রেমা চোডেন শেরিংয়ের দিকে। এবারের নারী এশিয়ান কাপের বাছাই পর্বে তার জোড়া গোলেই ভুটান ২-১ গোলে হারিয়েছিল লেবাননকে। এ ছাড়া এএফসি নারী চ্যাম্পিয়ন্স লিগে লাওসের মাস্তের ক্লাবের বিপক্ষেও করেছিলেন জোড়া গোল। ভুটানের রয়্যাল থিম্পু কলেজের খেলেছিলেন তখন। তাকে পেতে জোর চেষ্টা চালাচ্ছে রাজশাহী স্টারস। উল্লেখ্য, আগামীকাল দলবলের শেষ দিন। আর লিগ ২৯ ডিসেম্বর শুরু হওয়ার কথা।
নেপালের গোলরক্ষক অঞ্জনা রানা মাগারকে পেতে চেয়েছিল রাজশাহীর ক্লাবটি। তবে তাকে ছাড়ছে না তার ক্লাব। ফলে আপাতত অন্য দুই নেপালি দিপা শাহী ও বিকে বিমলা ভরসা তাদের। গোলরক্ষক পজিশনে স্থানীয় ইয়ারজান বেগম ও স্বর্ণা রানীর যে কোনো একজনকে নেবে। রাজশাহী স্টারসের মালিক নাবিল গ্রুপ। তারা নারী ফুটবল উন্নয়নে বড়সড় ভূমিকা রাখতে চায়। তাই জাতীয় দলের তারকা ফুটবলারদের সাথে জেলাপর্যায়ের উঠতি ফুটবলারদেরও নিচ্ছে। জেলাপর্যায়ের ছয় নতুন মুখ তাদের দলে। এই টিমে খেলতে যাচ্ছেন রাকসুর নারীবিষয়ক সম্পাদিকা নার্গিস এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রোকেয়া হলের নির্বাচিত প্রতিনিধি রেহানা। দু’জনই জাতীয় দলের সাবেক ফুটবলার। আর তারকাদের মধ্যে সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক দিয়ে নিয়েছে ঋতুপর্না চাকমাকে। এ ছাড়া জাতীয় দলের অধিনায়ক আফঈদা খন্দকার প্রান্তি, শাহেদা আক্তার রিপা, স্বপ্না রানী, মুনকি আক্তার, শিউলী আজিম, পুজা দাস, আলপি আক্তার ও সৌরভী আকন্দ প্রীতিকে নিয়েছে। বাংলাদেশ দলের অন্যতম উঠতি স্ট্রাইকার মোসাম্মদ সাগরিকা। এবারের লিগ তিনি খেলবেন বাংলাদেশ পুলিশ ফুটবল দলে। এ ছাড়া জাতীয় দলের ডিফেন্ডার কোহাতি কিসকুকেও নিয়েছে পুলিশ। সুরভী জান্নাত, আইরিন খাতুন ও আফিফা আক্তারও এবার পুলিশের সদস্য। জানান পুলিশ ফুটবল দলের কর্মকর্তা উপ পুলিশ কমিশনার কাজী নুসরাত এদিব লুনা।
এদিকে মারিয়া, মনিকা, রূপনা ও সামছুন্নাহাররা ফরাশগঞ্জে যেতে পারেন।



