দিদার উল আলম
জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করার অভিজ্ঞতা কমবেশি আমাদের সবারই আছে। বলা যায়, আমরা সবাই প্রতিযোগী। দুনিয়ার ধ্বংসশীল ও ক্ষণস্থায়ী সুযোগ-সুবিধা, আরাম আয়েশের জন্য, সুখ-শান্তি ও নিয়ামতের জন্য হরহামেশা প্রতিযোগিতা হচ্ছে। তবে এ ক্ষেত্রে আমাদের স্রষ্টা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা আমাদেরকে যে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য আদেশ দিয়েছেন, সে প্রতিযোগিতাই কিন্তু আসল প্রতিযোগিতা এবং আমাদেরকে আসল প্রতিযোগিতায়ও অংশগ্রহণের ব্যাপারে মনোযোগী হতে হবে, আসল প্রতিযোগিতায়ও প্রতিযোগী হতে হবে। কুরআনুল কারিমে আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে জান্নাতের নিয়ামতরাজির জন্য প্রতিযোগিতা করার আদেশ দিয়েছেন, আর তা হলো-
১. ‘তোমরা তোমাদের রবের পক্ষ থেকে ক্ষমা ও সেই জান্নাতের দিকে প্রতিযোগিতায় অবতীর্ণ হও, যার প্রশস্ততা আসমান ও জমিনের প্রশস্ততার মতো।’ (সূরা হাদিদ-২১)
২. ‘তোমরা কল্যাণকর্মে প্রতিযোগিতা করো।’ (সূরা বাকারা-১৪৮)
৩. ‘প্রতিযোগিতাকারীদের উচিত এ বিষয়ে (জান্নাতের নিয়ামতরাজির বিষয়ে) প্রতিযোগিতা করা।’ (সূরা মুতাফফিফিন-২৬)
৪. ‘নিশ্চয়ই এটি মহাসাফল্য। এরূপ সাফল্যের জন্যই আমলকারীদের আমল করা উচিত’ (সূরা সফফাত-৬০, ৬১)
৫. ‘আর তোমরা দ্রুত অগ্রসর হও তোমাদের রবের পক্ষ থেকে মাগফিরাত ও জান্নাতের দিকে, যার পরিধি আসমানসমূহ ও জমিনের সমান, যা মুত্তাকিদের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে।’ (সূরা আলে ইমরান-১৩৩)
লেখক : শিক্ষাবিদ ও সাংবাদিক



