নয়া দিগন্ত ডেস্ক
- গাজায় আরো ভেতরে প্রবেশ করল ইসরাইলি সেনারা
- পশ্চিম তীরের চার ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীর ওপর নিষেধাজ্ঞা দিলো সিঙ্গাপুর
ইসরাইলি সেনাবাহিনীর সাবেক মুখপাত্র ড্যানিয়েল হাগারি বলেছেন, ইসরাইল “সোশ্যাল মিডিয়ার যুদ্ধে হেরে গেছে।” তিনি অনলাইন মাধ্যমকে সবচেয়ে বিপজ্জনক ও জটিল ক্ষেত্র হিসেবে বর্ণনা করেছেন, যা বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে বৈশ্বিক জনমত গঠনে বড় ভূমিকা রাখছে। খবর মিডল ইস্ট মনিটর।
ওয়াশিংটন ডিসিতে নর্থ আমেরিকার জিয়ুশ ফেডারেশনের বার্ষিক সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে হাগারি একটি শক্তিশালী নতুন প্রচারণা কাঠামো গঠনের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, এটি ইসরাইলের অভিজাত সাইবার গোয়েন্দা ইউনিট ৮২০০-এর সক্ষমতা ও কাঠামোর আদলে তৈরি হওয়া উচিত। তার মতে, এখন ইসরাইলকে “ছবি, ভিডিও ও পরিসংখ্যানের যুদ্ধ” লড়তে হবে, দীর্ঘ লেখার নয়। হাগারি প্রস্তাব দেন, এমন একটি ইউনিট গঠন করতে হবে যা বিভিন্ন ভাষায় রিয়েল টাইমে প্ল্যাটফর্মজুড়ে ইসরাইলবিরোধী কনটেন্ট পর্যবেক্ষণ করবে এবং দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানাতে সরকার ও গণমাধ্যমকে বার্তা ও তথ্য সরবরাহ করবে। তার পরিকল্পনায় আরো রয়েছে ভুয়া অনলাইন পরিচয় তৈরি, স্বয়ংক্রিয় বট নেটওয়ার্ক ব্যবহার এবং অনানুষ্ঠানিক ব্লগারদের “বিশেষ করে তরুণী” ব্যবহার করে বৈশ্বিক জনমত প্রভাবিত করা।
তিনি সতর্ক করে বলেন, এই যুদ্ধের নির্ধারক ধাপ শুরু হবে এক দশক পর, যখন শিক্ষার্থীরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে ৭ অক্টোবরের ঘটনাবলি সম্পর্কে তথ্য খুঁজবে এবং “দুই সম্পূর্ণ বিপরীতধর্মী বর্ণনা” দেখতে পাবে। হাগারি একজন সাবেক নৌকর্মকর্তা, যিনি সংবেদনশীল সামরিক দায়িত্বে ছিলেন। তিনি ২০২৩ সালে ইসরাইলের প্রধান সেনা মুখপাত্র হন, তবে চলতি বছরের শুরুর দিকে তাকে ওই পদ থেকে সরিয়ে দেয়া হয়।
ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের বিরোধিতা পুনর্ব্যক্ত নেতানিয়াহুর : ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বৃহস্পতিবার বলেছেন, ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা “কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়, এমনকি সৌদি আরবের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবেও নয়।” তিনি হিব্রু ভাষার আবু আলী এক্সপ্রেস চ্যানেলকে দেয়া সাক্ষাৎকারে এ মন্তব্য করেন। এ সময় আন্তর্জাতিক মহলে দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের প্রতি সমর্থন বাড়ছে। তবে ইসরাইলি সরকার এ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করছে এবং পশ্চিম তীরে বসতি সম্প্রসারণ ও ফিলিস্তিনিদের বাস্তুচ্যুত করার কারণে তা বাস্তবায়নও ব্যাহত করছে। খবর মিডল ইস্ট মনিটর।
নেতানিয়াহু বলেন, “আমার কাছে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র কোনো আলোচনার বিষয় নয়, এমনকি সৌদি আরবের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার প্রসঙ্গেও নয়।” তিনি আরো বলেন, “যা প্রকাশ্যে বলা হয় তা সবসময় বন্ধ দরজার আলোচনার প্রতিফলন নয়।” এর মাধ্যমে তিনি ইঙ্গিত দেন, সৌদি আরবের সাথে রাজনৈতিক যোগাযোগ চলমান রয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় হোয়াইট হাউজে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান বলেন, “আমরা আব্রাহাম অ্যাকর্ডসে (ইসরাইলের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে) যোগ দিতে চাই, তবে এমন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যা দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধান ও ফিলিস্তিন-ইসরাইলের মধ্যে শান্তি নিশ্চিত করবে।” ট্রাম্প ইসরাইল ও সৌদি আরবের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে আগ্রহী। তবে রিয়াদ বারবার বলেছে, এ ধরনের পদক্ষেপের সাথে অবশ্যই ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সুস্পষ্ট পথ থাকতে হবে।
ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতাকে ‘সন্ত্রাসবাদ’ বললেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত
ইসরাইলে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক হাকাবি অধিকৃত পশ্চিম তীরে অবৈধ ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীদের সাম্প্রতিক সহিংসতাকে “সন্ত্রাসবাদ” বলে উল্লেখ করেছেন। এটি যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এক বিরল কঠোর সমালোচনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। হাকাবি বুধবার যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক নিউজ নেশনকে বলেন, “ইসরাইলিরাও সন্ত্রাসবাদ চালাতে পারে। তবে এদের বেশির ভাগই প্রকৃত বসতি স্থাপনকারী নয়। এরা খুব অল্পসংখ্যক, মূলত তরুণ, ক্ষুব্ধ ও বঞ্চিত। এরা আসলে গুন্ডা।” ডেইলি সাবাহ।
কূটনীতিক নিশ্চিত করেছেন যে ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধে বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা বেড়েছে, যা তিনি “সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড” হিসেবে বর্ণনা করেছেন। রাষ্ট্রদূত বলেন, ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ অপরাধীদের বিচারের মুখোমুখি করতে কাজ করছে। তিনি বলেন, “যারা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত, তারা ইসরাইলি হলেও পূর্ণ শাস্তি ভোগ করবে।” ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে অধিকৃত অঞ্চলে সেনা ও অবৈধ বসতি স্থাপনকারীদের হামলায় ১,০৭৬ জনের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে এবং ১০ হাজার ৭০০ জন আহত হয়েছে। এছাড়া ২০ হাজার ৫০০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি বন্দী হয়েছে। কলোনাইজেশন অ্যান্ড ওয়াল রেজিস্ট্যান্স কমিশনের তথ্য মতে, একই সময়ে অবৈধ ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীরা পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনি ও তাদের সম্পত্তির ওপর ৭,১৫৪টি হামলা চালিয়েছে। গাজায় যুদ্ধবিরতি প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে হাকাবি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “এটি শান্তির এক উল্লেখযোগ্য সময়।”
কিশোরসহ ৩ ফিলিস্তিনিকে হত্যা ইসরাইলি বাহিনীর : ইসরাইলি সেনারা কফর আকাব এলাকায় দুই ফিলিস্তিনি কিশোরকে গুলি করে হত্যা করেছে। পূর্ব জেরুসালেম ও পশ্চিম তীরের সীমান্তবর্তী এ এলাকায় গতকাল শুক্রবার ভোরে হামলা চালানো হয়। নিহতরা হলো আমর আল-মারবু (১৮) এবং সামি মাশাইখ (১৬)। আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পর তারা মারা যায়।
ফিলিস্তিনি সংবাদ সংস্থা ওয়াফার তথ্য মতে, ইসরাইলি সেনারা ভোরের আগে কফর আকাবে প্রবেশ করে। তারা রাস্তায় টহল দেয় এবং কয়েকটি ভবনের ছাদে স্নাইপার মোতায়েন করে। এক পর্যায়ে সেনারা দুই কিশোরকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। ফিলিস্তিনি রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির জরুরি টিম তাদের হাসপাতালে নিয়ে যায়, তবে তারা গুরুতর আঘাতের কারণে মারা যায়। গাজায় আগ্রাসন শুরুর পর থেকে পশ্চিম তীরে ইসরাইলি সেনাদের অভিযান ব্যাপকভাবে বেড়েছে। ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ ও মানবাধিকার সংস্থার তথ্যমতে, এ সময় ইসরাইলি সেনা ও বসতি স্থাপনকারীদের হামলায় অন্তত ১ হাজার ৭৮ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে এবং প্রায় ১০ হাজার ৭০০ জন আহত হয়েছে। এ ছাড়া ২০ হাজার ৫০০ জনের বেশি ফিলিস্তিনিকে বন্দী করা হয়েছে।
চলমান সহিংসতা আন্তর্জাতিক আইনি প্রেক্ষাপটেও গুরুত্ব পেয়েছে। গত জুলাইয়ে আন্তর্জাতিক বিচার আদালত এক ঐতিহাসিক মতামতে বলেছে, ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরাইলের দখলদারিত্ব অবৈধ। আদালত পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেমের সব বসতি সরিয়ে নেয়ার আহ্বান জানিয়েছে। এতে ইসরাইলের নীতির বিরুদ্ধে দীর্ঘদিনের আন্তর্জাতিক সমালোচনা আরও আইনি ভিত্তি পেয়েছে।
পশ্চিম তীরে হামলা বাড়িয়েছে ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীরা : ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীরা পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের ওপর হামলা বাড়িয়েছে। তারা নাবলুসে নির্মাণাধীন ছয়টি পর্যটন ভিলা ও একটি গাছের নার্সারিতে আগুন ধরিয়ে দেয়। রামাল্লায় একটি কৃষি কক্ষও পুড়িয়ে দেয় এবং সেখানে বর্ণবাদী স্লোগান লিখে দেয়। বসতি স্থাপনকারীরা ইসরাইলি বাহিনীর সাথে মিলে বেথলেহেমে টিয়ার গ্যাস ছোড়ে। হেবরনে ফিলিস্তিনিদের ওপর বসতি স্থাপনকারীদের হামলার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে।
পাঁচ হামাস যোদ্ধাকে হত্যা : ইসরাইলি সেনারা দাবি করেছে, দক্ষিণ গাজায় তারা পাঁচজন যোদ্ধাকে হত্যা করেছে। পূর্ব রাফাহর একটি টানেল থেকে বের হওয়ার পর তাদের লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালানো হয়। সেনাদের দাবি, নাহাল ব্রিগেড যোদ্ধাদের এগিয়ে আসতে দেখে এবং তাৎক্ষণিক হুমকি মনে করে বিমানবাহিনীকে হামলার নির্দেশ দেয়।
খান ইউনুসে এক ফিলিস্তিনিকে হত্যা : খান ইউনুসে ইসরাইলি হামলায় এক বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। নাসের হাসপাতাল এ তথ্য জানিয়েছে। ইসরাইলি বাহিনী কেন্দ্রীয় ও দক্ষিণ গাজায় একাধিক আর্টিলারি হামলা ও বিমান হামলা চালাচ্ছে। এসব হামলায় শরণার্থী শিবির লক্ষ্যবস্তু হয়েছে এবং পূর্ব খান ইউনিস ও রাফাহতে আবাসিক ভবন ধ্বংস করা হয়েছে।
গাজায় আরো ভেতরে ইসরাইলি সেনারা : স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ইসরাইলি সেনারা গাজা সিটিতে তথাকথিত “ইয়েলো লাইন” যুদ্ধবিরতির সীমারেখা সম্প্রসারণ করেছে এবং চুক্তি লঙ্ঘন করে আরো ভেতরে প্রবেশ করেছে। এতে বহু ফিলিস্তিনি পরিবার অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। গাজার সরকারি মিডিয়া অফিস বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইসরাইলি বাহিনী সীমারেখার চিহ্ন সরিয়ে প্রায় ৩০০ মিটার ভেতরে প্রবেশ করেছে। তারা আশ-শাফ, আন-নাজ্জাজ ও বাগদাদ স্ট্রিট এলাকায় অগ্রসর হয়েছে। খবর দ্য নিউ আরবের। এতে সেনারা আরো গভীরে বেসামরিক এলাকায় ঢুকে পড়ে, ফলে পরিবারগুলো পালাতে না পেরে আটকা পড়ে। বিবৃতিতে বলা হয়, “এলাকায় গোলাবর্ষণের মধ্যে এসব পরিবারের ভাগ্য অজানা রয়ে গেছে।” অফিস আরো জানায়, ইয়েলো লাইন সম্প্রসারণ যুদ্ধবিরতি চুক্তির প্রতি “স্পষ্ট অবজ্ঞা” প্রদর্শন করছে। শুক্রবার সূত্র জানিয়েছে, ইসরাইলি সেনারা দক্ষিণ গাজার খান ইউনুসের পূর্বাঞ্চলে তথাকথিত “ইয়েলো লাইন” এর ভেতরে বিমান ও আর্টিলারি হামলা চালিয়েছে।
ইসরাইলি যুদ্ধবিমান ও ট্যাংক ওই এলাকায় হামলা চালিয়েছে। এতে একজন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন এবং কয়েকজন আহত হয়েছেন। নতুন এ হামলা বুধবার গাজা সিটি ও খান ইউনুসে ইসরাইলি বিমান হামলায় ২৫ জন নিহত হওয়ার একদিন পরেই ঘটল। মিডিয়া অফিস জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে ইসরাইল নিয়মিতভাবে চুক্তি লঙ্ঘন করছে। প্রায় প্রতিদিনই বিমান হামলা, আর্টিলারি হামলা ও সরাসরি গুলি চালানো হচ্ছে। অফিস জানিয়েছে, এ পর্যন্ত ৪০০টির বেশি লঙ্ঘন নথিভুক্ত হয়েছে। এসব হামলায় ৩০০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন এবং শত শত মানুষ আহত হয়েছেন। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরাইলের হামলায় কমপক্ষে ৬৯ হাজার ৫৪৬ জন ফিলিস্তিনি নিহত এবং ১ লাখ ৭০ হাজার ৮৩৩ জন আহত হয়েছেন।
পশ্চিম তীরের চার ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীর ওপর নিষেধাজ্ঞা সিঙ্গাপুরের
সিঙ্গাপুর ঘোষণা করেছে, তারা পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে সহিংসতায় জড়িত চার ইসরাইলির ওপর আর্থিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবে এবং তাদের দেশটিতে প্রবেশ নিষিদ্ধ করবে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এরা “চরম সহিংসতার ভয়াবহ কর্মকাণ্ডে” জড়িত।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মেইর মরদখাই এট্টিঙ্গার, এলিশা ইয়েরেদ, বেন-জায়ন গপস্টেইন এবং বারুখ মারজেল পশ্চিম তীরে অবৈধ কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিলেন। তাদের এসব কাজ ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনাকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, “আন্তর্জাতিক আইন ও দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের দৃঢ় সমর্থক হিসেবে সিঙ্গাপুর আন্তর্জাতিক আইনে অবৈধ একতরফা পদক্ষেপের বিরোধিতা করে।” উল্লেখ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়ন আগেই এ চারজনের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে।



