বর্তমানে চলছে বর্ষাকাল। এ সময় টানা বৃষ্টি, রাস্তাজুড়ে জলাবদ্ধতা, দীর্ঘ যানজট, ভেজা পোশাক আর সময়মতো অফিসে পৌঁছানোর চাপসহ দিনের শুরুটাই হয়ে ওঠে ক্লান্তিকর। ফলে অনেকেই অফিসে পৌঁছানোর আগেই মানসিকভাবে অবসন্ন হয়ে পড়েন। এর প্রভাব পড়ে কাজের গতি, মনোযোগ ও উৎপাদনশীলতার ওপর।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দিনের শুরুটা যত বেশি চাপের হয়, সারাদিনের মানসিক অবস্থাও অনেকটা তার ওপর নির্ভর করে। তাই বর্ষার ঝামেলা পুরোপুরি এড়ানো না গেলেও কিছু ছোট অভ্যাস গড়ে তুললে কাজের প্রতি মনোযোগ ধরে রাখা অনেক সহজ হয়। যেমন-
আগের রাত থেকেই প্রস্তুতি নিন : বর্ষার সকালে তাড়াহুড়া এড়ানোর সবচেয়ে ভালো উপায় হলো আগের রাতেই প্রয়োজনীয় জিনিস গুছিয়ে রাখা। অফিসের পোশাক, ব্যাগ, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, ছাতা, রেইনকোট কিংবা অতিরিক্ত একটি জোড়া মোজা আগে থেকেই প্রস্তুত রাখুন।
হাতে বাড়তি সময় নিয়ে বের হন : বর্ষায় ট্রাফিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে অনেক খারাপ হতে পারে। তাই প্রতিদিনের তুলনায় অন্তত ২০ থেকে ৩০ মিনিট আগে বের হওয়ার চেষ্টা করুন।
ভেজা পোশাকে দীর্ঘক্ষণ নয় : দীর্ঘ সময় ভেজা কাপড়ে থাকলে শুধু অস্বস্তিই নয়, ঠাণ্ডা লাগা, ত্বকের সংক্রমণ ও দুর্গন্ধের ঝুঁঁকিও বাড়ে। তাই অফিসে একটি অতিরিক্ত শার্ট, ওড়না বা মোজা রাখুন।
শরীরকে হাইড্রেট রাখা : বর্ষাকালে তৃষ্ণা কম পেলেও শরীরের পানির চাহিদা কমে না। পর্যাপ্ত পানি পান না করলে ক্লান্তি, মাথাব্যথা ও মনোযোগের ঘাটতি দেখা দিতে পারে। দিনের বিভিন্ন সময়ে অল্প অল্প করে পানি পান করুন।
হালকা ও পুষ্টিকর খাবার : সকালের নাশতা না খেয়ে অফিসে গেলে ক্লান্তি আরো বাড়ে। প্রোটিন, ফাইবার ও স্বাস্থ্যকর কার্বোহাইড্রেটসমৃদ্ধ খাবার দীর্ঘ সময় শক্তি জোগাতে সাহায্য করে। ওটস, ডিম, ফল, দই বা বাদাম ভালো বিকল্প হতে পারে।
হালকা বিরতি : অফিসে পৌঁছেই একটানা কাজ শুরু না করে কয়েক মিনিট সময় নিয়ে নিজেকে গুছিয়ে নিন। ভেজা হাত-মুখ ধুয়ে নিন, কয়েকবার গভীর শ্বাস নিন এবং প্রয়োজন হলে এক কাপ গরম চা পান করুন। এতে শরীর ও মন দুটোই কিছুটা স্বস্তি পায়। ইন্টারনেট।



