পুঠিয়ায় ৫০ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নেই

Printed Edition

পুঠিয়া (রাজশাহী) সংবাদদাতা

রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার ৯০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৫০টিতেই দীর্ঘদিন ধরে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। এতে বিদ্যালয়গুলোর প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। শূন্য পদগুলোতে সহকারী শিক্ষকদের চলতি দায়িত্ব দিয়ে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করা হচ্ছে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, ২০০৮ সাল থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত প্রধান শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতি সংক্রান্ত মামলার কারণে নিয়োগ কার্যক্রম বন্ধ থাকায় এ সঙ্কট সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘদিন পদ শূন্য থাকায় বিদ্যালয় পরিচালনায় সমন্বয়হীনতা দেখা দেয়ার পাশাপাশি পাঠদানেও এর প্রভাব পড়ছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।

স্থানীয়রা জানান, একই পদমর্যাদার একজন সহকারী শিক্ষককে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব দেয়ায় কোনো কোনো ক্ষেত্রে অন্য শিক্ষকদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পাওয়া যায় না।

প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য থাকা বিদ্যালয়গুলোর মধ্যে রয়েছে সুরেশ্বরী, মাহেন্দ্রা, নন্দনপুর, দমদমা, বড় রাঙ্গামাটিয়া, রাতোয়াল, কাজুপাড়া, সাধনপুর, দাসমাড়িয়া, সরিষাবাড়ি, কাঁঠাবাড়িয়া, তাড়াশ, নাজামগ্রাম, আটভাগ, তারাপুর, সাতঘোষপাড়া, তেঁতুলিয়া, ধোকড়াকুল, কান্দ্রা কারবালা, বিলমাড়িয়া, ভাংড়া, কাজিরপাড়া, জরমডাঙ্গা, হাড়োগার্থী, কানমড়িয়া, গোপালহাটী মডেল, দৈপাড়া, জামিরা, চকধাদাশ, বাঁশবাড়ি, ফুলবাড়ি, রঘুরামপুর, তেলীপাড়া, চকদুর্লভপুর, শক্তিপাড়া, কাশিয়াপুকুর, সৈয়েদপুর, শাহবাজপুর ও ধোপাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোখলেসুর রহমান বলেন, সরকার প্রধান শিক্ষক নিয়োগের ব্যবস্থা করলে পুঠিয়ার বিদ্যালয়গুলোর এ সঙ্কটের সমাধান হবে।