গত ১৭ ফেব্রুয়ারি শপথ গ্রহণের পর দুই মাস পূর্ণ করেছে বিএনপি সরকার। ঐতিহাসিক ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান ও পরে রাষ্ট্র সংস্কারের এক উত্তাল পটভূমিতে ক্ষমতায় বসা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন এই সরকারের প্রথম ৬০ দিন কেমন কাটল তা নিয়ে দেশ-বিদেশে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। বিশিষ্ট নাগরিক, রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও বিরোধী শিবিরের নেতাদের মন্তব্যে উঠে আসছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। তারা বলছেন, দেশের এক ক্রান্তিকালে বিএনপি সরকার গঠন করেছে। অল্প দিনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যেভাবে দেশবাসীকে তার ব্যাপক কর্মযজ্ঞের মাধ্যমে আশাবাদী করে তুলেছেন, তেমনি কিছু সমালোচনাও রয়েছে। অনেকেই বলছেন, দুর্নীতি, অনিয়ম আবারো মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। প্রশাসনে দলীয় নেতাদের বসানোর মাধ্যমে দেশে আবারো পুরনো কালচার ফিরে আসছে বলে মত তাদের। একইসাথে তারা বলছেন, তারেক রহমানের সরকার নির্বাচনের পর একটি স্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করতে পেরেছে, যা প্রশংসনীয়। তবে জুলাই সনদ ও গণভোট ইস্যুতে সরকারের নেয়া প্রদক্ষেপগুলোতে ফের পরিবেশ ঘোলাটে হচ্ছে বলে মত বিশিষ্টজনদের।
সূত্র মতে, দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় পর চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে দেশে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠন করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। গতকাল ১৭ এপ্রিল শুক্রবার এই সরকার তাদের দুই মাস পূর্ণ করেছে। সামগ্রিকভাবে তারেক রহমানের সরকারের প্রথম দুই মাস ছিল ‘স্থিরতা ফেরানোর লড়াই’। বিশিষ্টজনদের মতে, এই স্বল্প সময়ে কোনো সরকারকে চূড়ান্তভাবে মূল্যায়ন করা কঠিন। তবে এই সময়ে দল হিসেবে বিএনপি নির্বাচনের আগে দেয়া একাধিক প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছে, যা রাজনৈতিক অঙ্গনসহ বিভিন্ন মহলে প্রশংসা কুড়াচ্ছে। আজ বিএনপির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সরকারের দুই মাসের কার্যক্রম সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে তুলে ধরা হবে।
অন্য দিকে, ইরান-ইসরাইল ও আমেরিকা যুদ্ধের প্রভাবে সৃষ্ট চলমান জ্বালানি সঙ্কটের মধ্যে দাম বৃদ্ধি না হলেও সঙ্কট মোকাবেলায় ‘সঠিক ব্যবস্থাপনা’ করতে না পারা, সড়কের চাঁদাবাজি নিয়ে মন্ত্রীর অতিরিক্ত বক্তব্য, মব নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা এবং সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ বাতিল করা নিয়ে সমালোচনা ও চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে নতুন এই সরকার। এ ছাড়া দলের তৃণমূল পর্যায়ের নেতাদের অন্তর্কোন্দল ও নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের কারণে এ সময়ে বিএনপি সরকারের ভাবমর্যাদাও কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
জানা গেছে, রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নেয়ার পর থেকেই বিএনপি সরকার তাদের নির্বাচনী ৩১ দফা প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের ২১ দিনের মাথায়, ১০ মার্চ নির্বাচনী ইশতেহারের অন্যতম প্রতিশ্রুতি ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এরপর ১৪ মার্চ ইমাম, মুয়াজ্জিন ও অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের জন্য সরকারি মাসিক সম্মানী ভাতা কার্যক্রম চালু করা হয়। ১৬ মার্চ খাল খনন কর্মসূচি এবং সর্বশেষ ১৪ এপ্রিল কৃষক কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। এ সময়ের মধ্যে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফের সিদ্ধান্ত নেয়া হয় এবং ১২৯ জন ক্রীড়াবিদের হাতে ক্রীড়া কার্ড তুলে দেয় সরকার। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ব্যক্তিগত কিছু উদ্যোগও সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে যানজটের বিষয়টি বিবেচনায় প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহরের সংখ্যা কমানো, সাপ্তাহিক ছুটির দিন শনিবার অফিস করা, সকাল ৯টার মধ্যেই অফিসে আসা ও রাত অবধি কাজ করা এবং সচিবালয়ে কর্মকর্তাদের সময়মতো উপস্থিতি নিশ্চিত করা, সরকারি গাড়ির পরিবর্তনে ব্যক্তি গাড়ি ব্যবহার করা, এসব ইতিবাচক পদক্ষেপ। সরকারের প্রথম দুই মাসের মূল্যায়ন করতে গিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সিনিয়র সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী যে প্রতিশ্রুতিগুলো করেছিলেন, তার অনেক কাজই শুরু করতে পেরেছেন। এর মধ্যে খালকাটা কর্মসূচি, ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ডসহ প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে। আমি মনে করি, এটা আমাদের সফলতা। শুরুটা আমরা ভালোভাবে করতে পেরেছি।
একইভাবে দলের মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, সরকার দায়িত্ব নেয়ার পর ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, খাল খননসহ বিভিন্ন নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে জ্বালানি তেল নিয়ে বিশ্বে তোলপাড় হলেও আমরা তেলের দাম বাড়াইনি। তেল নিতে পাম্পে গাড়ির দীর্ঘ লাইন থাকলেও মানুষ তেল পাচ্ছে।
সরকারের দুই মাস পর্যালোচনা করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী নয়া দিগন্তকে বলেন, বিগত দুই মাসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার যে সাফল্য দেখিয়েছে, এটা অভূতপূর্ব। এই রকম দৃষ্টান্ত খুব বেশি নেই যে, সমস্ত দিকের ওপর নিয়ন্ত্রণ রেখে তিনি (প্রধানমন্ত্রী) যে সাফল্য অর্জন করেছেন, বিশেষ করে জিনিসপত্রের দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখা, মধ্যপাচ্যের এই সঙ্কটের মধ্যে জ্বালানি তেলের দাম না বাড়ানো- এগুলো বড় ধরনের সাফল্য।
এ দিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, সরকার গঠনের শুরুটা ভালো হলেও ক্রমেই ক্ষমতাসীনদের কার্যক্রমে সমালোচনাও বাড়ছে। তারা সরকারি দলের নানা অনিয়ম, অভ্যন্তরীণ কোন্দল, আইনশৃঙ্খলার অবিনতি, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিসহ বিভিন্ন নেতিবাচক কার্যক্রম তুলে ধরেন।
সূত্র মতে, মানবাধিকার সংগঠন এইচআরএসএসের ত্রৈমাসিক (জানুয়ারি থেকে মার্চ) প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দলে ৯০৫ জন আহত এবং ৮ জন নিহত হয়েছে। এ ছাড়া দেশের বিভিন্ন এলাকায় স্থানীয় বিএনপির নেতাদের বিরুদ্ধে ভয়ভীতি দেখানো, চাঁদাবাজির একাধিক অভিযোগ উঠে। যার কারণে নতুন সরকারের ভাবমর্যাদাও সঙ্কটে পড়ে। যদিও এরমধ্যে দলের অভ্যন্তরে সহিংসতা, সংঘর্ষের ঘটনায় তৃণমূলের একাধিক নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার করে বিএনপি। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের আমল থেকে আলোচিত ‘মব সন্ত্রাস’ এখনো পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি বর্তমান সরকার। এইচআরএসএসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ সময়ে মব সহিংসতায় ৪৯ জন নিহত এবং ৮০ জন আহত হয়েছেন। সর্বশেষ ১২ এপ্রিল কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় এবং কথিত পীর আব্দুর রহমান নিহত হওয়ার পর সারা দেশে সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
জ্বালানি তেলের সঙ্কট ও সঙ্কট মোকাবেলায় দুর্বল ব্যবস্থা নিয়ে সংসদের ভেতরে-বাইরে সমালোচনার মুখে পড়ে সরকার। সংসদে বিরোধী দলের কোনো কোনো সংসদ সদস্য সংসদে লাইনে দাঁড়িয়ে তেল না পাওয়ার অভিযোগ তুলেন। যদিও এই নিয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু সংসদে বিবৃতি দিয়ে বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সঙ্কটের মধ্যেও দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে। জ্বালানির কোনো সঙ্কট নেই।
এ ছাড়াও অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং গুম প্রতিরোধ, সুপ্রিমকোর্ট বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ, গণভোটসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ পাস না করায় সংসদে বিরোধী দল কর্মসূচি পালন করে। এ ছাড়া গত ঈদুল ফিতরে সড়ক দুর্ঘটনায় অসংখ্য মানুষের হতাহতের বিষয়টিও সরকারের ভাবমর্যাদা সঙ্কটে ফেলেছে। বিশেষ করে, ঈদে নৌ পরিবহন ও সড়ক মন্ত্রীর দায়িত্বহীন বক্তব্যে সমালোচনার ঝড় ওঠে।
সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেন, সরকার গত দুই মাসে কী কাজ করেছে তা তাদের কার্যকলাপেই ফুটে উঠেছে। তারা জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করছে না, গণভোটকে অস্বীকার করছে। আমাদের বোধগম্য হচ্ছে না যে কেন বিএনপি এ কাজটা করল?’ এখন বর্তমান বিএনপি সরকার যে সিদ্ধান্তগুলো নিচ্ছে, তাতে বুঝাই যাচ্ছে, তারা অতীত থেকে অবশ্যই শিক্ষা নেয়নি।
বিএনপি নেতৃতাধীন সরকারের সমালোচনা করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। দুর্নীতিবিরোধী এ সংস্থাটি বলছে, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, মানবাধিকার, দুর্নীতি দমন এবং গুম প্রতিরোধের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে সরকারের সিদ্ধান্ত পেছনে হাঁটার ইঙ্গিত এবং সরকারের প্রতি আস্থা রাখা কঠিন হয়ে যাচ্ছে। সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, সরকার বিচার বিভাগের স্বাধীনতাসংক্রান্ত তিনটি অধ্যাদেশকে রহিত করার মাধ্যমে বিচার বিভাগের স্বাধীনতার বিষয়টি একেবারেই বাতিলের খাতায় ফেলে দেয়ার ঝুঁকি সৃষ্টি করেছে। পুলিশ কমিশনকে অধিকতর সরকারি নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করার বিধান সংযুক্ত করে বিল আকারে পাস করার সরকারি সিদ্ধান্ত হতাশাজনক। ইফতেখারুজ্জামান আশা প্রকাশ করে বলেন, বিএনপি অতীতে নিজেদের অনাচারের শিকার হওয়ার অভিজ্ঞতা এবং দীর্ঘদিনের ত্যাগকে স্মরণে রেখে বিচার বিভাগ, মানবাধিকার কমিশন ও দুদকের পরিপূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিতে তাদের নিজস্ব অঙ্গীকার অনুযায়ী অগ্রসর হবে।
সরকারের কার্যক্রম তুলে ধরতে গিয়ে গত ১৬ এপ্রিল রাষ্ট্রীয় এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, জনগণের রায়ে আমরা রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পাওয়ার আগেই আমরা বিস্তারিতভাবে দেশের জনগণের সামনে দলীয় ইশতেহার ঘোষণা করেছিলাম। আঙুলে ভোটের কালি শুকানোর আগেই আমরা ইশতেহার বাস্তবায়ন শুরু করেছি। রাষ্ট্র মেরামতের অঙ্গীকার নিয়ে আমরা প্রকাশ্যে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য স্বাক্ষর করেছিলাম। জনগণ আমাদের প্রতিটি অঙ্গীকারের পক্ষে সমর্থন জানিয়েছে। আমরা ইতোমধ্যেই জনগণের সামনে দেয়া অঙ্গীকার বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছি। আমরা দলীয় ইশতেহার ও স্বাক্ষরিত জুলাই সনদের প্রতিটি দফার প্রতি অঙ্গীকার অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করব।
বিরোধী দলগুলোর পক্ষ থেকে সরকারের প্রথম দুই মাসকে ‘মধুচন্দ্রিমা’ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বাম গণতান্ত্রিক জোটের একজন নেতা বলেন, বিএনপি গণতান্ত্রিক ম্যান্ডেট নিয়ে এসেছে ঠিকই, কিন্তু সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারের পাশাপাশি দ্রব্যমূল্য কমানোর যে অঙ্গীকার তারা করেছিল, তার প্রতিফলন এখনো বাজারে দেখা যাচ্ছে না। সংসদের বিরোধী দল বলছে, সরকার জুলাই চেতনার সাথে প্রতারণা করেছে। কিন্তু জুলাইয়ের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে তারা পার পাবে না। গণভোটের রায়ের মাধ্যমে পাওয়া গণরায়ে এই জুলাইয়ের আকাক্সক্ষা বাস্তবায়ন হবে। তার জন্য প্রয়োজনে আবার জীবন দেবো। দেশে আন্দোলন শুরু হয়ে গেছে এবং এ আন্দোলন তিলে তিলে সফলতার দিকে নিয়ে যেতে হবে।
রাজনৈতিক বোদ্ধারা বলছেন, দুই মাসে কোনো সরকারের জনপ্রিয়তা বা ব্যর্থতা যাছাই করা সম্ভব না। তবে মব ভায়োলেন্স দমন, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ওপরই নির্ভর করবে এই সরকারের আগামী দিনের জনপ্রিয়তা। জনগণ এখন তাকিয়ে আছে সরকারের ‘শত দিনের’ কর্মসূচির দিকে, যেখানে হয়তো আরো বড় কোনো নীতিগত পরিবর্তনের প্রতিফলন দেখা যাবে।



