হাসিনার পতনের পর তাকে আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে প্রথম বাগ্যুদ্ধ শুরু করে ভারত। সংখ্যালঘুর ওপর নির্যাতনের অসংখ্য ভুয়া মিথ্যা খবর নিয়ে অপপ্রচারে নামে ভারতীয় মিডিয়া। ভারতের শাসকগোষ্ঠী থেকে শুরু করে বিরোধী দল এমনকি নামকরা বুদ্ধিজীবীরা বেছে নেয় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে সেই নাইন-ইলেভেনের বস্তাপচা বিশ্বব্যাপী জঙ্গি নাটক সাজানোর পুরনো কোশেশ। কিন্তু এই ভারতীয় অপপ্রচার ধোপে টেকেনি, নিদারুণভাবে প্রত্যাখ্যাত হয় আন্তর্জাতিক মিডিয়া ও বিশ্বসমাজের কাছে। একের পর এক এ ধরনের ভারতীয় অপপ্রচার ভিত্তিহীন প্রমাণিত হতে থাকে। ভারতীয়দের বাংলাদেশে এসে প্রকৃত ঘটনা ও সার্বিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি দেখে যাওয়ার আমন্ত্রণ জানানো হয়। তাদের কেউ কেউ এসে দেখতে পান বাংলাদেশে ছাত্র-জনতার ইস্পাত কঠিন দৃঢ় ঐক্য ও সিসাঢালা প্রাচীরের মতো যে ধৈর্যের বর্ম আছে তাতে আঘাত হানা হলেও তছনছ হয়ে যেতে থাকে সংখ্যালঘু নিয়ে বানানো কল্পকাহিনী। বাংলাদেশের মানুষ এসব অপপ্রচারের বিরুদ্ধে কতটা স্থির ও স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে প্রয়োজনে জীবন দিয়েছে তার অন্যতম প্রতীক হয়ে ওঠে চিন্ময় দাসের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম আদালতে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার পর আইনজীবীকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা।
সারাবিশ্ব দেখেছে সংখ্যালঘুদের ঘরবাড়ি, মন্দির ও উপাসনালয়ে নিরাপত্তা বেষ্টনী তৈরি করেছে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে তৌহিদী জনতার প্রাচীর আর এসব অভয়ের বাণী বিবিসি, আলজাজিরা, আনাদোলু, টিআরটি ওয়ার্ল্ড থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় উঠে এসেছে সচিত্র প্রতিবেদন হিসেবে। খোদ ভারতেই হোঁচট খেতে থাকে বাংলাদেশবিরোধী অপপ্রচার। কয়েকটি ভারতীয় মিডিয়া বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনের কাহিনী কতটা ধোপে টেকে তা নিয়ে শেষ পর্যন্ত পাল্টা বয়ান শুরু করলে এ ধরনের অপপ্রচার অনেকটা চুপসে যায়। একই সাথে অসংখ্য ভারতীয় ইউটিউব চ্যানেলে বাংলাদেশ ঘুরে যাওয়া ভারতীয় নাগরিকরা স্বীকার করতে বাধ্য হন বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি স্বাভাবিকÑ শতসহস্র পূজামণ্ডপে ধূপের শান্ত স্নিগ্ধ ধোঁয়া বাতাসে মিশে বরং ধর্মীয় সহিংসতার উঁকিঝুঁকির পথ বন্ধ করে দেয়।
ভারতের আর্মটুইস্টিং কৌশল : শুরু থেকেই বাংলাদেশীদের চাহিদা অনুযায়ী মেডিক্যাল ও পর্যটক ভিসা দেয়া নিয়ন্ত্রণ করতে শুরু করে ভারত। ট্রান্সশিপমেন্ট বাতিল, স্থলপথে আমদানিতে নিষেধাজ্ঞার পাশাপাশি ভারতীয় রাজনীতিকরা আলু-পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে বাংলাদেশীদের না খাইয়ে মারার ছক কষেন। আল্লাহর দেয়া জমিনে ফলন এতই ভালো হয়ে যে দীর্ঘদিন পর বাংলাদেশে আলু, পেঁয়াজ, টমেটোসহ সবজির দাম হাতের নাগালে এসে যায়। সীমান্তের ওপারে আলু, পেঁয়াজ বাংলাদেশে রফতানি করতে না পেরে পচতে শুরু করে। ভারতে রাস্তার পাশে পড়ে থাকতে দেখা যায় আলু, পেঁয়াজ। সীমান্তে দাঁড়ানো ভারতীয় ট্রাকে সরজি পচে যাওয়ায় করিমগঞ্জে ট্রাকচালক সলিমুদ্দিসহ অনেক কৃষক আত্মহননের পথ বেছে নেন। উল্টো আক্ষেপ আর হতাশায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানাতে শুরু করেন ভারতীয় ব্যবসায়ীরা। কলকাতা, চেন্নাই, ব্যাঙ্গালুরুসহ বিভিন্ন এলাকায় চিকিৎসা, কেনাকাটা, ভ্রমণে বাংলাদেশীদের যাতায়াত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চরম লোকসানে পড়েন ভারতীয় ব্যবসায়ীরা। সীমান্ত এলাকায় বাসের টিকিট কাউন্টার, হোটেল, রেস্তোরাঁগুলো একের পর এক বন্ধ হতে থাকে। সর্বশেষ কোরবানির পশু উদ্বৃত্ত থাকায় বাংলাদেশ সরকার ভারত ও মিয়ানমার থেকে পশু আমদানি নিষিদ্ধ করায় অন্তত ৩০ লাখ ভারতীয় পশু আটকে যায়। ভারতের বেশির ভাগ রাজ্যে গরু জবাই নিষিদ্ধ এবং এসব পশু বাংলাদেশে এক দেড় লাখে বিক্রির সুযোগ হারিয়ে অর্ধেকেরও কম দামে বেঁচতে বাধ্য হন পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, ঝাড়খন্ড, আসামের ব্যবসায়ীরা। বাংলাদেশের সাথে সীমান্ত বাণিজ্য বন্ধ করে দেয়ায় বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হন ভারতীয়রাই।
বাংলাদেশ এবার নিশ্চুপ থাকেনি : অতীতে হাসিনার ‘মেরেছো কলসির কানা, তাই বলে কি প্রেম দেবো না’ মার্কা নীতির পরিবর্তে বাংলাদেশও পাল্টাব্যবস্থা নিতে বাধ্য হয়। সিলেট ও কক্সবাজারে ফ্রেইটার চালুর পর তিন গুণ বেড়ে যায় কার্গো সক্ষমতা। মংলা বন্দরে চীনা বিনিয়োগ নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্র বন্দরে জাপানি বিনিয়োগে গতি পায়। চীন ও তুরস্ক ঘোষণা করে বাংলাদেশে আধুনিক হাসপাতাল নির্মাণের। চীনে চালু হয় বাংলাদেশীদের জন্য ডেডিকেটেড চিকিৎসা ব্যবস্থা। থাইল্যান্ড, ইরান, পাকিস্তান বাংলাদেশীদের চিকিৎসা সুবিধা দিতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে। মালয়েশিয়া, ওমান, আফ্রিকায় গরুর গোশত রফতানির চুক্তি স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশী রফতানিকারকরা। বছর কয়েক আগে ভারত গরু রফতানি বন্ধ করে দেয়ার পর নরসিংদী, ফেনী, পঞ্চগড়, সিরাজগঞ্জ, পাবনা, শাহজাদপুর এলাকায় লাখ লাখ খামারিরা গরু উৎপাদনে বিস্ময়কর চমক দেখানোয় এ বছর চাহিদার তুলনায় ২০ লাখ ৬৮ হাজার পশু উদ্বৃত্ত রয়েছে।
বাংলাদেশের বিরুদ্ধাচরণ ভারতের জন্য ব্যুমেরাং : বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী হুঙ্কার দিয়েছিলেন, ‘বাংলাদেশীরা আলু, পেঁয়াজ কী করে খায় দেখিয়ে দেবো’। উল্টো বাংলাদেশীরা দেখিয়ে দিচ্ছে কিভাবে স্বনির্ভর হতে হয়। কলকাতার নিউমার্কেট, মার্কুই স্ট্রিট, কিড স্ট্রিট, ফ্রি স্কুল স্ট্রিট, কিন লেন, টটি লেনের ব্যবসায়ীরা এখন হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছেন হুঙ্কারের রাজনীতি কী জিনিস। তারা লোকসান গুনতে গুনতে পুঁজি হারিয়ে দোকানপাট বন্ধ করে দিচ্ছেন। আবদুল খালেক রেস্টুরেন্টে এক বাটি কালো ভুনা খেতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকত মানুষ। এখন কাকপক্ষীর দেখা মেলে না। কর্মী ছাঁটাইয়ে মাতম চলছে। ভারতীয় ব্যবসায়ীরা বলছেন, ৯৯ শতাংশ ব্যবসা কমে গেছে। যাতায়াতে বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি, সীমান্ত বন্ধ, ভ্রমণ বিধি নিষেধ এখন তাদের গলায় কাঁটা হয়ে বিঁধছে।
চোরাবালিতে আটকে গেছে ভারত : ভারতের ধর্মীয় হুমকি, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ ও ঝুঁকিপূর্ণ প্রতিবেশী নীতির খেসারত দিতে শুরু করেছে দেশটির জনগণ। এর কারণ বাংলাদেশের একটি নির্দিষ্ট দলের বাইরে জনগণের সাথে কখনো টেকসই সম্পর্ক গড়ে উঠুক তা চায়নি দিল্লি। বাংলাদেশীদের চিকিৎসা সুবিধা বন্ধ, হঠাৎ রফতানি নিষেধাজ্ঞা, পণ্য আটকে দেয়ার মতো একের পর এক ভারতীয় অপকৌশলে ঢাকা বিকল্প পথ খুঁজে নিচ্ছে। এতে শুধু উত্তর-পূর্ব ভারতের ১০ হাজার ব্যবসায়ী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেখানে জনমানসে ক্ষোভ বাড়ছে। ভারতীয়রা বলতে শুরু করেছেন, ‘দিল্লি আমাদের গলা চেপে ধরলে আমরা ঢাকার দিকে তাকাব না কেন? আমরা তো গুজরাট থেকে আসিনি? বাংলাদেশ তাদের কাছে শুধু প্রতিবেশী নয়, ‘লাইফ লাইন’। দক্ষিণ এশিয়ার বাস্তবতায় ভারতের ভূকৌশলগত ভুলের জন্য কেন খেসারত দেবে বাংলাদেশ? মধ্যম আয়ের দেশ ও উচ্চ প্রবৃদ্ধি মাত্রার রাষ্ট্র বাংলাদেশ দেখাতে শুরু করেছে তার রয়েছে বিকল্প জোট। বিকল্প বাজার। বিকল্প স্বপ্ন। বাংলাদেশের বন্দরগুলো নেপাল, ভুটান ও অন্যান্য দেশের জন্য সংযোগ সেতু। দিল্লির সঙ্কীর্ণ জাতীয়তাবাদের কাছে কখনোই আর মাথা ঠুকবে না ঢাকা।
ভারতীয় মিডিয়ার নতুন উপলব্ধি : আনন্দবাজারসহ অন্যান্য ভারতীয় মিডিয়া যাই বলুক, ডেকান ক্রনিকল, টাইমস অব ইন্ডিয়া, হিন্দুস্তান টাইমস নড়ে চড়ে বসতে শুরু করেছে। ভূতের মুখে রামের নামের মতো বাংলাদেশকে নিয়ে ভারতীয় মিডিয়ার মধ্যে দ্বিধাবিভক্তি এখন সুস্পষ্ট। মাঠপর্যায়ের তথ্য যাচাই করে এসব মিডিয়া বলছে মোদির বাংলাদেশ নীতি ভারতের জন্য আত্মঘাতী। ত্রিপুরা, আসাম, পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয়ের ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। ১৩টি স্থলবন্দর ও চারটি জলপথ ব্যবহার করে বাংলাদেশের সাথে কম করে হলেও ২ বিলিয়ন ডলারের পণ্য আদান-প্রদান হয়। আসামের সাড়ে তিন হাজার ব্যবসায়ীর আমদানি রাজস্ব কোড বাতিলের মুখে ১০ হাজার মানুষের জীবিকা উধাও। ত্রিপুরা সীমান্তে হাজার হাজার ট্রাক পণ্যবোঝাই হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। সীমান্তে বাংলাদেশীদের সাথে ভারতীয় জনগণের ব্যবসা ছাড়াও হাজার বছরের ঐতিহ্য হয়ে ওঠা সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক এভাবে ভেঙে ফেলা হচ্ছে। বাংলাদেশের নতুন সরকারকে দমন করতে গিয়ে ভারত এখন বাংলাদেশকে বিকল্প চীন, তুরস্ক, পাকিস্তান, কাতার, মালয়েশিয়ার সাথে পুরনো সম্পর্ককে ঝালাই করে নেয়ার পথ তৈরি করে দিচ্ছে। এতকাল ভারতীয় অর্থনীতির পরিপূরক বাংলাদেশের অর্থনীতি ঘুরে গেছে অন্য দিকে।
চোখ কপালে ভারতীয় বুদ্ধিজীবীদের : বাংলাদেশের বিরুদ্ধে করিডোর দেয়ার ব্যাপক অপপ্রচারের মুখে নামে ভারত। বিশেষ করে চন্দন নন্দীর সম্পাদনায় নর্থইস্ট নিউজ পোর্টালটি মুখ্য ভূমিকা পালন করছে। অথচ চীন ও মিয়ানমার এ নিয়ে ততটা সরব নয়। কারণ এ দু’টি দেশ জানে মায়ের চেয়ে মাসীর দরদ বেশি। মাঝখান দিয়ে চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে অর্থনৈতিক করিডোরের কথা উঠতেই চোখ কপালে তুলছে ভারতীয় থিংকট্যাংকগুলো। এত দিন ধরে এসব থিংকট্যাংক বলে আসছে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক সঙ্কটের কারণে নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসন একাধিক ক্ষেত্রে প্রতিকূলতার মুখোমুখি হচ্ছে। বাংলাদেশের দিকে তাকালেই ভারতীয় বুদ্ধিজীবীরা দেখতে পান অভ্যন্তরীণ নাগরিক অস্থিরতা, সামরিক বাহিনীর সাথে প্রাতিষ্ঠানিক বিরোধ, ক্রমবর্ধমান জ্বালানি সঙ্কট এবং ভারতের প্রতি ক্রমবর্ধমান শত্রুতাপূর্ণ বক্তব্য। এমনকি খলিলুর রহমানকে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হিসেবে বাংলাদেশের নিয়োগ ভারত কোনোভাবেই মেনে নিতে পারেনি। অথচ ভারত একজন পুলিশের সাবেক কর্মকর্তা অজিত দোভালকে নিরাপত্তা উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দিলেও বাংলাদেশের ক্ষেত্রে আগ বাড়িয়ে উসকানিমূলক অভিযোগ তুলেছে যে সামরিক পরামর্শ ছাড়া খলিলুর রহমানের নিয়োগ বেসামরিক-সামরিক দ্বন্দ্বকে আরো প্রশস্ত করেছে। অভ্যন্তরীণভাবে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বেসামরিক কর্মচারী, শিক্ষক ও রাজনৈতিক দলগুলির তীব্র প্রতিবাদের মুখোমুখি হচ্ছে। সরকারি কর্মচারীদের সাময়িক বরখাস্তের অনুমতি দিয়ে সরকারের সাম্প্রতিক অধ্যাদেশ ব্যাপক ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে। অর্থনৈতিক পরিস্থিতিরও ভালো অবস্থায় নেই। বিদ্যুৎ ঘাটতি গত এক বছরে সাভার, আশুলিয়া ও গাজীপুরের মতো গুরুত্বপূর্ণ শিল্প অঞ্চলে ব্যাপক বিক্ষোভের সূত্রপাত করেছে। গত সেপ্টেম্বরে অস্থিরতার কারণে শতাধিক পোশাক কারখানা বন্ধ হয়ে যায়; যার মধ্যে অনেকগুলো নিরাপত্তা হস্তক্ষেপ সত্ত্বেও অকার্যকর অবস্থায় রয়েছে। কিন্তু এসব সমস্যাকে মোকাবেলা করেই বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। আদানির বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করতে বাংলাদেশে পিছপা হয়নি। বাংলাদেশের নাগরিকদের কাছে এখন ভারতীয় কলকাঠি কিভাবে নড়ে চড়ে ওঠে, স্বৈরাচারী পলাতক শাসককে কোনো দেশ আশ্রয় দিতে না চাইলেও ভারত কিভাবে তাকে আতিথেয়তা দিচ্ছে, তা স্বচ্ছ স্ফটিকের মতো পরিষ্কার। এই স্ফটিকের চেয়েও কঠিন হচ্ছে বাংলাদেশীদের ঐক্য, যা স্থিতিশীলতার প্রতীক হয়ে উঠছে। এ কারণেই ব্যাঙ্গালুরুর ক্রাইস্ট ইউনিভার্সিটির সহকারী অধ্যাপক ড. শ্রেয়া উপাধ্যায় বলছেন, ভারতকে বাংলাদেশের বিকল্পগুলো পুনর্বিবেচনা করতে হবে। ভারতকে সাবধানতার সাথে পদক্ষেপ নিতে হবে। কেবল বলপ্রয়োগের মাধ্যমে স্থায়ী প্রভাব তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা কম। ভারতের নিজস্ব উন্নয়ন ও নিরাপত্তা লক্ষ্যের জন্য বাংলাদেশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।



