মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হত্যার পরিকল্পনা করছে ইরান দীর্ঘ এক বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রকে এমন সতর্কবার্তা দিয়ে আসছে ইসরাইল। এই ঘটনাপ্রবাহে স্পষ্ট হয়ে ওঠে যে, ইরানের সামগ্রিক হুমকি নিয়ে ওয়াশিংটন ও তেল আবিবের মূল্যায়নে পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও ট্রাম্প প্রশাসনের নীতিনির্ধারণে ইসরাইলি গোয়েন্দা তথ্যের গভীর প্রভাব রয়েছে। যেমন চলতি বছরের শুরুতে মার্কিন গোয়েন্দারা ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করছে না বলে ফাপৎভঃঅ দিলেও, ইসরাইলের জোরালো দাবির মুখে গত ফেব্রুয়ারিতে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ও হামলায় জড়ানোর সিদ্ধান্তে এগিয় যান ট্রাম্প।
সর্বশেষ গত জুলাইয়ে তুরস্কের আঙ্কারায় অনুষ্ঠিত ন্যাটো সম্মেলন শেষে অত্যন্ত নাটকীয় ও গোপনীয় উপায়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে দেশ ছাড়তে সহায়তা করার পেছনেও ছিল এই গোয়েন্দা তথ্যের প্রভাব। তবে আঙ্কারায় অবস্থানকালে প্রাপ্ত এই তথ্যের সত্যতা ও নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ (ঈওঅ)-সহ যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা মহল গভীর সংশয় প্রকাশ করেছিল। গোয়েন্দারা এটিকে ‘খুবই নিম্নস্তরের’ বা কম বিশ্বাসযোগ্য হিসেবে বিবেচনা করেন, কারণ তথ্যের মূল উৎস ছিল ইসরাইল এবং যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব কোনো স্বাধীন প্রমাণ ছিল না। ন্যাটো সম্মেলনের স্বাগতিক দেশ তুরস্কের গোয়েন্দা সংস্থাও এই আশঙ্কার সপক্ষে কোনো তথ্য পায়নি। ইসরাইলি কর্মকর্তাদের দাবি অনুযায়ী, সম্ভাব্য হত্যাচেষ্টার মধ্যে ছিল স্নাইপার হামলা, জনসমাবেশে ছুরি নিয়ে আক্রমণ কিংবা কাঁধ থেকে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে প্রেসিডেন্টের উড়োজাহাজ ‘এয়ারফোর্স ওয়ানে’ হামলা চালানো।


