পিত্তথলি সুস্থ রাখে খাদ্যাভ্যাস

Printed Edition

পিত্তথলির সমস্যায় ভুগছেন এমন রোগীদের জন্য খাদ্যাভ্যাস একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ এবং চর্বিজাতীয় খাবার এড়িয়ে চললে পিত্তথলির ব্যথার ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব। খাবারের তালিকায় পরিবর্তন এনে অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখার মাধ্যমে পিত্তথলির আক্রমণ প্রতিরোধ করা সম্ভব।

বিশেষজ্ঞদের মতে, শরীরে চর্বিজাতীয় খাদ্য হজম করতে যকৃত থেকে পিত্তরস নিঃসৃত হয়। তবে পিত্তথলিতে পাথর বা কোলেস্টেরল ও ক্যালসিয়ামের ‘কাদা’ জমে থাকলে পিত্তরসের চলাচলের সময় তীব্র ব্যথা শুরু হয়। খাবার থেকে অতিরিক্ত সম্পৃক্ত চর্বি ও পরিশোধিত শর্করা বাদ দিলে শরীরকে অতিরিক্ত পিত্তরস ক্ষরণ করতে হয় না, ফলে ব্যথার আক্রমণের আশঙ্কা কমে যায়।

পিত্তথলির সুরক্ষায় চিকিৎসকেরা মাখন, চর্বিযুক্ত ও প্রক্রিয়াজাত লাল মাংস, অতিরিক্ত তেল-মসলাযুক্ত ভাজাপোড়া ফাস্টফুড, ফুল-ফ্যাট দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্য, মিষ্টিপানীয় এবং সাদা রুটি, পাস্তা ও পরিশোধিত চিনিযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

পিত্তপাথরের ঝুঁকি কমাতে ফাইবার বা আঁশযুক্ত খাবার, ফলমূল ও শাকসবজি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। লাল মাংসের বদলে চর্বিহীন মাংস এবং ওমেগা-৩ সমৃদ্ধ মাছ খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। পাশাপাশি সাদা চাল ও ময়দার পরিবর্তে লাল চাল, গোটা শস্যের রুটি, বাদাম এবং কম চর্বিযুক্ত দুগ্ধজাত খাবার অন্ত্রের শক্তি বাড়াতে ও পিত্তথলি সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। ইন্টারনেট।