বঙ্গোপসাগরে ট্রলার দুর্ঘটনায় ২১ জেলে উদ্ধার, নিখোঁজ ৫

Printed Edition

নয়া দিগন্ত ডেস্ক

বঙ্গোপসাগরে বৈরী আবহাওয়া ও প্রচণ্ড ঢেউয়ের কবলে পড়ে পৃথক দু’টি দুর্ঘটনায় ট্রলারডুবি ও ইঞ্জিন বিকল হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। কোস্টগার্ড ও স্থানীয় জেলেদের তৎপরতায় মোট ২১ জন জেলেকে জীবিত উদ্ধার করা হলেও এখনো নিখোঁজ রয়েছেন পাঁচজন। উদ্ধার পাওয়া জেলেদের প্রাথমিক চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় খাবার দেয়া হয়েছে।

বরগুনা প্রতিনিধি জানান, বঙ্গোপসাগরে বৈরী আবহাওয়া ও প্রচণ্ড ঢেউয়ের তোড়ে ১৪ জন জেলেসহ ‘এফবি বরকত’ নামের একটি মাছ ধরার ট্রলার ডুবে গেছে। গত সোমবার বিকেলে কুয়াকাটা উপকূল থেকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার দূরে গভীর সমুদ্রে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে ৯ জেলেকে উদ্ধার করা গেলেও শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত নিখোঁজ রয়েছেন আরো পাঁচজন। ক্ষতিগ্রস্ত ট্রলারটির মালিক বরগুনার পাথরঘাটার বাসিন্দা আশরাফ কোম্পানি।

জেলা ট্রলার মালিক সমিতি জানায়, তিন দিন আগে পাথরঘাটা থেকে ট্রলারটি সাগরে রওনা হয়েছিল। সাগরে প্রচণ্ড ঢেউয়ের কবলে পড়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একপর্যায়ে তা ডুবে যায়। পরে পাশে থাকা অন্য একটি ট্রলার ভাসমান ৯ জেলেকে উদ্ধার করে খবর দেয়। জেলা ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী জানান, নিখোঁজ ৫ জেলেকে উদ্ধারে মালিক সমিতির পক্ষ থেকে সাগরে তল্লাশি অভিযান জোরদার করা হয়েছে।

মোংলা প্রতিনিধি জানান, গভীর সমুদ্রে ফিশিং ট্রলারের ইঞ্জিন বিকল হয়ে ভাসতে থাকা ১২ জেলেকে জীবিত উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড। কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা সাব্বির আলম সুজন জানান, গত রোববার রাতে সুন্দরবনের দুবলার চর থেকে ১২ নটিক্যাল মাইল দক্ষিণে ‘এফভি মায়ের দোয়া’ ট্রলারটির ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়। পরদিন ২৪ আগস্ট এক জেলে বোট মালিককে বিষয়টি জানালে মালিক কোস্টগার্ডের জরুরি সেবা নম্বরে কল করেন। কোস্টগার্ড স্টেশন দুবলা দ্রুত অভিযান চালিয়ে বিকল বোটসহ ১২ জেলেকে উদ্ধার করে। তাদের চিকিৎসা প্রদানসহ ট্রলারটি মালিকপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।