প্রিন্স আশরাফ
এক শ’ আটান্ন.
এর মধ্যে জোয়ান ছেলের সাথে ফুলির একটু চোখাচোখিও হয়ে গেল। যতীন মাঝি বলল, ‘তুমার কাছতে বেশি দাম নোবো নাই? যা হয় এট্টা ধরি দিয়িনে।’
অনেক কম দাম দিয়ে সূর্যের আলোয় চকচকে জ্যান্ত মাছের গায়ে সাতরঙ খেলে যাওয়া বেশ বড় সাইজের ভেটকি মাছ পাওয়া গেল। শুধু ভেটকিই নয়, আরো কয়েক প্রকারের মাছও আছে ওখানে। লোভে পড়ে আরো কিছু মাছ কেনা হলো। সবই কম দামে।
এরা আসলে মাছ ধরারই জেলে। হরেক রকমের মাছ যা ওঠে তাই ধরে। কাঁকড়া মারার জন্য আলাদা জেলেও আছে। তবে এদের নৌকায়ও অনেক কাঁকড়া ধরা পড়েছে। কি সাইজ একেকটার!
সিঁদুর রঙা লাল দুই দাঁড়ার সামনে সাঁড়াশির মতো, আঁকার মতো। মাছের সাথে কয়েকটা কাঁকড়াও জুয়েলের উৎসাহ দেখে ‘ফিরি’ দিয়ে দিলো।
নাভিদের ব্যস্ততা লাগানোয় যতীন মাঝির সাথে কথা শেষ করে দাঁড় বাওয়া শুরু করল মাঝি। এ দিকে ঘড়িতে সাড়ে এগারোটা বাজে। সাগরের হাওয়া খিদে বাড়িয়ে দেয়। (চলবে)



