ক্রীড়া ডেস্ক
ঘানার কাছে শেষ মুহূর্তের গোলে ১-০ ব্যবধানে পরাজয় দিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করেছিল পানামা। অপর দিকে শক্তিশালী ইংল্যান্ডের বিপক্ষে হেরে ব্যাকফুটে অবস্থায় ক্রোয়েশিয়া। বিশ্বকাপে দ্বিতীয় ম্যাচে গ্রুপ ‘এল’-এর ম্যাচে টরেন্টোতে বাংলাদেশ সময় কাল ভোর ৫টায় ক্রোয়েশিয়ার মুখোমুখি হবে পানামা। দুই দলের জন্যই এটি কার্যত টিকে থাকার লড়াই। প্রথম ম্যাচে পরাজয়ের কারণে উভয় দলই এখন পয়েন্টশূন্য। নকআউট পর্বে যাওয়ার আশা টিকিয়ে রাখতে জয় ছাড়া অন্য কিছু ভাবার সুযোগ নেই উভয় দলের।
ঘানার বিপক্ষে ম্যাচে বল দখল ও আক্রমণে পিছিয়ে না থাকলেও গোলমুখের ব্যর্থতা ভুগিয়েছিল পানামাকে। বিশেষ করে একাধিক সুযোগ তৈরি করেও গোল না পাওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেছিলেন কোচ টমাস ক্রিশ্চিয়ানসেন। তার মতে, দলটি অন্তত একটি পয়েন্ট পাওয়ার যোগ্য ছিল।
অন্য দিকে ক্রোয়েশিয়ার শুরুটা ছিল আরো নাটকীয়। শক্তিশালী ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তারা ৪-২ গোলে পরাজিত হয়। ম্যাচে দুইবার পিছিয়ে পড়েও ফিরে এসেও শেষ রক্ষা হলো না ক্রোয়েটদের। রক্ষণভাগের ভুল, বিশেষ করে সেট-পিসে দুর্বলতা, তাদের বড় ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। কোচ জ¬াটকো ডালিচ ম্যাচের পর স্পষ্ট করে বলেছিলেন, সামনে আর ভুলের কোনো সুযোগ নেই।
ক্রোয়েশিয়ার সবচেয়ে বড় শক্তি তাদের অভিজ্ঞতা। ২০১৮ বিশ্বকাপের রানার্স-আপ এবং ২০২২ সালের তৃতীয় স্থান অর্জনকারী দলটি বড় মঞ্চে খেলার অভিজ্ঞতায় পানামার চেয়ে অনেক এগিয়ে। দলের নেতৃত্বে রয়েছেন কিংবদন্তি মিডফিল্ডার লুকা মডরিচ। যার অভিজ্ঞতা ও খেলার নিয়ন্ত্রণ এখনো দলের মূল ভরসা। আক্রমণভাগে পেটার মুসা এবং আন্দ্রেজ ক্রামারিচ প্রতিপক্ষের জন্য বড় হুমকি হয়ে উঠতে পারেন। বল দখলে রেখে ধৈর্যের সাথে আক্রমণ গড়তে পছন্দ করে ক্রোয়েশিয়া। ফলে মাঝমাঠের লড়াইই ম্যাচের ফল নির্ধারণে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
পানামার আশার কেন্দ্রবিন্দু মিডফিল্ডার আদালবের্তো কারাসকুইলা। তিনি দলের সৃজনশীলতার মূল উৎস এবং মাঝমাঠ থেকে খেলার গতি নিয়ন্ত্রণ করেন। ঘানার বিপক্ষেও তিনি ভালো খেলেছিলেন। যদি পানামা কোনো অঘটন ঘটাতে চায়, তাহলে কারাসকিয়াকে সেরা ফর্মে থাকতে হবে।



