সরকারের ১৮০ দিন পূর্ণ হয়েছে আজ। এই সময়ে অর্থনীতি ও আর্থিক খাতের সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষার জায়গাগুলোর একটি ছিল ব্যাংকিং খাত। আওয়ামী আমলে এস আলম, নজরুল ইসলাম মজুমদার, শিকদার গ্রুপ, বেক্সিমকোগ্রুপসহ অলিগার্ক শ্রেণীর মাধ্যমে ব্যাংক লুপাটে সৃষ্ট অচলাবস্থা, রাজনৈতিক প্রভাব, পরিচালকদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট ঋণ, খেলাপি ঋণের পাহাড়, মূলধন ঘাটতি, দুর্বল তদারকি এবং আমানতকারীদের আস্থার সঙ্কট- সবমিলিয়ে ব্যাংকিং খাত এমন এক অবস্থায় পৌঁছেছে, যেখানে শুধু নতুন নীতিমালা জারি করে পরিস্থিতি সামাল দেয়া সম্ভব নয়। বাস্তবতা হলো, গত ১৮০ দিনে ব্যাংকিং খাতে গুরুত্বপূর্ণ কাঠামোগত সংস্কারের সূচনা হয়েছে, কয়েকটি আইন কার্যকর হয়েছে, দুর্বল ব্যাংক পুনর্গঠন ও একীভূতকরণের উদ্যোগ এগিয়েছে এবং আমানত সুরক্ষার কাঠামো শক্তিশালী হয়েছে। কিন্তু এর বিপরীতে খেলাপি ঋণ কমেনি, দুর্বল ব্যাংকের প্রকৃত আর্থিক ক্ষতি পুরোপুরি নিরূপণ হয়নি এবং ব্যাংকগুলোর মূলধন ঘাটতিও কাটেনি। খেলাপি ঋণ এখনো বিপজ্জনক উচ্চতায় রয়েছে, মূলধন ঘাটতি প্রকট, বহু ব্যাংকের সম্পদের প্রকৃত মূল্য নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে, অর্থ উদ্ধারের প্রক্রিয়া দীর্ঘ ও জটিল অবস্থায় রয়েছে। ফলে সংস্কারের সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখন-আইন ও কাঠামো পরিবর্তনের পর বাস্তবে ব্যাংকের ব্যালান্সশিট কতটা পরিষ্কার হচ্ছে?
সবচেয়ে বড় পরিবর্তন ব্যাংক রেজল্যুশন আইনে
গত ১০ এপ্রিল জাতীয় সংসদে ব্যাংক রেজুল্যুশন আইন, ২০২৬ পাস হয়েছে। এর মাধ্যমে আর্থিকভাবে দুর্বল ব্যাংকের পুনর্গঠন, অধিগ্রহণ, পুনঃমূলধনীকরণ কিংবা রেজল্যুশনের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের হাতে একটি আনুষ্ঠানিক আইনি কাঠামো এসেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব পর্যালোচনাতেও বলা হয়েছে, এই আইনের লক্ষ্য হলো দুর্বল ব্যাংকে দ্রুত হস্তক্ষেপ, আমানতকারীদের সুরক্ষা এবং বারবার সরকারি অর্থ দিয়ে ব্যাংক বাঁচানোর প্রবণতা কমানো। এর আগে ২০২৫ সালের ব্যাংক রেজুল্যুশন অডিন্যান্সের মাধ্যমে যে কাঠামো তৈরি হয়েছিল, নতুন আইন সেটিকে স্থায়ী আইনি ভিত্তি দিয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের অধীনে আলাদা ব্যাংক রেজুল্যুশন বিভাগ গঠনও করা হয়েছে। এটি নিঃসন্দেহে বড় সংস্কার। কারণ এতদিন দুর্বল ব্যাংককে টিকিয়ে রাখতে মূলত তারল্য সহায়তা, পুনঃতফসিল বা বিভিন্ন ধরনের নিয়ন্ত্রক ছাড়ের ওপর নির্ভরতা ছিল। এখন তাত্ত্বিকভাবে কোনো ব্যাংককে অকার্যকর অবস্থায় বছরের পর বছর রেখে না দিয়ে দ্রুত রেজল্যুশনে নেয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। তবে এখানেই বড় প্রশ্ন- আইন থাকলেই কি ব্যাংক উদ্ধার হবে? উত্তর হলো, না। রেজল্যুশনের জন্য প্রয়োজন সঠিক সম্পদের গুণগত মান নিশ্চিত করা, প্রকৃত মূলধনের হিসাব এবং রাজনৈতিক ও মালিকানাগত প্রভাবমুক্ত সিদ্ধান্ত।
পাঁচ ব্যাংকের একীভূতকরণ : সংস্কারের সবচেয়ে বড় পরীক্ষা
দুর্বল পাঁচটি শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংক একীভূত করে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক গঠন করা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, নতুন ব্যাংকটি ২০২৫ সালের ১ ডিসেম্বর তফসিলি ব্যাংক হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়। এর অনুমোদিত মূলধন ৪০ হাজার কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন ৩৫ হাজার কোটি টাকা; এর মধ্যে সরকারের মূলধন সংস্থান ২০ হাজার কোটি টাকা। কিন্তু একীভূতকরণ নিজেই কোনো সংস্কারের শেষ ধাপ নয়। বরং এটি শুরু। কারণ দুর্বল পাঁচটি ব্যাংকের সম্পদ ও দায় একত্র করলেই তাদের পুরনো অনিয়ম, খেলাপি ঋণ কিংবা সংশ্লিষ্ট পক্ষকে দেয়া ঋণ ভালো হয়ে যায় না। এই কারণে নতুন সরকারের সময় পাঁচ একীভূত ব্যাংকের বিনিয়োগ ও আর্থিক অনিয়ম নিয়ে বিশেষ ফরেনসিক অডিট শুরু হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, অনিয়মে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। এখানেই সংস্কারের বাস্তব সাফল্য নির্ভর করবে। শুধু ব্যাংক একীভূত করা নয়-কারা টাকা নিয়েছে, কত টাকা নিয়েছে, কোথায় গেছে এবং কত টাকা ফেরত আনা সম্ভব-তার উত্তর বের করতে হবে।
আমানতকারীর সুরক্ষায় বড় পরিবর্তন
গত ১০ এপ্রিল আমানত প্রতিরক্ষা আইন, ২০২৬-ও পাস হয়েছে। এটি ২০০০ সালের ব্যাংক আমানত বীমা আইনের পরিবর্তে নতুন কাঠামো তৈরি করেছে। আইনের আওতায় ব্যাংকের পাশাপাশি আর্থিক প্রতিষ্ঠানও এসেছে। সবচেয়ে আলোচিত পরিবর্তন হলো আমানত বিমার সীমা বাড়ানো। একজন আমানতকারীর সুরক্ষা সীমা এক লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে দুই লাখ টাকা করা হয়েছে। এটি ছোট আমানতকারীদের জন্য ইতিবাচক। বিশেষ করে কোনো ব্যাংক বন্ধ বা রেজল্যুশনে গেলে ক্ষুদ্র আমানতকারীদের আস্থার সুরক্ষা বাড়বে। তবে এটিও মনে রাখতে হবে- দুই লাখ টাকা পর্যন্ত আমানত সুরক্ষা বাড়ানো ব্যাংকের মূল সমস্যা সমাধান করে না। ব্যাংকের সুশাসন, ঋণ আদায় এবং মূলধন শক্তিশালী না হলে আমানত সুরক্ষা তহবিলের ওপরই ভবিষ্যতে চাপ বাড়বে।
খেলাপি ঋণই সবচেয়ে বড় অস্বস্তি
সংস্কারের সবচেয়ে দুর্বল জায়গা হচ্ছে খেলাপি ঋণ। বিশ্বব্যাংকের হিসাবে, ২০২৬ সালের মার্চ শেষে দেশের ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণের অনুপাত দাঁড়িয়েছে ৩২ দশমিক ৬ শতাংশ। একই সময়ে ব্যাংকিং খাতের ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের অনুপাত ২০২৫ সালের ডিসেম্বর শেষে ঋণাত্মক ২ দশমিক ৬ শতাংশ ছিল। এই দু’টি সংখ্যা দেখলেই বোঝা যায় সমস্যাটি কতটা গভীর। অবশ্য খেলাপি ঋণ বেড়ে যাওয়ার একটি কারণ হলো পুরনো ঋণের প্রকৃত অবস্থা প্রকাশ্যে আসা। আগের তুলনায় ঋণ শ্রেণিকরণ কঠোর করা হয়েছে। ২০২৪ সালের শেষ দিকে এবং ২০২৫ সালে নতুন শ্রেণিকরণ ও প্রভিশনিং ব্যবস্থা কার্যকর হওয়ায় বহু ঋণ নতুন করে খেলাপি হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। আইএমএফ বলছে, এর ফলে ২০২৪ সালের জুনে ১২ দশমিক ৬ শতাংশ থাকা খেলাপি ঋণের হার ডিসেম্বরেই ২০ দশমিক ২ শতাংশে উঠে যায়। অর্থাৎ খেলাপি ঋণ বৃদ্ধির একটি অংশকে সংস্কারের ব্যর্থতা না বলে আগের লুকানো ক্ষতি প্রকাশ পাওয়ার ফল হিসেবেও দেখতে হবে। কিন্তু এখানেই সংস্কারের দ্বিতীয় ধাপের প্রয়োজন- শুধু খেলাপি ঋণ চিহ্নিত করলেই হবে না, টাকা উদ্ধার করতে হবে।
ঝুঁকিভিত্তিক তদারকি
বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যাংক তদারকিতে রিস্ক বেইসড সুপারভিশন বা ঝুঁকিভিত্তিক তদারকি চালু করার পথে এগিয়েছে। এর মাধ্যমে সব ব্যাংককে একই পদ্ধতিতে দেখার পরিবর্তে কোন ব্যাংকে ঝুঁকি বেশি, কোন ব্যাংকে পরিচালনা দুর্বল এবং কোন ব্যাংকের সম্পদের মান খারাপ- তা বিবেচনায় নিয়ে তদারকি করার ব্যবস্থা তৈরি হচ্ছে। এটি প্রচলিত তদারকি ব্যবস্থার তুলনায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন। কারণ অতীতে অনেক ক্ষেত্রে কাগজপত্র ঠিক থাকলেই ব্যাংককে মোটামুটি সুস্থ ধরে নেয়া হতো। কিন্তু এখন ব্যাংকের ব্যবসায়িক মডেল, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, সম্পদের গুণগত মান এবং পরিচালনা কাঠামোকে বেশি গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।
অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণে নতুন কাঠামো
গত জুলাইয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক সব তফসিলি ব্যাংকের জন্য নতুন আন্তঃনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি বা আইসিএমএস নির্দেশিকা জারি করেছে। এটি ২০১৬ সালের পুরনো অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ও পরিপালন নির্দেশিকাকে প্রতিস্থাপন করেছে। নতুন কাঠামোতে ব্যাংকের নিজস্ব ঝুঁকি অনুযায়ী অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা শক্তিশালী করার ওপর জোর দেয়া হয়েছে। পূর্ণ বাস্তবায়নের সময়সীমা আগামী ৩১ ডিসেম্বর। ব্যাংকিং খাতে অনিয়মের বড় অংশই হয়েছে অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ দুর্বল থাকার কারণে। একই গ্রুপের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে ঋণ, ভুয়া কাগজপত্র, মূল্যায়ন ছাড়া সম্পত্তির বিপরীতে ঋণ কিংবা পরিচালকদের প্রভাব- এসব বন্ধ করতে কার্যকর অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ অপরিহার্য।
বাংলাদেশ ব্যাংক ২০২৭ সাল থেকে প্রত্যাশিত ঋণ ক্ষতি বা ইসিএল পদ্ধতিতে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এই ব্যবস্থায় ঋণ খেলাপি হওয়ার পর ক্ষতি হিসাব করার পরিবর্তে সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ ক্ষতির আগাম হিসাব করতে হবে। এটি ব্যাংকের জন্য বড় পরিবর্তন। কারণ এর ফলে অনেক ব্যাংককে আগেই বেশি মুনাফা থেকে খেলাপি ঋণের বিপরীতে বেশি প্রভিশন করতে হতে পারে। অর্থাৎ যে ব্যাংকের কাগজে লাভ দেখা যাচ্ছে, প্রকৃত ক্ষতির হিসাব করলে সেই লাভ কমে যেতে পারে কিংবা মূলধন ঘাটতি প্রকাশ পেতে পারে।
সংস্কারের সবচেয়ে বড় সীমাবদ্ধতা- সময়
১৮০ দিনে ব্যাংকিং খাতের কয়েক দশকের অনিয়ম দূর করা সম্ভব নয়। বরং সংস্কারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো সমস্যা লুকিয়ে না রেখে প্রকাশ করা। বিশ্বব্যাংকও বলছে, বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতে দুর্বল করপোরেট সুশাসন, নিয়ন্ত্রণ সংস্থার ওপর প্রভাব বিস্তার এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষকে ঋণ প্রদান বড় সমস্যা। ২০২৬ সালের মার্চে খেলাপি ঋণের হার ৩২ দশমিক ৬ শতাংশে পৌঁছানো এই সঙ্কটের গভীরতা দেখাচ্ছে। বিশ্বব্যাংক ব্যাংকিং খাত শক্তিশালী করতে ৪৫০ মিলিয়ন ডলারের আর্থিক খাত সহায়তা প্রকল্প-২ অনুমোদন করেছে। এর আওতায় আমানত সুরক্ষা, বাংলাদেশ ব্যাংকের তদারকি সক্ষমতা, জরুরি তারল্য সহায়তা, ব্যাংক পুনর্গঠন এবং রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের সংস্কারের ওপর জোর দেয়া হয়েছে।
তাহলে ১৮০ দিনের অর্জন কতটা?
বাস্তবতার বিচারে বলা যায়, সংস্কারের কাঠামো তৈরিতে অগ্রগতি হয়েছে, কিন্তু ব্যাংকিং খাতের আর্থিক স্বাস্থ্য এখনো বদলায়নি। এক দিকে ব্যাংক রেজল্যুশন আইন হয়েছে, আমানত সুরক্ষা আইন হয়েছে, দুর্বল ব্যাংক একীভূত হয়েছে, ফরেনসিক অডিট হচ্ছে, ঝুঁকিভিত্তিক তদারকি চালু হচ্ছে এবং অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণের নতুন কাঠামো এসেছে। অন্য দিকে খেলাপি ঋণ এখনো বিপজ্জনক উচ্চতায়, মূলধন ঘাটতি প্রকট, বহু ব্যাংকের সম্পদের প্রকৃত মূল্য নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে এবং অর্থ উদ্ধারের প্রক্রিয়া দীর্ঘ ও জটিল। ফলে ১৮০ দিনের সংস্কারকে ‘ব্যাংকিং খাতের সমস্যার সমাধান’ বলা যাবে না; বরং এটিকে ‘সমাধানের জন্য কাঠামো তৈরির প্রথম ধাপ’ বলা বেশি বাস্তবসম্মত।
সামনে তিনটি কঠিন পরীক্ষা
আগামী দিনে সরকারের জন্য তিনটি বিষয় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমত, খেলাপি ঋণ আদায়। শুধু ঋণ শ্রেণিকরণ নয়, অর্থ উদ্ধারের বাস্তব ফলাফল দেখাতে হবে। দ্বিতীয়ত, মূলধন ঘাটতি পূরণ। দুর্বল ব্যাংককে বাঁচাতে জনগণের করের টাকা কতটা ব্যবহার করা হবে এবং পুরনো মালিক ও পরিচালকদের দায় কতটা নির্ধারণ করা হবে- এ বিষয়ে স্পষ্ট নীতি দরকার। তৃতীয়ত, সুশাসন নিশ্চিত করা। নতুন পরিচালনা পর্ষদ বসালেই সংস্কার হয় না। ব্যাংকের মালিকানা, পরিচালক নির্বাচন, সংশ্লিষ্ট পক্ষকে ঋণ এবং রাজনৈতিক প্রভাব- সবকিছুর ওপর কার্যকর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে হবে। সর্বশেষে বলা যায়, সরকারের ১৮০ দিনে ব্যাংকিং খাতে নীতিগত ও আইনি সংস্কারের গতি বেড়েছে। কিন্তু এখন জনগণ আর নতুন আইন বা নতুন সার্কুলার দেখতে চায় না; তারা দেখতে চায় খেলাপি ঋণের টাকা ফেরত আসছে কি না, দুর্নীতির সাথে জড়িতরা শাস্তি পাচ্ছে কি না, দুর্বল ব্যাংকগুলো সুস্থ হচ্ছে কি না এবং আমানতকারীর অর্থ কতটা নিরাপদ হয়েছে। ব্যাংকিং খাতের প্রকৃত সংস্কারের মাপকাঠি তাই আইন কতটি হলো- তা নয়; বরং ব্যাংকের ব্যালান্সশিট কতটা পরিষ্কার হলো, টাকা কতটা উদ্ধার হলো এবং আমানতকারীর আস্থা কতটা ফিরল- সেটিই হবে আগামী ১৮০ দিনের সবচেয়ে বড় পরীক্ষা।



