নিজস্ব প্রতিবেদক
সারা দেশে আজ সার্বিক তাপমাত্রা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা দুপুর পর্যন্ত থেকে যাবে। এর মধ্যেও দেখা যাবে সূর্যের মুখ। দুপুরের দিকে তাপমাত্রা ভারী জ্যাকেট পরিহিতদের ঘামিয়ে দিতে পারে। অন্য দিকে গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই দেশের ১৬ জেলায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছিল। আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, আজ শুক্রবার শৈত্যপ্রবাহ বয়ে চলেছে এমন কিছু কিছু জায়গা থেকে প্রশমিত হয়ে যাবে।
এবার শীতটা যেমন অনেক দেরিতে এসেছে তেমনি হঠাৎ করেই বেড়েছে শীতের মাত্রা। শৈত্যপ্রবাহের ক্ষেত্রে বলা যায় অন্যান্য বছরের তুলনায় কমই এসেছে। কিন্তু সারাদিন সূর্যালোক না থাকায় শীতের মাত্রা বাড়ার কারণ বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। আবহাওয়াবিদরা বলছেন, কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া নিম্ন তাপমাত্রা খুব বেশি নিচে নামেনি। শীত বেশি অনুভূত হওয়ার কারণ হলো দিনের বেলা তাপ বাড়তে না বাড়তেই কুয়াশায় ঢেকে যায় সূর্য। আবার ঠাণ্ডা হতে শুরু করে। সূর্যালোকহীন সময় বেশি হওয়ার কারণে মানুষের মধ্যে শীতের অনুভূতি বেশি।
কুয়াশার কারণে আজও বিমান পরিবহন, অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন এবং সড়ক যোগাযোগ ব্যাহত হতে পারে। তবে রাতের বেলা সড়ক যোগাযোগ অব্যাহত থাকলেও যান চলাচলের গতি বেশ কমে গেছে। নৌপরিবহনের গতি অর্ধেকের চেয়ে বেশি কমেছে। সড়কে মোটামোটি গতিতে গাড়ি চললে নদীতে কুয়াশা বেশি থাকায় খুবই ধীর গতিতে নৌযানগুলোকে চলতে হয়।
গতকাল দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৭.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস যশোরে। খুলনা, বরিশাল, রাজশাহী, রংপুর, সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগের নিম্ন তাপমাত্রা প্রায় একই রকম। এই বিভাগের প্রতিটি জেলায় রাতের বেলা স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করা বেশ কষ্টের। ১০ কিলোমিটার বেগের বাতাস রাতের বেলা বয়ে চললে ঠাণ্ডা হিম হয়ে যাওয়ার মতো অবস্থা হয়। গতকাল ঢাকার তাপমাত্রা ছিল যথাক্রমে ২৩.৭ ও ১৩.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দেশের সর্বোচ্চ তাপাত্রা রেকর্ড করা হয় টেকনাফে ২৬.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।



