নিজস্ব প্রতিবেদক
জাতীয় প্রেস ক্লাবের বার্ষিক সাধারণ সভায় ‘সাক্ষী সুরক্ষা আইন’ বাস্তবায়নসহ সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও পেশাগত স্বার্থ রক্ষায় একাধিক প্রস্তাব গৃহীত হয়।
গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে জাতীয় প্রেস ক্লাবের এই বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রেস ক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব ভুঁইয়া।
সভার শুরুতে পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত করা হয়। এরপর গত এক বছরে মরহুম সদস্যদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় এক মিনিট নীরবতা পালন ও মোনাজাত করা হয়।
বার্ষিক সাধারণ সভায় সাধারণ সম্পাদকের প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন আইয়ুব ভুঁইয়া। কোষাধ্যক্ষ বখতিয়ার রানা এক বছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব প্রতিবেদন পেশ করেন। পরে সভাপতি হাসান হাফিজ উপস্থিত সদস্যদের সাধারণ সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষের প্রতিবেদনের ওপর মতামত ও বক্তব্য প্রদানের আহ্বান জানান।
সাধারণ সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষের প্রতিবেদনের ওপর আলোচনায় অংশ নেন মোট ২৮ জন সদস্য।
তারা হলেন- মীর লুৎফুল কবীর সাদী, ডিএম আমিরুল ইসলাম অমর, কাজিম রেজা, আহমেদ করিম, সৈয়দ আলী আসফার, এম মোশাররফ হোসাইন, এম এ আজিজ, খন্দকার আলমগীর হোসাইন, মঞ্জুরুল ইসলাম, আবদুল আউয়াল ঠাকুর, বাবুল তালুকদার, নূরুল হাসান খান, মোশাররফ হোসেন ইউসুফ, বাছির জামাল, শাহীন হাসনাত, দেলোয়ার হাসান, মো: মোদাব্বের হোসেন, সাঈদুল হোসেন সাহেদ, মুরসালিন নোমানী, বুলবুল আহমেদ, মো: এমরান হোসেন, শান্তা মারিয়া, নাঈম-উল-করিম, খন্দকার হাসনাত করিম, শাহীন চৌধুরী, মুহাম্মদ বাকের হোসাইন, খুরশীদ আলম ও মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম।
সভায় ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কাজী রওনাক হোসেন, শাহনাজ বেগম পলি, সৈয়দ আবদাল আহমদ, মোহাম্মদ মোমিন হোসেন, কাদের গনি চৌধুরী, আবদুল হাই শিকদার, মাসুমুর রহমান খলিলী ও এ কে এম মহসীন।
সভায় ঈদের পর সুবিধাজনক সময়ে নির্বাচন আয়োজন, নতুন সদস্যপদ প্রদানের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সংখ্যা নির্ধারণ, ভোটাধিকার প্রদানের জন্য প্রবেশন পিরিয়ড এক বছরের পরিবর্তে ছয় মাস করা এবং অগঠনতান্ত্রিকভাবে প্রেস ক্লাব দখল ও শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে ইতোমধ্যে সদস্যপদ স্থগিত থাকা ইলিয়াস খান ও সরদার ফরিদ আহমদকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।
এ ছাড়া সভায় ‘সাক্ষী সুরক্ষা আইন’ বাস্তবায়নসহ সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও পেশাগত স্বার্থ রক্ষায় একাধিক প্রস্তাব উত্থাপিত হয়।
সভাপতি হাসান হাফিজ সদস্যদের উত্থাপিত প্রস্তাবগুলো গুরুত্বসহকারে বিবেচনা ও বাস্তবায়নের আশ্বাস দিয়ে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করেন।


