ভারতের হস্তক্ষেপে ফাইনালের উইকেট পরিবর্তন

Printed Edition

ক্রীড়া ডেস্ক

২০২৩ সালে ওয়ানডে বিশ্বকাপের আয়োজক ছিল ভারত। ৫০ ওভারের বিশ্বকাপে তখন হোস্ট হিসেবে বাড়তি সুবিধা পাইয়ে দেয়ার অভিযোগ উঠেছিল স্বাগতিকদের বিপক্ষে। এর আগে টি-২০ বিশ্বকাপেও একই সুবিধা দেয়া কথা উঠেছিল। ভারত ও শ্রীলঙ্কায় যৌথভাবে চলমান টি-২০ বিশ্বকাপের আজ ফাইনাল। আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে স্বাগতিকদের প্রতিপক্ষ নিউজিল্যান্ড। স্বাগতিক দল হিসেবে এবারো যে তাদের বিশেষ সুবিধা দেয়া হবে না, তা কি হয়। এবারো ফাইনালের আগে একই অভিযোগ উঠল বেশ জোরালোভাবে। বলা হচ্ছে, ভারতীয় বোর্ডের হস্তক্ষেপে তাদের ব্যাটারদের সুবিধা এনে দিতে পরিবর্তন করা হয়েছে উইকেট। তাদের সুবিধার্থে তৈরি করা হচ্ছে পিচ।

আহমেদাবাদের মোতেরায় নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে এমন একটি পিচে ফাইনালটি অনুষ্ঠিত হবে, যা লাল ও কালো মাটির মিশ্রণে তৈরি। এটি মুম্বাইয়ে সেমিফাইনালের পিচের সাথে অনেকটাই অনুরূপ, যেখানে দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সাত উইকেটে ২৫৩ রানের বিশাল স্কোর গড়েছিল ভারত। উইকেটটি ব্যাটারদের জন্য সুবিধাজনক, বাউন্স ভালো থাকবে, থাকবে সীমিত টার্ন।

ভারতের দু’টি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ হারের ইতিহাস বিবেচনা করে কালোর চেয়ে লাল মাটির পরিমাণ বেশি থাকা উইকেট বেছে নেয়ার কথা বলা হয়েছে। ২০২৩ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ভারতের পরাজয় ঘটেছিল কালো মাটির পিচে।

চলমান টি-২০ বিশ্বকাপের সুপার এইটে যখন ভারত দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ৭০ রানেরও বেশি ব্যবধানে হেরে যায়, তখনই এটা ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্টের কাছে চোখ খুলে দেয়ার মতো ছিল। তবে পিচের দৃষ্টিকোণ থেকে ফাইনালের জন্য পরিস্থিতি ভিন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

নিজের যুক্তিকে প্রতিষ্ঠা করতে ভারত মিডিয়ায় বলছে, ‘নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে ফাইনালের জন্য স্বাগতিক দলকে মিশ্র মাটির পিচ দেয়া হবে। এটি হবে একটি স্পোর্টিং পিচ। যেখানে কোনো অযৌক্তিক সুবিধা থাকবে না। এই ট্র্যাকে আরো লাল মাটির অর্থ হলো কিছু বাউন্স থাকবে ও সেখান থেকে ব্যাটাররাও সুবিধা পাবেন।’

মিডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গৌতম গম্ভীরের নেতৃত্বাধীন ভারত টিম ম্যানেজমেন্ট লিগ পর্বের কিছু পিচ নিয়ে খুশি ছিল না। যার ফলে স্থানীয় কিউরেটরদের কাছে তাদের উদ্বেগের কথা জানিয়েছে ম্যানেজমেন্ট। এমনকি টুর্নামেন্ট চলাকালীন পিচ প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা করার জন্য কর্মীদেরও পাঠিয়েছে।