শর্তসাপেক্ষে হাতির জামিন

Printed Edition

নয়া দিগন্ত ডেস্ক

হাতিকে গুড় খাওয়াতে গিয়ে হাতির পায়ে পিষ্ট হয়ে প্রাণ হারিয়েছিলেন ভারতের ইন্দোরের এক অটোচালক। সম্প্রতি সেই মামলায় ‘খুনি’ হাতিকে জামিন দিলো আদালত! তবে কারাবাস থেকে রেহাই মিলল না মাহুত ও হাতির মালিকের। তাদের জামিনের আবেদন খারিজ করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আদালত স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত হাতিটি এলাকা ছাড়তে পারবে না এবং বন বিভাগ তার প্রতিটি গতিবিধির ওপর নজর রাখবে।

সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, অটোচালক বিজয় হোলকারের মৃত্যুর পর ঘাতক হাতিটিকে শর্তসাপেক্ষে জামিনে মুক্তি দেয়া হয়েছে। জেলা ও দায়রা আদালতের আদেশ অনুযায়ী, হাতিটিকে আপাতত শহরেই নজরবন্দী করে রাখা হবে। সেটিকে সাধু-সন্তদের জিম্মায় রাখা হয়েছে। চূড়ান্ত আইনি সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত তাকে ইন্দোর ছাড়ার অনুমতি দেয়া হবে না। আদালত হাতিটির বিষয়ে বেশ কিছু শর্তও আরোপ করেছে। এটিকে শহর জুড়ে ঘোরানো, ধর্মীয় শোভাযাত্রা বা কোনো জনসমাবেশে উপস্থিত থাকার বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। যে কোনো অনভিপ্রেত ঘটনা এড়াতে বন বিভাগ এর গতিবিধির ওপর সর্বক্ষণ নজর রাখবে।

গত মাসের ২৫ তারিখে হাতিটিকে তার মাহুত রাস্তায় ঘোরাতে নিয়ে বেরোয়। হাতিটিকে গুড় খাওয়াতে গিয়েছিলেন ৪৯ বছরের বিজয়। হঠাৎ হাতিটি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। বিজয়কে শুঁড় দিয়ে পেঁচিয়ে ধরে। সজোরে মাটিতে ছুড়ে ফেলে দেয়। বিজয়কে ছুড়ে ফেলার পর হাতিটি তার বুকের ওপর পা তুলে দেয়। গুরুতর আহত হন প্রৌঢ়। আশপাশে থাকা লোকজন তাকে হাতির কবল থেকে মুক্ত করে দ্রুত জেলা হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।