ক্রীড়া ডেস্ক
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথমটিতে ৭ উইকেটের জয়ে এগিয়ে ছিল ওয়েস্টইন্ডিজ। সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচেই মুদ্রার উল্টো পিঠ দেখতে হলো স্বাগতিকদের। টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা ভালো করেছিল উইন্ডিজ। ১৬ ওভার শেষে ২ উইকেটে ৮৫ রান। ১৭তম ওভারে বল হাতে পেয়েই স্বাগতিক ব্যাটারদের নাভিশ্বাস তুললেন জেডেন লেনক্স। প্রথম ওভারে ৪ রানের বিনিময়ে তুলে নিলেন শাই হোপের উইকেট। বল হাতে তার সাথে তাল মেলালেন মাইকেল ব্রেসওয়েল ও মিচেল স্যান্টনারও। তিন স্পিনারের রেকর্ড গড়া বোলিং তোপে ১৩৮ রানেই গুটিয়ে গেল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ১৯ রানের বিনিময়ে ৫ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হলেন লেনক্স। আর ৫ উইকেটের জয়ে সিরিজে ১-১-এ সমতায় ফিরল নিউজিল্যান্ড।
গায়ানার প্রভিডেন্স স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে উদ্বোধনী জুটিতে ৬৩ রান তুলেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এরপরই কিউই স্পিনারদের ছোবলে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে ইনিংস। আকিম অগাস্টেকে সাজঘরের পথ ধরান ব্রেসওয়েল। এরপর ৪৩ রান করার পর স্যান্টনারের শিকারে পরিণত হন জন ক্যাম্পবেল। আর শাই হোপকে ফিরিয়ে শুরু করেন লেনক্স। শেরফেন রাদারফোর্ডকেও ফেরান এই স্পিনার। কেসি কার্টি আউট হন স্যান্টনারের বলে। এরপর গোদাকেশ মতি, ম্যাথু ফোর্ডও শিকারে পরিণত হন লেনক্সের। ভিটেল লয়েসকে ফিরিয়ে ফাইফার পূর্ণ করেন লেনক্স।
এই বছরই অভিষিক্ত এই স্পিনার আগের ছয় ওয়ানডেতে দুই উইকেটের বেশি পাননি কোনো ম্যাচে। নিউজিল্যান্ডের ষষ্ঠ বোলারের ৫ উইকেট শিকারের নজির আগে ছিল মোটে একটি, সেই ১৯৯৩ সালে যেটি করেছিলেন রড লাথাম, যিনি এখনকার দলের তারকা টম লাথামের বাবা। দু’টি করে উইকেট স্যান্টনার ও মাইকেল ব্রেসওয়েলের।
স্পিন সহায়ক উইকেটে রান তাড়ায় নেমে পথটা মসৃণ ছিল না নিউজিল্যান্ডেরও। লক্ষ্য বড় না থাকায় খুব সমস্যাও হয়নি সফরকারীদের। ১৩৯ রানকে তাড়া করতে নেমে উদ্বোধনী জুটিতে ৩৫ রান যোগ করে ২৮ রান নিয়ে ফেরেন উইল ইয়াং। রানের খাতা খোলার আগেই আউট হন মার্ক চ্যাপম্যান। হেনরি নিকোলস ১৭ রানে আউট হলে একটু চাপে পড়েন তারা। সেখান থেকে দলকে টেনে নেন ড্যারিল মিচেল ও টম লাথাম। মিচেল ২৮ রানে ফেরার পর শূন্য রানেই সাজঘরের পথ ধরেন ডিন ফক্সক্রফটও। তবে ৩৭ রানে লাথাম ও ২৪ রানে ব্রেসওয়েল অপরাজিত থেকে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন।



