ক্রীড়া ডেস্ক
দক্ষিণ আফ্রিকার প্রতিপক্ষ দক্ষিণ কোরিয়া। গ্রুপ ‘এ’-এর শেষ রাউন্ডে মুখোমুখি এ ম্যাচটি দুই দলের জন্যই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ নকআউট পর্বে ওঠার আশা বাঁচিয়ে রাখতে জয় ছাড়া অন্য কোনো ফলই যথেষ্ট নয় দুই দলের সামনে। ফলে এই ম্যাচে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বাংলাদেশ সময় কাল সকাল ৭টায় মেক্সিকোর গুয়াদালাহারায় অনুষ্ঠিত হবে।
দুই ম্যাচ শেষে দক্ষিণ কোরিয়ার সংগ্রহ তিন পয়েন্ট। প্রথম ম্যাচে চেকিয়ার বিপক্ষে ২-১ গোলের দারুণ জয় দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করেছিল তারা। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে মেক্সিকোর কাছে ১-০ গোলে হেরে কিছুটা চাপে পড়ে যায় এশিয়ার অন্যতম শক্তিশালী দলটি। অন্য দিকে দক্ষিণ আফ্রিকার অবস্থা আরো কঠিন। প্রথম ম্যাচে মেক্সিকোর কাছে ২-০ গোলে পরাজয়ের পর দ্বিতীয় ম্যাচে চেকিয়ার সাথে ১-১ গোলে ড্র করে তারা মাত্র এক পয়েন্ট অর্জন করেছে। ফলে শেষ ম্যাচে জয় ছাড়া তাদের সামনে কোনো পথ নেই।
দক্ষিণ কোরিয়ার সবচেয়ে বড় শক্তি তাদের গতি ও সংগঠিত আক্রমণ। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এশিয়ার এই দলটি টেকনিক্যাল ফুটবল, দ্রুত পাসিং এবং উচ্চ গতির ট্রানজিশনের জন্য পরিচিত। প্রথম ম্যাচে চেকিয়ার বিপক্ষে তাদের পারফরম্যান্স ছিল আত্মবিশ্বাসী ও আক্রমণাত্মক। উইং দিয়ে আক্রমণ গড়ে তোলা এবং প্রতিপক্ষের ডিফেন্সের পেছনের জায়গা কাজে লাগানোর ক্ষেত্রে তারা বেশ দক্ষ। তবে মেক্সিকোর বিপক্ষে ম্যাচে দক্ষিণ কোরিয়ার কিছু দুর্বলতাও সামনে এসেছে। বলের দখল থাকলেও তারা আক্রমণের শেষ মুহূর্তে যথেষ্ট কার্যকর হতে পারেনি। গোলের সুযোগ তৈরি করলেও ফিনিশিংয়ে ঘাটতি ছিল। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সেই ভুলগুলো শুধরে নিতে হবে। কারণ এই ম্যাচে পয়েন্ট হারালে তাদের নকআউট স্বপ্ন বড় ধাক্কা খেতে পারে।
অন্য দিকে দক্ষিণ আফ্রিকা এই বিশ্বকাপে এখনো জয়ের মুখ দেখেনি। তবে তাদের পারফরম্যান্স শুধু ফলাফল দিয়ে বিচার করলে ভুল হবে। চেকিয়ার বিপক্ষে তারা লড়াই করে একটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট আদায় করেছে। বিশেষ করে রক্ষণভাগের দৃঢ়তা এবং শারীরিক ফুটবলের মাধ্যমে প্রতিপক্ষকে চাপে রাখার সক্ষমতা তারা দেখিয়েছে।



