এস এম রহমান পটিয়া-চন্দনাইশ (চট্টগ্রাম)
- চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ-উড়িরচর ও নোয়াখালী-উড়িরচর ক্রসড্যাম প্রকল্প
- দুই প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় হবে ১,৪৮২ কোটি টাকা, ভূমি উদ্ধার হবে ২০ থেকে ৩৫ হাজার হেক্টর
বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (বাপাউবো) চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ-উড়িরচর প্রকল্প ও নোয়াখালী-উড়িরচর ক্রসড্যাম নির্মাণ প্রকল্প নিয়ে নতুন করে আশার আলো দেখছেন তিন উপজেলার কয়েক লাখ মানুষ। প্রকল্প দু’টি বাস্তবায়নে ব্যয় হবে প্রায় এক হাজার ৪৮২ কোটি টাকা। প্রকল্প দু’টি বাস্তবায়িত হলে বঙ্গোপসাগর ও মেঘনা নদীবেষ্টিত চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ এবং নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ ও সুবর্ণচর উপজেলা স্থায়ীভাবে উপকূলীয় ঝুঁকি থেকে সুরক্ষিত হবে। পাশাপাশি বিস্তীর্ণ উপকূল সুরক্ষার পাশাপাশি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ২০ হাজার থেকে ৩৫ হাজার হেক্টর ভূমি উদ্ধার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
ইতোমধ্যে নোয়াখালী-উড়িরচর ক্রসড্যাম নির্মাণকাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চললেও চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার উত্তর সন্দ্বীপে নবসৃষ্ট ভূমি উন্নয়ন এবং দক্ষিণ উড়িরচরে ভাঙনের ফলে ভূমিহ্রাস রোধ প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে এখনো কোনো সুখবর নেই।
৫৮৮ কোটি ৯৪ লাখ টাকা ব্যয়ে নোয়াখালী-উড়িরচর প্রকল্পের আওতায় ২ দশমিক ৫০ কিলোমিটার ক্রসড্যাম নির্মাণ এবং ক্রসড্যামের সুবর্ণচর ও কোম্পানীগঞ্জ প্রান্তে ৩ দশমিক ৬০ মিটার উচ্চতার টাইবাঁধ নির্মাণের কাজ রয়েছে। ইতোমধ্যে প্রকল্পটির প্রায় ৪০ শতাংশ কাজ এগিয়েছে বলে জানিয়েছেন বাপাউবো নোয়াখালীর নির্বাহী প্রকৌশলী এস এম রেফাত জামিল।
অন্য দিকে প্রণয়নকৃত ‘সন্দ্বীপ উপজেলার উত্তর সন্দ্বীপে নবসৃষ্ট ভূমি উন্নয়ন এবং দক্ষিণ উড়িরচর ভাঙনের ফলে ভূমিহ্রাস রোধকরণ’ প্রকল্পে প্রাথমিকভাবে ব্যয় ধরা হয়েছিল ৭৯৩ কোটি ৫৭ লাখ টাকা।
প্রকল্পটির আওতায় ১০ দশমিক ২২ কিলোমিটার নতুন বেড়িবাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে পোল্ডার-৭২-এর বাইরে সন্দ্বীপের উত্তরে জেগে ওঠা দীর্ঘাপাড় ইউনিয়নের সমগ্র ভূমি উন্নয়ন, ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলার সক্ষমতা বৃদ্ধি, আবাদযোগ্য ও ব্যবহারযোগ্য ভূমির পরিমাণ বৃদ্ধি, প্রকল্প এলাকার বন্যা ব্যবস্থাপনা সুদৃঢ়করণ এবং উপকূলকেন্দ্রিক যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নের পরিকল্পনা করা হয়েছিল।
এ ছাড়া ৭ দশমিক ৩০ কিলোমিটার তীর সংরক্ষণকাজ বাস্তবায়নের মাধ্যমে উড়িরচর ইউনিয়নের দক্ষিণ উপকূলের বিস্তীর্ণ আবাদি কৃষিজমি, সরকারি-বেসরকারি স্থাপনা এবং স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ রক্ষার পরিকল্পনা রয়েছে। তিনটি রেগুলেটর নির্মাণ এবং ১৩ দশমিক ১১ কিলোমিটার খাল খনন ও পুনঃখননের মাধ্যমে সমুদ্রের লবণাক্ত পানি প্রবেশ রোধ, আবাদি কৃষিজমিতে সেচসুবিধা বৃদ্ধি এবং নিষ্কাশনব্যবস্থার উন্নয়নও প্রকল্পটির অন্যতম লক্ষ্য।
ভূমি উদ্ধারের সম্ভাবনা : উড়িরচর-নোয়াখালী ক্রসড্যাম নির্মাণের ফলে প্রধানত নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ ও সুবর্ণচর উপজেলা এবং চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার মানুষ সরাসরি উপকৃত হবে। ক্রসড্যামটি বাস্তবায়িত হলে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় দুই লাখ মানুষ নতুন করে উপকৃত হবেন।
বিশেষ করে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চর এলাহী ইউনিয়ন- যা ক্রসড্যামের নোয়াখালী প্রান্তের মূল সংযোগস্থল- চর মুছাপুর ইউনিয়ন, নোয়াখালী জেলার সুবর্ণচর উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন ও চর ক্লার্ক ইউনিয়ন এবং চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার উড়িরচর ইউনিয়নের মানুষ এর সুফল পাবেন।
এই ক্রসড্যাম বা বাঁধ নির্মাণের ফলে প্রাথমিকভাবে প্রায় ১০ হাজার থেকে ১৮ হাজার হেক্টর নতুন ভূমি সমুদ্র থেকে উদ্ধার হবে বলে আশা করা হচ্ছে। দীর্ঘমেয়াদে এই ভূমির পরিমাণ ৩৬ হাজার হেক্টরে পৌঁছাতে পারে। ভবিষ্যতে এ বাঁধের মাধ্যমে উড়িরচর ও সন্দ্বীপের সাথে নোয়াখালীর মূল ভূখণ্ডের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপিত হবে বলেও প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
নোয়াখালীর সাথে ছিল সন্দ্বীপের যোগাযোগ : সূত্র জানায়, চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলা অতীতে নোয়াখালী জেলার সাথে সংযুক্ত ছিল। মেঘনা নদীর ভাঙনের ফলে দ্বীপটি নোয়াখালী থেকে বহুদূরে সরে গিয়ে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়লে পরবর্তীতে এটি চট্টগ্রামের সাথে যুক্ত হয়।
উনিশ শতকের শুরু থেকে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ ও সন্দ্বীপের মধ্যবর্তী স্থানে বিশালাকার চরাঞ্চল জেগে ওঠে, যা ‘উড়িরচর’ নামে পরিচিতি লাভ করে।
বাপাউবো সূত্র জানায়, দক্ষিণের সমুদ্রবক্ষের ভূমি উদ্ধার, সন্দ্বীপের ভাঙন রোধ এবং দেশের মূল ভূখণ্ডের সাথে দ্বীপটিকে যুক্ত করতে ১৯৬৬ সালে সরকার কোম্পানীগঞ্জ থেকে উড়িরচর হয়ে সন্দ্বীপ পর্যন্ত ক্রসড্যাম নির্মাণের প্রকল্প গ্রহণ করেছিল।
পরবর্তীতে বাংলাদেশ সরকারের অনুরোধে নেদারল্যান্ডসের একটি বিশেষজ্ঞ দল আবার জরিপ করে ভূমি উদ্ধার ও নদীর মোহনা নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে প্রকল্প প্রস্তাব দেয়। ১৯৭৫ সালে এ প্রকল্প বাস্তবায়নে বাংলাদেশ ও নেদারল্যান্ডসের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় বলে জানা গেছে। প্রকল্পে ডাচ কারিগরি সহায়তার জন্য ১৯৭৭ সালে আরো একটি চুক্তি সম্পাদিত হয়।
পরবর্তীতে ১৯৮২ সালে বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে নেদারল্যান্ডসের একটি জরিপ জাহাজ সন্দ্বীপ, চট্টগ্রাম ও নোয়াখালীর দক্ষিণের সমুদ্রসীমায় জরিপ চালিয়ে ভূমি উদ্ধারে ক্রসড্যাম নির্মাণের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে। ১৯৮৪ সালে নোয়াখালী-সন্দ্বীপ ক্রসড্যামের চূড়ান্ত জরিপ সম্পন্ন হয় এবং ১৯৮৭ সালে ডাচ বিশেষজ্ঞরা চূড়ান্ত প্রতিবেদন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে জমা দেন। প্রস্তাবনা অনুযায়ী প্রকল্পটি ১৯৮৮ সালে শুরু হয়ে ১৯৯২ সালে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তা বাস্তবায়িত হয়নি।
জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবেলায় নতুন উদ্যোগ : জলবায়ুজনিত ঝুঁকি মোকাবেলায় পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় নানামুখী কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় বঙ্গোপসাগরবেষ্টিত দ্বীপ উপজেলা সন্দ্বীপকে সুরক্ষায় একটি নতুন প্রকল্প প্রণয়ন করা হয়। প্রাথমিকভাবে প্রকল্পটির সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছিল প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা।
প্রকল্পটি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ ট্রাস্টি প্রতিষ্ঠান ইনস্টিটিউট অব ওয়াটার মডেলিং-কে (আইডব্লিউএম) হাইড্রোলজিক্যাল অ্যান্ড মরফোলজিক্যাল মডেল স্টাডি এবং সেন্টার ফর এনভায়রনমেন্টাল অ্যান্ড জিওগ্রাফিক ইনফরমেশন সার্ভিসেস-কে (সিইজিআইএস) পরিবেশগত ও সামাজিক প্রভাব নিরূপণের (ঊঝওঅ) দায়িত্ব দেয়া হয়। সংশ্লিষ্ট দুই প্রতিষ্ঠান সমীক্ষা সম্পন্ন করে। ওই সমীক্ষার আলোকে বর্তমানে বিষয়টিকে প্রাধান্য দিয়ে ২০২৩ সালের ১৮ জুলাই অনুষ্ঠিত একনেকের সভায় বাপাউবোর ৫৬২ কোটি ২১ লাখ টাকার প্রথম প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে।
সম্পাদিত সমীক্ষা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সন্দ্বীপের পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রধানত অভ্যন্তরীণ খালের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। দ্বীপের বিভিন্ন অংশে বাঁধের উচ্চতাও পর্যাপ্ত নয়। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে সন্দ্বীপ সরাসরি সমুদ্রের সংস্পর্শে থাকায় এলাকাটি ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসপ্রবণ।
১৯৯১ সালের ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ে ঘণ্টায় প্রায় ২২৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস বয়ে যায় এবং দ্বীপটির প্রায় ৮০ শতাংশ বসতবাড়ি বিধ্বস্ত হয়। ওই ঘূর্ণিঝড়ে উপজেলায় প্রায় ৪০ হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছিলেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
জলবায়ুজনিত ঝুঁকি মোকাবেলায় সম্পাদিত সমীক্ষায় বলা হয়েছে, বর্তমানে ঘূর্ণিঝড়ের সময় বাঁধের অভ্যন্তরে বন্যার পানির সর্বোচ্চ গভীরতা ৩ থেকে ৩ দশমিক ৫ মিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাওয়ায় ২০৫০ সালের মধ্যে ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের সময় বন্যার পানির সর্বোচ্চ গভীরতা বেড়ে ৪ থেকে ৫ মিটার পর্যন্ত হতে পারে।
সন্দ্বীপের ৫৫ কিলোমিটার বেড়িবাঁধের মধ্যে ৪৫ দশমিক ৩৪ কিলোমিটার বাঁধের উচ্চতা ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস প্রতিরোধের জন্য পর্যাপ্ত নয় বলেও সমীক্ষায় উল্লেখ করা হয়েছে।
সমীক্ষায় যেসব কাজের সুপারিশ : সমীক্ষাটির উদ্দেশ্য ছিল সামগ্রিক কারিগরি, পরিবেশগত ও সামাজিক বিবেচনায় সন্দ্বীপ ও উড়িরচরের উপকূলীয় বেড়িবাঁধ শক্তিশালীকরণ, নিষ্কাশনব্যবস্থার উন্নয়ন, তীর প্রতিরক্ষা, লবণাক্ত পানির অনুপ্রবেশ রোধ এবং ভূমি পুনরুদ্ধারের জন্য একটি সমন্বিত পরিকল্পনা প্রণয়ন করা।
সমীক্ষা প্রতিবেদনে বাঁধের ঢাল সুরক্ষা কাজ ২৯ দশমিক ৬৪ কিলোমিটার, বাঁধ পুনঃআকৃতিকরণ ৪৫ দশমিক ৩৪ কিলোমিটার, সিল্ট অ্যাক্সিলারেটর নির্মাণ ১ দশমিক ৫ কিলোমিটার, পোল্ডার-৭২-এর ড্রেনেজ খাল পুনঃখনন ১৯ দশমিক ১৮ কিলোমিটার (সাতটি খালে), পোল্ডার-৭২-এ নতুন রেগুলেটর নির্মাণ দু’টি এবং বিদ্যমান রেগুলেটর মেরামত সাতটির সুপারিশ করা হয়েছে।
এ ছাড়া ৩২ দশমিক ৩ কিলোমিটার এলাকায় ম্যানগ্রোভ বনায়ন, পোল্ডার-৭২-এর উত্তর দিকে ১০ দশমিক ২২ কিলোমিটার নতুন বাঁধ নির্মাণ, উত্তর দিকে তিনটি খালের ৬ দশমিক ৮ কিলোমিটার পুনঃখনন, দু’টি নতুন খাল খনন এবং তিনটি রেগুলেটর নির্মাণের প্রস্তাব রয়েছে। পাশাপাশি উড়িরচরের তীর সংরক্ষণে ৭ দশমিক ৩০ কিলোমিটার কাজের প্রস্তাব করা হয়েছে।
সমীক্ষা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সমগ্র প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে ঘূর্ণিঝড়ের হাত থেকে সন্দ্বীপ সুরক্ষিত হবে, জলাবদ্ধতা দূর হবে এবং নদীভাঙনের হাত থেকে সন্দ্বীপের একটি বড় অংশের অবকাঠামো ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকা রক্ষা পাবে। প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে এলাকায় ফসল উৎপাদন ও মাছ চাষ বৃদ্ধি, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নয়ন হবে।
এ ছাড়া সন্দ্বীপের উত্তর অংশে বেড়িবাঁধ নির্মাণের ফলে প্রায় ১৩ বর্গকিলোমিটার এলাকা জলোচ্ছ্বাসের হাত থেকে রক্ষা পাবে। একই সাথে ৮৫০টি পরিবার এবং তিনটি আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা ৩৯০টি পরিবার প্রাকৃতিক দুর্যোগের হাত থেকে সুরক্ষিত থাকবে বলে সমীক্ষা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছিল। ওই সমীক্ষার আলোকেই পরবর্তীতে নতুন প্রকল্প প্রণয়ন করা হয়। প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছিল ৭৯৩ কোটি ৫৭ লাখ টাকা।
নোয়াখালী প্রকল্পের পর নতুন করে সমীক্ষা : যোগাযোগ করা হলে বাপাউবো চট্টগ্রাম ডিভিশন-২-এর নির্বাহী প্রকৌশলী ড. তানজির সাইফ আহমেদ বলেন, বর্তমানে নোয়াখালী-উড়িরচর ক্রসড্যাম নির্মাণকাজ চলছে। প্রকল্পটির কাজ শেষ হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী সন্দ্বীপের প্রকল্পটি নতুন করে সমীক্ষা করে প্রণয়ন করা হবে। তিনি নয়া দিগন্তকে বলেন, ‘নোয়াখালী-উড়িরচর ক্রসড্যাম প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হওয়ার পরই পরবর্তী কার্যক্রমের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’



