ক্রীড়া ডেস্ক
বিশ্বকাপ ২০২৬-এর গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে আজ রাত ১টায় টরন্টোর বিএমও ফিল্ডে মুখোমুখি হচ্ছে সেনেগাল ও ইরাক। দুই দলের সামনেই এখনো গাণিতিকভাবে শেষ ৩২-এ ওঠার সুযোগ থাকলেও বাস্তবতা বলছে এটি কার্যত বাঁচা-মরার লড়াই। বিশেষ করে সেনেগালের জন্য জয় ছাড়া অন্য কোনো ফল প্রায় অর্থহীন। আফ্রিকার অন্যতম শক্তিশালী দল হিসেবে টুর্নামেন্টে এসেছিল সেনেগাল। গ্রুপে ফ্রান্স ও নরওয়ের মতো কঠিন প্রতিপ থাকলেও অন্তত কিছু পয়েন্ট অর্জনের প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু বাস্তব চিত্র হয়েছে উল্টো। ফ্রান্সের বিপে প্রথমার্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেও সুযোগ নষ্টের মূল্য দিতে হয়েছে, আর নরওয়ের বিপে রণভাগের একাধিক ভুল ৩-২ পরাজয়ের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
বিশেষ করে অধিনায়ক কালিদু কুলিবালির পারফরম্যান্স নিয়ে সমালোচনা তৈরি হয়েছে। কোচ পাপে থিয়াওয়ের এখন বড় সিদ্ধান্তের সামনে, অভিজ্ঞতার ওপর ভরসা রাখবেন, নাকি পরিবর্তন আনবেন। সম্ভাব্য বিকল্প হিসেবে দেখা হচ্ছে মামাদু সার ও আব্দুলাই সেককে। তবে আক্রমণে ভরসা থাকছে সাদিও মানে, ইসমাইল সার ও নিকোলাস জ্যাকসনের ওপর।
অন্য দিকে ইরাকের অবস্থাও খুব একটা ভালো নয়। নরওয়ে ও ফ্রান্সের কাছে হেরে তারা ইতোমধ্যে সাত গোল হজম করেছে। দলের একমাত্র গোলদাতা আইমান হোসেন ইনজুরি শঙ্কায় থাকায় কোচ গ্রাহাম আর্নল্ড বিকল্প ভাবছেন। মোহানাদ আলী প্রথমবারের মতো শুরুর একাদশে সুযোগ পেতে পারেন, আর সামনে থাকতে পারেন আলী আল হামদানি।
ম্যাচের হিসাব পরিষ্কার সেনেগালকে শুধু জিতলেই হবে না, বড় ব্যবধানে জিততে হবে; যাতে সেরা তৃতীয় স্থানধারীদের তালিকায় জায়গা পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে। ইরাকের েেত্রও জয় জরুরি, তবে গোল ব্যবধানের কারণে তাদের ভাগ্য অনেকটাই অন্য ম্যাচের ওপর নির্ভর করছে।



