ভিক্টোরিয়ার সভাপতি সেক্রেটারিকে বাপ্পির আইনি নোটিশ

Printed Edition

ক্রীড়া প্রতিবেদক

গত ১৩ ডিসেম্বর কাবের মালামাল ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক জাতীয় হকি দলের অধিনায়ক রাসেল খান বাপ্পিকে আজীবন বহিষ্কার করে ভিক্টোরিয়া স্পোর্টিং কাব। নিজের সাফাইয়ে বাপ্পির কাছে যত ডকুমেন্ট ছিল সবগুলোই কাবে পাঠিয়েছেন। এর পরও কোনো সুরাহা না হওয়ায় কাবটির সভাপতি খায়রুল কবির খোকন ও সাধারণ সম্পাদক আরিফুল হক প্রিন্সের বিপক্ষে আইনের আশ্রয় নিতে বাধ্য হন তিনি।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সামিউল ইসলাম স্বাক্ষরিত আইনি নোটিশে বলা হয়, গত বছর ৩ মে থেকে মাসিক ৪০ হাজার টাকা বেতনে ভিক্টোরিয়া কাবের দফতর সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন রাসেল খান বাপ্পি। কাবের কোনো ম্যানেজার না থাকায় কাবের সাধারণ সম্পাদক আরিফুল হক প্রিন্সের নির্দেশে ম্যানজারের দায়িত্বও পালন করেন বাপ্পি; অথচ কোনো প্রকার আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়ে, কোনো অডিট রিপোর্ট ও প্রাথমিক অনুসন্ধান ছাড়াই আইনি বিষয়গুলো উপেক্ষা করে বাপ্পির বিপক্ষে সাড়ে পাঁচ লাখ টাকা ও কাবের মালামাল আত্মসাতের অভিযোগে আজীবন বহিষ্কার করা হয়।

নোটিশে আরো বলা হয়, আমার মক্কেল দায়িত্ব পালন কালে গত বছর মে থেকে অক্টোবর পর্যন্ত ২১ লাখ ১১ হাজার ৭৬৫ টাকা কাবের প্যাডে কয়েকটি রশিদের মাধ্যমে আরিফুল হক প্রিন্সকে বুঝিয়ে দিয়েছেন। এ ছাড়া ২০২২ সাল থেকে মোহামেডানের সাথে কোনোভাবে যুক্ত ছিলেন না। তাই তারাও অন্যায়ভাবে বহিষ্কারাদেশ দিয়েছে, যা হাস্যকর এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

মিথ্যে অপবাদে বিভিন্ন ফেডারেশনে চিঠি পাঠানোয়, সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হওয়ায় আমার মক্কেলের মানহানি হয়েছে। এ অবস্থায় আগামী সাত দিনের মাঝে লিখিতভাবে কাবের সভাপতি ও সেক্রেটারিকে সব অর্থ, মালামাল আত্মসাৎ ও বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারসহ নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে। ন্যায়বিচার না পেলে ষড়যন্ত্রের সাথে জড়িত সবার বিরুদ্ধে দেওয়ানি আদালতে ক্ষতিপূরণ মামলা ও ফৌজদারি আদালতে মানহানি মামলা করা হবে।