কারানের সেঞ্চুরি : সিরিজ হারল বাংলাদেশ

Printed Edition

ক্রীড়া প্রতিবেদক

সিরিজ বাঁচানোর ম্যাচে টস জিতে আবারো বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন মেহেদী হাসান মিরাজ। শুরুটাও ছিল দারুণ। ইনিংসের প্রথম ওভারেই ব্রায়ান বেনেটকে ফিরিয়ে দেন তাসকিন আহমেদ। এরপর ইনোসেন্ট কাইয়াকেও সাজঘরে পাঠিয়ে মাত্র ৮ রানেই দুই উইকেট তুলে নিয়ে চাপে ফেলেন স্বাগতিক জিম্বাবুয়েকে। তবে সেই চাপ সামলে বেন কারানের সেঞ্চুরিতে ৬ উইকেটে ২৪৭ রানের পুঁজি পায় স্বাগতিকরা। জবাবে ৪৮. ১ ওভারে ২৩৪ রানে অল আউট হয় বাংলাদেশ। তাতে ১৩ রানে জয় নিয়ে ২-০তে সিরিজ জিতল জিম্বাবুয়ে। আগামীকালের শেষ ম্যাচটি বাংলাদেশের জন্য হয়ে রইল হোয়াইট ওয়াশ এড়ানোর।

লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই বড় ধাক্কা টাইগারদের। ইনিংসের শুরুতে সৌম্য সরকারকে হারানোর পর নাজমুল হোসেন শান্ত ও তানজিদ হাসান কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার ইঙ্গিত দিলেও সেই জুটি বেশিদূর এগোয়নি। ক্রেইগ আরভিন বল হাতে এসেই শান্তকে (৯) ফিরিয়ে দেন। এর আগে ব্লেসিং মুজারাবানির অতিরিক্ত বাউন্সে বিপাকে পড়ে ৫ রান করে আউট হন সৌম্য সরকার। ৩৮ রানে এই দুই উইকেট হারানোর পর অপর ওপেনার তানজিদ তামিম ও মিডল অর্ডার তৌহিদ হৃদয়ের ব্যাটে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে বাংলাদেশ। দলীয় ১২২রানে ৭০ বলে ৫ চার ও ১ ছক্কায় ৫৭ রান করে বিদায় নেন তানজিদ হাসান তামিম।

৬০ রান করে আউট হন তৌহিদ হৃদয়। ৩৮ রানে নুরুল হাসান। মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের ব্যাট হাসেনি। সর্বসাকুল্যে ৭ রান। শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে মিরাজ আউট হন ২৭ রানে।

এর আগে হারারে স্পোর্টস ক্লাব গ্রাউন্ডে শুরুর ধাক্কা সামলে দলের হাল ধরেন ওপেনার বেন কারান। এক প্রান্ত আগলে রেখে ধৈর্যশীল ব্যাটিং করেন তিনি। ক্রেইগ আরভিন ও ওয়েসলি মাধেভেরে ভালো শুরুর ইঙ্গিত দিলেও বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। পরে সিকান্দার রাজার সাথে গুরুত্বপূর্ণ ৬৮ রানের জুটি গড়ে জিম্বাবুয়েকে ম্যাচে ফেরান কারান। রাজার বিদায়ের পরও রান তোলার গতি কমতে দেননি এই বাঁ হাতি ব্যাটার। দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে তুলে নেন ওয়ানডে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি।

শেষ দিকে তাকে দারুণ সঙ্গ দেন ব্র্যাড ইভান্স। দুই ব্যাটারের ৮০ বলে ৯৯ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতেষ পর্যন্ত ২৪৭ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় জিম্বাবুয়ে। যদিওষ ওভারে তাসকিন ২২ রান খরচ না করলে এত রান হতো না। তাসকিনকে ইভান্সষ ওভারে ৩ ছক্কা ছাড়াও একটা চার মারেন। ইভান্স ৩৮ বলে ৫৮ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন। অন্য দিকে ১৩৫ বলে ৯ চারে ১১১ রানে অপরাজিত থাকেন বেন কারান। এ ছাড়া সিকান্দার রাজার ব্যাট থেকে আসে ৩৩ রান। তাসকিন আহমেদ ও মেহেদী হাসান মিরাজ দু’টি করে উইকেট নেন। একটি করে উইকেট শিকার করেন নাহিদ রানা ও রিশাদ হোসেন।