এএফপি
উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন জাপানকে ‘যুদ্ধবাজ রাষ্ট্রে’ পরিণত হওয়ার অভিযোগ এনেছেন এবং নিজের দেশের সামরিক সক্ষমতা আরো জোরদার করার নির্দেশ দিয়েছেন। গতকাল মঙ্গলবার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা কেসিএনএ প্রকাশিত এক বক্তব্যে তিনি বলেন, জাপান বর্তমান আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিকে সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করে সামরিক শক্তিতে পরিণত হওয়ার পথে এগোচ্ছে।
কিমের ভাষায়, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে পরাজিত হওয়ার পর জাপানের ওপর আরোপিত সীমাবদ্ধতাগুলো সরিয়ে দেশটি এখন প্রকাশ্যে একটি ‘যুদ্ধবাজ রাষ্ট্রে’ রূপ নিচ্ছে। তিনি দাবি করেন, এ ধরনের পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ ও বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জাপান তার দীর্ঘদিনের শান্তিবাদী নীতিতে পরিবর্তন এনেছে। প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির নেতৃত্বাধীন সরকার যুদ্ধবিমানসহ প্রাণঘাতী অস্ত্র রপ্তানির ওপর থাকা নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্রের তত্ত্বাবধানে প্রণীত জাপানের সংবিধান দেশটির সামরিক কার্যক্রম ও অস্ত্র রফতানির ওপর কঠোর সীমাবদ্ধতা আরোপ করেছিল। নতুন নীতির ফলে এখন যুদ্ধবিমান, ক্ষেপণাস্ত্র ও নৌবাহিনীর ডেস্ট্রয়ারসহ বিভিন্ন সামরিক সরঞ্জাম রফতানির সুযোগ তৈরি হয়েছে।
জাপানের এই নীতিগত পরিবর্তনের সমালোচনা করেছে চীনও। বেইজিংয়ের মতে, টোকিও নতুন ধরনের সামরিকতাবাদের দিকে এগোচ্ছে। তবে জাপান সরকার বলছে, দ্রুত পরিবর্তনশীল নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতায় অবদান রাখাই তাদের উদ্দেশ্য।



