বাগমারা (রাজশাহী) সংবাদদাতা
বাগমারার যোগীপাড়া ইউনিয়নের ভটখালী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা দিলরুবা শারমিন দীর্ঘ দুই বছর ধরে স্কুলে অনুপস্থিত থাকার পরও ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক অর্থের বিনিময়ে তাকে বকেয়া বেতনভাতাসহ চাকরিতে পুনঃবহালের চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে জেলা প্রশাসকের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়েছে। বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও রাজশাহী জজ কোর্টের অ্যাডভোকেট উজ্জল হোসেন অভিযোগটি করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ভটখালী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা দিলরুবা শারমিন ভৌত বিজ্ঞানে নিয়োগ প্রাপ্তির পর প্রায় দুই বছর ধরে স্কুলে অনুপস্থিত ছিলেন। এ কারণে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (বর্তমানে অবসরপ্রাপ্ত) আমিরুল ইসলাম তাকে একাধিকবার নোটিশ দিলেও তিনি চাকরি করবেন না মর্মে জানান। সম্প্রতি প্রধান শিক্ষক আমিরুল ইসলাম অবসর গ্রহণের পর বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জহুরুল ইসলাম মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে তাকে দুই বছরের ছুটি দেখিয়ে বকেয়া বেতনভাতাসহ চাকরি নিয়মিত করার জন্য চেষ্টা করছেন। গোপন চুক্তির প্রতিশ্রুতিতে দিলরুবা শারমিন এখন নিয়মিত স্কুলে আসা-যাওয়া করছেন। তবে স্কুলের হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করছেন না।
এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জহুরুল ইসলাম বলেন, ব্যক্তিগত সমস্যার কারণে দিলরুবা শারমিন দুই বছর ধরে স্কুলে আসতে পারেননি। এখন তিনি নিয়মিত স্কুলে আসতে শুরু করেছেন। তবে আইনি কিছু জটিলতার কারণে তিনি স্কুলের হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করছেন না।



