আলজাজিরা ও ইকোনমিক টাইমস
ভেনিজুয়েলায় হামলা চালিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্টকে সস্ত্রীক তুলে আনার পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট একই ধরনের হুমকি দিয়েছেন প্রতিবেশী দেশ কিউবাকেও। কিউবাকে ‘ব্যর্থ রাষ্ট্র’ আখ্যা দিয়ে তিনি দেশটির জনগণকে ‘সাহায্য’ করা দরকার বলে মন্তব্য করেছেন। আর বিশ্লেষকেরা বলছেন, ট্রাম্পের এই হুমকির পর হাভানা (কিউবার রাজধানী) রাশিয়ার সাহায্য চাইতে পারে আরো একবার।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজের বরাতে জানা গেছে, ভেনিজুয়েলা অভিযানকে কিউবার কীভাবে দেখা উচিত এমন প্রশ্নের জবাবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, ‘আমার মনে হয় কিউবা এমন একটি বিষয় হতে যাচ্ছে যা নিয়ে শেষ পর্যন্ত আমাদের কথা বলতে হবে। কারণ, কিউবা এখন একটি ব্যর্থ রাষ্ট্র।’
এ দিকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও আভাস দিয়েছেন- ট্রাম্প প্রশাসনের পরবর্তী লক্ষ্য হতে পারে কিউবা। ভেনিজুয়েলা এবং কিউবা- উভয় দেশ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের মাথা ব্যথা প্রসঙ্গে রুবিও বলেন, ‘আমি যদি হাভানায় থাকতাম এবং সরকারের অংশ হতাম, তবে অন্তত কিছুটা হলেও চিন্তিত হতাম।’
লাতিন আমেরিকায় মার্কিন সামরিক হস্তক্ষেপের ইতিহাস বেশ দীর্ঘ। ১৯৬১ সালে ফিদেল ক্যাস্ট্রোকে উৎখাত করার লক্ষ্যে কিউবান নির্বাসিত ব্যক্তিদের নিয়ে চালানো ব্যর্থ ‘বে অব পিগস’ অভিযানেও যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন ছিল।
ভেনিজুয়েলার পর কিউবাকেও নিজের তালিকায় যুক্ত করা নিয়ে ট্রাম্পের মন্তব্যকে সতর্কবার্তা হিসেবে দেখছেন রাশিয়ার পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক থিংক ট্যাংক ভালদাই ডিসকাশন ক্লাবের সদস্য আন্দ্রে কর্তুনভ।
তিনি বলেন, ‘অবশ্যই কিউবা ভেনিজুয়েলা থেকে একেবারেই আলাদা।



