নয়া দিগন্ত ডেস্ক
পৃথিবী নাকি মানুষের নয়, বিড়ালের নিয়ন্ত্রণে চলছে- এমনই উদ্ভট ধারণাকে কেন্দ্র করে প্রতি বছর ২৪ জুন পালিত হয় ‘ক্যাট ওয়ার্ল্ড ডমিনেশন ডে’। আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি না থাকলেও বিশ্বের বহু বিড়ালপ্রেমী দিনটি নানা আয়োজনে উদযাপন করেন।
গত বুধবার এ উপলক্ষে অনেকেই নিজেদের পোষা বিড়ালকে বিশেষ খাবার খাওয়ান, খেলাধুলার ব্যবস্থা করেন, ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেন এবং মজার ছলে স্বীকার করেন যে ঘরের প্রকৃত কর্তৃত্ব আসলে তাদের পোষ্য বিড়ালটির হাতেই।
দিবসটির সূচনা হয় ২০১২ সালে। লেখক ও ব্লগার জ্যানিস গারজা তার ‘স্পার্কল’ নামের সোমালি জাতের পোষা বিড়ালের দশম জন্মদিন উপলক্ষে এটি চালু করেন। অনলাইনে জনপ্রিয় হয়ে ওঠা স্পার্কলকে কেন্দ্র করেই ২৪ জুন তার জন্মদিনের তারিখটি স্থায়ীভাবে দিবসটির জন্য নির্ধারণ করা হয়। পরে বিষয়টি বিশ্বজুড়ে বিড়ালপ্রেমীদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে।
শুধু হাস্যরসেই সীমাবদ্ধ নয় এ আয়োজন। অনেক সমর্থক দিনটিকে উপলক্ষ করে বিড়াল উদ্ধার ও আশ্রয়কেন্দ্রের জন্য অর্থ অনুদান দেন, খাবার ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী সরবরাহ কিংবা স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করেন। ফলে প্রাণীকল্যাণ বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টিতেও দিবসটি ভূমিকা রাখছে বলে আয়োজকদের দাবি।
দিবসটি ঘিরে প্রচলিত পরামর্শের মধ্যে রয়েছে- পোষা বিড়ালের সাথে সময় কাটানো, নতুন খেলনা বা বিশ্রামের জায়গা তৈরি করা, পরিচর্যা করা এবং তার স্বাভাবিক আচরণকে গুরুত্ব দেয়া। পশুপ্রেমীদের মতে, এ ধরনের উদ্যোগ মানুষ ও পোষা প্রাণীর সম্পর্ক আরো দৃঢ় করতে সহায়ক হতে পারে।
বিশ্বজুড়ে নানা ব্যতিক্রমী দিবসের ভিড়ে ‘ক্যাট ওয়ার্ল্ড ডমিনেশন ডে’ মূলত হাস্যরস, সৃজনশীলতা ও পশুপ্রেমের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা একটি অনানুষ্ঠানিক উদযাপন, যা প্রতি বছর ২৪ জুন বিড়ালপ্রেমীদের কাছে বিশেষ আকর্ষণ হয়ে ওঠে।



